মে ১১, ২০১৯ ১০:৫১ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১১ মে শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম

  • নারী নির্যাতনকারীরা ক্ষমতাসীন দলের বলেই পার পেয়ে যাচ্ছে: রিজভী-দৈনিক যুগান্তর
  • উন্নয়নের পথে ধর্ষণ বোনাস!-দৈনিক প্রথম আলো
  • প্রধানমন্ত্রী লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন-দৈনিক ইত্তেফাক
  •  জি নিউজের রিপোর্ট-বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি হামলার সতর্কতা-দৈনিক মানবজমিন
  • নতুন কৌশল খুঁজছে বিএনপি-দৈনিক নয়া দিগন্ত

ভারতের শিরোনাম:    

  • ‘গুজরাত দাঙ্গার পর মোদীকে বরখাস্ত করতে গিয়েছিলেন বাজপেয়ী, আটকেছিলেন আডবাণী’-দৈনিক আনন্দবাজার
  • ষষ্ঠ দফার আগেই বুথ ফেরত সমীক্ষা কংগ্রসের, আশা দেখছেন রাহুল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • দেউলিয়া ঘোষিত হল অনিল আম্বানির রিলায়েন্স কমিউনিকেশন-দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কযেকটি খবর তুলে ধরছি:

১. বাংলাদেশের পত্রপত্রিকাগুলো খুললেই গত কয়েকদিনে একটি অভিন্ন চিত্র চোখে পড়ছে তা হলো নারীর ওপর যৌন সহিংসতা। বোঝাই যাচ্ছে এ সমস্যা সমাজে কতটা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। এর কারণ কী?

২. মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার জন্য ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে নাম্বার দিয়েছে হোয়াইট হাউজ। আপনার কী মনে হয় ইরান মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসবে?

উন্নয়নের পথে ধর্ষণ বোনাস!-দৈনিক প্রথম আলো

গণ যৌন সহিসংসতার শিকারে মৃত্যু নার্স তানিয়ার

লেখক ও গবেষক নিশাত সুলতানা তাঁর কলামে লিখেছেন, ধর্ষণ, ধর্ষক, ধর্ষণের শিকার কিংবা ধর্ষিতা! শব্দগুলো শুনলে এখন কি আর আগের মতো আঁতকে উঠি আমরা? জানি, উত্তরটি হবে ‘না’। ভয়ংকর এই শব্দগুলো শুনতে শুনতে আর এ ধরনের খবর পড়তে পড়তে আমাদের কানের পর্দা শক্ত হয়ে গেছে। আমাদের চোখের পর্দা পুরু হয়ে গেছে। সংবাদপত্র হাতে নিলে একটি দিনও বাদ যায় না, যেদিন ধর্ষণের খবর প্রকাশিত হয় না। আমরা ধর্ষণের ঘটনায় এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে এই ঘৃণ্য অপরাধের কথা শুনলে এখন আমরা অনেকেই আর বিচলিত হই না। আর বিচলিত হয়ে লাভটাই-বা কী? 

উন্নয়নের মহাসড়কে তীব্র গতিতে ছুটে চলা বাংলাদেশে প্রতিবছর হাজার হাজার নারী আর কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এই তো চলতি মাসেরই প্রথম আট দিনে সারা বাংলাদেশে ৪১টি শিশু ধর্ষণ ও ৩টি শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন প্রকাশিত এই বিশ্লেষণ অনুযায়ী এই ৪১ শিশুর মধ্যে ৪টি ছেলেশিশুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এদের মধ্যে মারা গেছে ৩টি মেয়েশিশু। মৃত্যু কত সুলভ এ দেশে!

আর ধর্ষণ যেন এক মামুলি অপরাধ! ধর্ষণ যেন নষ্ট হয়ে যাওয়া ক্ষুধার্ত পুরুষের একধরনের বিলাসী আহার! এদের থামানোর কেউ নেই। কুকুরেরও ভাদ্র মাস ফুরোয়, কিন্তু ভাদ্র মাস কখনো শেষ হয় না মানুষরূপী ওই জানোয়ারগুলোর। ভয় হয়, কোনো দিন ওদের সর্বগ্রাসী ক্ষুধা গ্রাস করবে সমগ্র বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ কি অচিরেই বিশ্বের বুকে পরিচিত হতে যাচ্ছে ‘ধর্ষণের দেশ’ হিসেবে। কেউ কি ভেবে দেখেছেন? সেই দিন হয়তো খুব বেশি দূরে নেই।

নারী ধর্ষণ

কদিন আগে শাহিনুর আক্তারকে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শাহিনুর আক্তার পেশায় একজন নার্স ছিলেন। অসুস্থ মানুষকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলাই ছিল তাঁর পেশা। তিনি কাজ করতেন ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। শাহিনুরের মুখটা কেন জানি খুব পরিচিত লাগে আমার। শাহিনুর যে হাসপাতালে কাজ করতেন, সেই হাসপাতালে বেশ কিছুদিন আগে চিকিৎসাধীন ছিলেন আমার বাবা। চিকিৎসকদের পেশাদারি আর হাসপাতালটির নার্সদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা আমার বাবাকে দ্রুত সুস্থ করে তুলেছিল। কে জানে শাহিনুরও হয়তো সেই নার্সদের মধ্যে একজন ছিলেন! মৃত্যুপথযাত্রী কত রোগীকে মৃত্যুমুখ থেকে প্রতিনিয়ত ফিরিয়ে নিয়ে আসেন শাহিনুরেরা। প্রতিদানে এই সমাজে ওত পেতে থাকা নরকের কীটরা তাঁদের ধর্ষণ করে। শুধু ধর্ষণ করেই তারা ক্ষান্ত হয় না, তারা শাহিনুরদের মাথা থেঁতলে দেয়, তারপর পৈশাচিক উল্লাসে ধর্ষণের শিকার দেহ ছুড়ে ফেলে ঝোপ-জঙ্গলে কিংবা মহাসড়কের ঢালে। রূপাকেও ওরা তা-ই করেছিল। রূপার ধর্ষণের শিকার, থেঁতলানো দেহটিও পাওয়া গিয়েছিল শালবনের নিকষ কালো অন্ধকারে। শাহিনুর যখন ধর্ষণের শিকার হচ্ছিলেন চলন্ত বাসে, যখন মেয়েটা একটু একটু করে মারা যাচ্ছিলেন, তখন তিনি নিশ্চয়ই নিজেকে প্রশ্ন করেছিলেন, কী তাঁর অপরাধ? সমাজকে সেবা করার বিনিময়ে তিনি কী পেলেন? তাঁর বিপদে কেউ কি এগিয়ে আসবে? কেউ কি বাঁচাবে তাঁকে?

শিশু ধর্ষণ

শাহিনুরের এই প্রশ্নগুলো চলন্ত বাসের চার দেয়ালে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে এসেছে। কেউ এগিয়ে আসেনি শাহিনুরকে বাঁচাতে। শাহিনুরকে গণধর্ষণ করা হয়েছে।কোথায় গেলে একটু নিরাপত্তা পাবেন নারীরা? নিজের ঘরে, রাস্তাঘাটে, স্কুল-কলেজে, মাদ্রাসায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে, গণপরিবহনে, রাইড শেয়ারে, কর্মস্থলে, হাসপাতালে, একুশের প্রভাতফেরিতে, নাকি মঙ্গল শোভাযাত্রায়? কোথাও একটু শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই এতটুকু। আজকাল লিফটেও একা চড়তে ভয় হয়। ভয় হয় ফ্যাশান হাউসের ট্রায়াল রুমে ঢুকতে কিংবা অচেনা প্রক্ষালন কক্ষে। গণপরিবহনে তো বটেই; ব্যক্তিগত গাড়িতেও একা ড্রাইভারের সঙ্গে চলতে ভয় হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে জনসমক্ষেই যে দেশে নারীরা নিগৃহীত হন, সে দেশে কোনো মেয়ে রাতের আঁধারে একা চললে ধর্ষণের শিকার হবেন, এটাই যেন স্বাভাবিক। সর্বদাই ধর্ষণের শিকার আর অপমানিত হওয়ার ভয় কুরে কুরে খায় নারীদের।প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০ জন নারী কিংবা কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হচ্ছে এই দেশে। ছেলেশিশুরাও বলাৎকারের শিকার হচ্ছে। ধর্ষণের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ধর্ষকদের নিজেদের ঘর সুরক্ষিত থাকবে তো! হয়তো তাতে কিছুই আসে–যায় না এই কাপুরুষদের। কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্রের কর্মকর্তারা, আপনারা সাবধান! আর কতকাল হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন! এবার গা ঝাড়া দিয়ে জেগে উঠুন। হারকিউলিস বা এ ধরনের নাম দিয়ে রাতের আঁধারে এই ধর্ষকদের মারার অভিযানে নামবেন না; বরং সবার সামনে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নরপশুগুলোর বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন। নিজেদের মোটেই নিরাপদ বলে মনে করবেন না। এই নেকড়েদের ক্ষুধার্ত দৃষ্টি থেকে রেহাই পাবে না আপনার ঘরের নারী কিংবা কন্যাশিশুটিও। প্রতিমুহূর্তে নারীর প্রতি সহিংসতা, নির্যাতন আর ধর্ষণের দায় নিয়ে কখনো কি ওঠা যায় উন্নয়নের মহাসড়কে?

নারী নির্যাতনকারীরা ক্ষমতাসীন দলের বলেই পার পেয়ে যাচ্ছে: রিজভী-দৈনিক যুগান্তর

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ অন্যান্য নেতারা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সারা দেশে পাইকারি হারে নারী নির্যাতন চলছে। যারা এ কাজগুলো করছে, তারা অধিকাংশ ক্ষমতাসীন দলের লোক। আর ক্ষমতাসীন দলের লোক বলেই তারা পার পেয়ে যাচ্ছে।তিনি বলেন, তারা (নির্যাতনকারীরা) সরকারের আনুকূল্য পাচ্ছে। আর আনুকূল্য পাচ্ছে বলেই এ সামাজিক অপরাধ সরকার ঠেকাতে পারছে না। শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধনে এ অভিযোগ করেন রিজভী। কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে চলন্ত বাসে নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়াকে গণধর্ষণ ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির এ নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার নারী। অথচ কী দুর্ভাগ্যের বিষয়- পাইকারি হারে নারী নির্যাতন চলছে। যখন থেকে তারা ক্ষমতায় এসেছেন তখন থেকে তারা এটা করছে। আর নারী নির্যাতন নির্মূল করার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু নির্মূল করা তো দূরে থাক, আমরা অনেক সময় উসকানি দিতে দেখেছি।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি

‘গুজরাত দাঙ্গার পর মোদীকে বরখাস্ত করতে গিয়েছিলেন বাজপেয়ী, আটকেছিলেন আডবাণী’-দৈনিক আনন্দবাজার

অটল বিহারি বাজপেয়ী-নরেন্দ্র মোদি ও আডবানি

২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার পর সে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। শনিবার এমন মন্তব্য করলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যশবন্ত সিন্‌হা। যদিও আডবাণী বেঁকে বসায় শেষ মুহূর্তে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন বাজপেয়ী, জানিয়েছেন যশবন্ত।ষষ্ঠ ও সপ্তম দফার ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ফের জড়িয়ে গেল গুজরাত দাঙ্গার কথা।মধ্যপ্রদেশের ভোপালে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বোমাটি ফাটান এক সময় দেশের অর্থ মন্ত্রক ও বিদেশ মন্ত্রক সামলানো যশবন্ত। তাঁর কথায়, ‘‘গুজরাতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে মোদীকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাজপেয়ী। মোদী নিজে থেকে না সরলে গুজরাত সরকারকে বরখাস্ত করা হবে, এমনটাই ছিল তাঁর পরিকল্পনা।’’নির্বাচনের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদীকে ফের পুরনো গুজরাত দাঙ্গার সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি আইএনএস বিরাট ও রাজীব গাঁধী ইস্যুতেও দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এক হাত নিয়েছেন যশবন্ত।

ষষ্ঠ দফার আগেই বুথ ফেরত সমীক্ষা কংগ্রসের, আশা দেখছেন রাহুল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী

জনসভা থেকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সব জায়গায় দাবি করছেন, নরেন্দ্র মোদি এবারের নির্বাচনে হারবেন। মোদি আর প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। কিন্তু কীসের ভিত্তিতে এত আত্মবিশ্বাসের সুরে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে কংগ্রেস? রাহুল গান্ধীর দাবি, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষার ভিত্তিতেই তিনি নিশ্চিত, মোদি আর ফিরছেন না। কিন্তু, কী বলছে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা? সমীক্ষার বরাত দিয়ে নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক কংগ্রেস নেতা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কংগ্রেসের সর্বোচ্চ আসন সংখ্যা দেড়শোও ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর যদি, দল খুবই খারাপ ফলাফল করে তবুও শতাধিক আসন আসছে কংগ্রেসের ঝুলিতে।এর আগে নাগপুর টাইমস নামের একটি সংবাদমাধ্যম আরএসএসের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষার যে রিপোর্ট পেশ করেছিল, তাতেও কংগ্রেসকে ১৪০-এর আশেপাশেই দেখানো হয়েছিল।

দেউলিয়া ঘোষিত হল অনিল আম্বানির রিলায়েন্স কমিউনিকেশন-দৈনিক আজকাল

রিলায়েন্স প্রধান অনিল আম্বানি

আশঙ্কা ছিলই। এবার সেটাই সত্যি হল। সরকারিভাবে অনিল আম্বানির রিলায়েন্স কমিউনিকেশনকে দেউলিয়া ঘোষণা করল  ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইবুনাল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঋণ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে এই ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয় অনিল আম্বানির সংস্থা। পরে দেউলিয়া সংক্রান্ত মামলা চলাকালীন নষ্ট হওয়া ৩৫৭ দিন বাদ দেওয়ার জন্য আবেদনও জানায়। কিন্তু, বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে আর কম–কে দেউলিয়া ঘোষণা করল কোম্পানি ল ট্রাইবুনাল। ফলে কার্যত মাথায় হাত অনিল আম্বানির। আর এই ঘোষণার পরই ৫০ হাজার কোটি টাকার ঋণগ্রস্থ থাকা কোম্পানিকে পরিচালনার জন্য সংস্থার পরিচালন কমিটিকে উপেক্ষা করে নতুন করে পেশাদারদের নিয়োগ করা হয়েছে।

শ্রোতাবন্ধুরা! কথাবার্তার আজকের আসর এখানেই গুটিয়ে নিচ্ছি। আবারও কথা হবে আগামী আসরে। ততক্ষণ সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন।

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১১