ইসির ভেতরের বিতর্ক মানুষের আস্থা কমায়’: শাখাওয়াত হোসেন
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২১ ডিসেম্বর শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
প্রথমে বাংলাদেশে:
- ইসির ভেতরের বিতর্ক মানুষের আস্থা কমায়’- বলেছেন শাখাওয়াত হোসেন দৈনিক প্রথম আলো
- উত্তাপ না থাকলে ভালো লাগে না: ইসি রফিকুল-দৈনিক যুগান্তর
- বিচার বিভাগের ওপর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
- বাংলাদেশে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে জাতিসংঘ-মানব জমিন
- নির্বাচনে সহিংসতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল-দৈনিক নয়াদিগন্ত
- বিএনপি সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছে: হানিফ-এনটিভি বিডি
ভারতের খবর:
- গতকালের রায় খারিজ, রথযাত্রা মামলা সিঙ্গল বেঞ্চেই পাঠাল ডিভিশন বেঞ্চ-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- সব কম্পিউটারে কেন্দ্রের নজরদারি, নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক -দৈনিক বর্তমান-
- মানুষের চেয়ে গরুর মৃত্যুই বড় ইস্যু, বুলন্দশহর কাণ্ডে বিতর্কিত মন্তব্য বিজেপি নেতার-সংবাদ প্রতিদিন
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
ইসির ভেতরের বিতর্ক মানুষের আস্থা কমায়- বলেছেন শাখাওয়াত হোসেন দৈনিক প্রথম আলো
সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কার্যকরী ভূমিকা নিয়ে আশান্বিত হতে পারছি না। নির্বাচনের তিনটি ধাপ। প্রাক্–নির্বাচনী পর্ব, নির্বাচনী প্রক্রিয়াকাল ও নির্বাচন এবং নির্বাচন–পরবর্তী পর্ব।
আমরা এখন আছি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকালে। দলগুলো ঠিকমতো প্রার্থী মনোনয়ন করতে পারছে কি না, প্রার্থীরা প্রচার–প্রচারণায় সমান সুযোগ পাচ্ছেন কি না ইত্যাদি এ সময়ে প্রধান বিবেচ্য। সংবাদমাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি, সে পরিবেশটি নেই। ঢাকায় সাদা চোখেই দেখতে পাচ্ছি, সব প্রার্থী প্রচারের সমান সুযোগ পাচ্ছেন না। আমার এলাকায় শুধু সরকারদলীয় প্রার্থীর পোস্টার। বিরোধী প্রার্থীদের নির্বাচনী পোস্টার চোখে পড়েনি। সমান প্রচারের সুযোগ নিশ্চিত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
উত্তাপ না থাকলে ভালো লাগে না: ইসি রফিকুল-দৈনিক যুগান্তর
নির্বাচনে মারামারি এ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, মারামারি, উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। যখন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়, তখন আরেকটু গরম হয়ে যায়। আর উত্তাপ না থাকলে ভালো লাগে না।
ভোটের মাঠে সাম্প্রতিক সহিংসতা প্রসঙ্গে রাজশাহীতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার দুপুরে রাজশাহী শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে ‘নির্বাচনে নারীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ইসি রফিকুল। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিচার বিভাগের ওপর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
উচ্চ আদালত থেকে প্রার্থিতা বাতিল প্রশ্নে বিচার বিভাগের ওপর মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। সম্প্রতি বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় দিয়েছে উচ্চ আদালত। এছাড়া বেশ কয়েকজনের প্রার্থিতা বাতিল করে বিকল্প প্রার্থীর মনোনয়ন গ্রহণ করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফখরুল। মির্জা ফখরুল বলেন, বিচার বিভাগ প্রার্থিতা বাতিল করছেন, এটিকে কীভাবে বলব? আমার দলে কে প্রার্থী হবে, সেটি আদালত কীভাবে ঠিক করে দেন প্রশ্ন ফখরুলের। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর আদালত কোনোভাবেই প্রার্থিতা স্থগিত করতে পারেন না। আদালতের এ আচরণ নিরপেক্ষ নয়। এতে প্রমাণ হয় নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে বলে যে দাবি তুলছে তা সঠিক নয়।
বাংলাদেশে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে জাতিসংঘ-মানব জমিন
বাংলাদেশে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে ঘনিষ্ঠ নজর (ক্লোজলি ফলোয়িং) রাখছে জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরাঁর মুখপাত্র স্টিফেন ডুজাররিক। একজন সাংবাদিক তার কাছে বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করেন। ওই সাংবাদিক জানতে চান: বাংলাদেশে বিরোধী দলীয় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ওপর দমনপীড়ন চালাচ্ছে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন কর্তৃপক্ষ। এখন তো সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কল্পনারও অতীত।
এমন কি একজন নির্বাচন কমিশনার সতর্ক করে বলেছেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। এ পরিস্থিতি সম্পর্কে কি অবহিত মহাসচিব (অ্যান্তনিও গুতেরাঁ)? আগামী ৩০ শে ডিসেম্বর বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছে। তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে তিনি কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন?
এ প্রশ্নের উত্তরে স্টিফেন ডুজাররিক বলেন, আমরা ঘনিষ্ঠ নজর রাখছি পরিস্থিতিতে।
নির্বাচনে সহিংসতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল-দৈনিক নয়াদিগন্ত
দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সরকারি সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি।
আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া বারোটায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মিছিলে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আবেদ রাজাসহ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মিছিল শেষে রুহুল কবির রিজভী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে একতরফা করার জন্য দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, এখন সরকার ধানের শীষের জোয়ার টের পেয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও নিজেদের সশস্ত্র ক্যাডারদের লেলিয়ে দিয়ে নির্বাচনী মাঠ ভোটারশূন্য করে যাচ্ছে। তবে বিগত দশ বছরের অপকর্ম আর অপকীর্তি জনগণ আর মেনে নিবে না। এই নির্বাচনেই জনগণের ভোটে বর্তমান অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর পতন হবে। তিনি সরকারের যেকোনো উস্কানিতে সতর্ক থাকার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
বিএনপি সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছে: হানিফ-এনটিভি বিডি
বিএনপি নেতারা এখন সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর আসনের প্রার্থী মাহবুবউল আলম হানিফ। এ ছাড়া নির্বাচনের দিন জাল ব্যালট ছাপিয়ে বিএনপি পরিবেশ নষ্ট করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আজ শুক্রবার দুপুরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে নিজের নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগকালে হানিফ এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘তারা এবার কৌশল পাল্টেছে। তারা এখন বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাকে হুমকি দিচ্ছে। টেলিফোনে হুমকি দিচ্ছে। চিঠি দিয়েও হুমকি দিচ্ছে। প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে, নির্বাচন প্রক্রিয়াতে একটি ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চান তাঁরা। তবে যেকোনো রকমের সন্ত্রাস দমনে সরকার বদ্ধপরিকর। এই ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না।’
এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি
গতকালের রায় খারিজ, রথযাত্রা মামলা সিঙ্গল বেঞ্চেই পাঠাল ডিভিশন বেঞ্চ-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পুনর্বিবেচনার জন্য ফের সিঙ্গল বেঞ্চেই ফেরত পাঠাল প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্তর বেঞ্চ। আগামিকাল থেকেই বিজেপির রথযাত্রা শুরুর কথা ছিল। এই রায়ের ফলে রথযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। বৃহস্পতিবারই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী শর্তসাপেক্ষে রথযাত্রার অনুমতি দেন। কিন্তু সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। শুক্রবার মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্তর বেঞ্চে। রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন জেলা থেকে যে গোয়েন্দা রিপোর্ট এসেছিল, সেগুলি খতিয়ে দেখে তারপর রায় দেওয়া উচিত ছিল সিঙ্গল বেঞ্চের। ওই রিপোর্ট খুলেই দেখা হয়নি বলে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এই যুক্তিতেই ফের সিঙ্গল বেঞ্চে মামলা পাঠাল ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ আগের রায় নতুন করে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হল। এদিকে ডিভিশন বেঞ্চের এই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে বিজেপি। সেক্ষেত্রে শুনানি হতে পারে শীর্ষ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চে।
সব কম্পিউটারে কেন্দ্রের নজরদারি, নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক -দৈনিক বর্তমান
নিরাপত্তার খাতিরে দেশের প্রতিটি কম্পিউটার, ফোন কলের উপর নজরদারি চালানোর ছাড়পত্র দেওয়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের ১০টি তদন্তকারী সংস্থাকে। গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে এবিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জন সাধারণের ব্যক্তিগত বিষয়ে নজরদারি চালানোর ছাড়পত্র পেয়েছে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস, ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স, সিবিআই, এনআইএ, র, ডিরেক্টরেট অব সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স, দিল্লির পুলিস কমিশনারের দপ্তর।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, প্রতিরক্ষা ও দেশের সার্বভোমত্বের জন্য এই ১০টি সংস্থা দেশের যে কোনও কম্পিউটার, মোবইল ও সিগন্যাল ট্রান্সমিটকারী এমন যে কোনও ডিভাইসের উপর নজরদারি চালাতে পারবে। প্রাপ্ত তথ্যের কাটাছেঁড়া করার অধিকারও দেওয়া হয়েছে তাদের। এরজন্য পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে প্রয়োজন মতো সাহায্য করতে হবে। অন্যথায় আর্থিক জরিমানা ও সাত বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
এদিকে নিরাপত্তার অজুহাতে ব্যক্তিগত তথ্যে কেন্দ্রীয় নজরদারি মৌলিক অধিকার খর্বের সামিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এই পদক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ট্যুইট, 'আমি জানতে পেরেছি যে গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ১০টি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ছাড়পত্র দিয়েছে যাতে তারা যে কোনও কম্পিউটারে প্রেরিত, প্রাপ্ত বা সংরক্ষিত তথ্য পাঠোদ্ধার, আটক ও নজরদারি করতে পারে। এটা যদি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য করা হয়ে থাকে, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যথেষ্ট ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই রয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে এর জন্য কেন ফল ভোগ করতে হবে? আপনাদের কি মত?'
মানুষের চেয়ে গরুর মৃত্যুই বড় ইস্যু, বুলন্দশহর কাণ্ডে বিতর্কিত মন্তব্য বিজেপি নেতার-সংবাদ প্রতিদিন
বুলন্দশহরের ঘটনা নিয়ে ফের এক বিতর্কিত মন্তব্য। এবার মন্তব্য করলেন বিজেপির এক বিধায়ক। তিনি বলেছেন, সবাই দু’জন ব্যক্তির মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত। এদিকে যে ২১টি গরু মারা গেল, তার দিকে কারওর নজর নেই।
কয়েক সপ্তাহ ধরে বুলন্দশহরের ঘটনা নিয়ে উত্তরপ্রদেশের পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত। এই ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পদত্যাগেরও দাবি জানিয়েছেন ৮৩ জন প্রাক্তন আমলা। দেশের বুদ্ধিজীবীরাও এই ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন। অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহও জানিয়েছেন, রাজনৈতিকদের কাছে গরুদের মৃত্যুই বড় হল। পুলিশ অফিসারের মৃত্যু তাদের কাছে কোনও বিষয় নয়! এরপর কোথায় নিজের স্বমূর্তি বাঁচানোর চেষ্টা করবে রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিরা, তা নয়। উলটে নিজের জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে রইল রাজ্যের প্রধান শাসকদল। অনুপশহরের বিধায়ক সঞ্জয় শর্মা বলেছেন, “আপনারা শুধু সুমিত আর পুলিশ অফিসারের মৃত্যুই দেখছেন। ২১টি গরুর মৃত্যু দেখছেন না। অনুগ্রহ করে বুঝুন, যারা গরু মেরেছে, তারাই আসল দোষী। ওরা আমাদের গোমাতাকে মেরেছে।”#;
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৭