জিয়ার আদর্শ ও সততা প্রেরণার উৎস: মির্জা ফখরুল
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৯ মে বুধবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- জিয়ার আদর্শ ও সততা প্রেরণার উৎস: মির্জা ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
- কর্মসংস্থান-প্রবৃদ্ধি দারুণ কিন্তু চাকরিতে খরা-দৈনিক প্রথম আলো
- নুসরাত হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল-দৈনিক ইত্তেফাক
- যা চাচ্ছি তা লিখতে পারছি না: মাহফুজ আনাম-দৈনিক মানবজমিন
- দেশে আইনের শাসন না থাকায় এতো ভোগান্তি : ড. মিজানুর রহমান-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- মোদীর শপথে যাচ্ছেন না মমতা-দৈনিক আনন্দবাজার-দৈনিক আনন্দবাজার
- হিংসা নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ, মোদির শপথে যাচ্ছেন না মমতা-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- কারা থাকছেন মন্ত্রিসভায়? ম্যারাথন বৈঠকে মোদি–শাহ -দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. খালেদা জিয়া আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে। - একথা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল একে মাহবুবুল হক । কিন্ত বিএনপি নেতারা ভিন্ন দাবি করে আসছেন। কী বলবেন আপনি?
২. ইরান বলেছে- অনাগ্রাসন চুক্তি আঞ্চলিক আস্থা জোরদার করবে। আপনি কী বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করবেন?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কযেকটি খবর:
নুসরাত হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল-দৈনিক ইত্তেফাক
বহুল আলোচিত ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও আওয়ামী লীগের দুই স্থানীয় নেতাসহ মোট ১৬ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এদের বিরুদ্ধে বুধবার দুপুরে ফেনীর আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এতে প্রত্যেক আসামির মৃত্যুদণ্ড চাওয়া হয়েছে। অধ্যক্ষ সিরাজকে আসামি করা হয়েছে নুসরাতকে হত্যার ‘হুকুমদাতা’ হিসেবে।
পিবিআইর বিশেষ পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন জানান, ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। চার্জশিটে সাক্ষী করা হয়েছে ৯২ জনকে। তাদের মধ্যে সাতজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আর আসামিদের মধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ১২ জন।
কর্মসংস্থান- বিষয়ে দৈনিক প্রথম আলোর আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম একটি নিবন্ধের শিরোনাম করেছেন
'প্রবৃদ্ধি দারুণ কিন্তু চাকরিতে খরা'
দৈনিক প্রথম আলোতে আজ পরিবেশিত হয়েছে এ নিবন্ধটি। এতে লেখা হয়েছে, আমাদের দেশে একটা বড় সমস্যা হলো চাকরির অভাব। ডিগ্রি-টিগ্রি ভালো হলেও চাকরি পাওয়া যায় না। আমার জানা দুজন সদ্য পাস ছাত্রী বছরখানেক ধরে চেষ্টা করেও চাকরি পাননি। অথচ নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ-এমবিএ করেছেন। চাকরি নেই। অথবা চাকরিদাতারা যে ধরনের দক্ষতা চান, সেটা মিলছে না। শত চেষ্টা করেও ওঁদের জন্য কিছু করতে না পেরে আমিও সত্যিই অবাক হয়েছি।
তাহলে দেশে যে প্রবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে, সেটা কীভাবে? এমন দারুণ প্রবৃদ্ধির হার নিয়ে যদি চাকরির সংস্থান না করা যায়, তাহলে প্রবৃদ্ধি দিয়ে কী হবে? এই প্রশ্নের একটি সমাধান আমাদের বের করতেই হবে। না হলে প্রবৃদ্ধির এত উঁচু হার ধরে রাখা কঠিন হবে।
প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ চাকরির বাজারে ঢুকছেন। হয়তো দু-চার লাখ চাকরি পাচ্ছেন। বাকিরা বেকার! এটা ঠিক যে সবার জন্য চাকরির ব্যবস্থা করা যাবে না, আত্মনিয়োজিত চাকরির ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে। তাহলে তাঁদের স্টার্টআপ ব্যবসায় আরও অনেকের চাকরির ব্যবস্থা হবে।
এখানে একটা প্রশ্ন ওঠে। দেশের তরুণেরা এত বেকার, তাহলে প্রবৃদ্ধি বাড়ে কীভাবে? এর একটা কারণ হয়তো এই যে আমাদের দেশে অনানুষ্ঠানিক বা নন-ফরমাল চাকরি বেশি। বলা যায়, ৮০ শতাংশই নন-ফরমাল কাজে রয়েছেন। তাঁদের চাকরিরত হিসাবে আনা যায় না। হয়তো ছুটা চাকরি করে কিছু আয় করছেন অনেকে। কিন্তু চাকরি করছেন—এই হিসাবে তাঁদের আনা যায় না। আসলে বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির ফলে এ ধরনের সুযোগ বাড়ছে। গিগ-ইকোনমি নামে আধুনিক যে ব্যবস্থা বিশ্বের উন্নত-উন্নয়নশীল দেশে শুরু হয়ে গেছে, সেটা ধরলে হয়তো আমাদের দেশেও বেকারের সংখ্যার চিত্রটা একটু ভালো হবে।
যেমন, এখন এই ঢাকাতেই কয়েক লাখ তরুণ পড়াশোনা বা খণ্ডকালীন চাকরির পাশাপাশি রাইড শেয়ারিংয়ে গাড়ি চালিয়ে রোজগার করছেন। কেউ টিউশনি করছেন। কোনোরকমে চলে যাচ্ছে তাঁদের দৈনন্দিন খরচ। কিন্তু এটা যথেষ্ট নয়।
তাহলে? সমাধানের একটা উপায় হলো তরুণদের বিভিন্ন পেশায় উন্নত মানের দক্ষতা বাড়ানো। দেশে চাকরি থাকলেও দক্ষ কর্মীর অভাবে অনেক উদ্যোক্তা কর্মী পান না। তাঁদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ এখন সবচেয়ে বেশি দরকার।
'ধানের দামের সমাধান সরকারের হাতে' এ শিরেনামের নিবন্ধ লিখেছেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম। প্রথম আলোতে প্রকাশিত এ নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, দেশে এখন ধান কাটার মৌসুম চলছে। কৃষকের দিনে দিনে যত দেনা হয়েছিল তা এখন শোধ করার সময়। কিন্তু বিধিবাম। দ্রুত ধনী হওয়ার আলাদিনের চেরাগ যে দেশে থাকে, আর তার সুফলভোগীরা যখন রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করে, তখন দেশে কৃষকদের ভালো থাকার কথা নয়। ভালো যে নেই তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন টাঙ্গাইলের এক কৃষক। তিনি তাঁর পাকা ধানে আগুন লাগিয়ে সংবাদের শিরোম হয়েছেন।এতে আবেগ আছে, যুক্তিও আছে, কিন্তু কৃষকের প্রতি, তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্যের প্রতি আমাদের এই আবেগ কতক্ষণ থাকবে? সেই আবেগ আদৌ কোনো ফল বয়ে আনবে কি?
পাকা ধানে আগুন দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা সবাই একইভাবে পাঠ করেছেন, তা বলা যাবে না। বিষয়টি দেশের খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ভিন্নভাবেই নিয়েছেন। তাঁর মতে, ধানের দাম কম...। কিন্তু তাই বলে কৃষক তাঁর উৎপাদিত ধানে আগুন দেবেন, এটা হতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। (প্রথম আলো, ১৫ মে ২০১৯)। পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংবাদে একজন মন্তব্য করেছেন, তদন্ত করে সেই কৃষককে নাশকতা অথবা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ফাঁসিয়ে দেন। অতি উৎসাহী পুলিশের দেশে তা মোটেও অসম্ভব নয়। যেমন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম বলেন, এটা শুধুই প্রতিবাদ, নাকি এর পেছনে অন্য কারও কোনো উদ্দেশ্য আছে, সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। (প্রথম আলো, ১৩ মে ২০১৯)।সন্দেহ নেই, বাংলাদেশে এখন কৃষক সম্প্রদায়ই সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণি। কৃষকের বঞ্চনা অথবা সুবিধাপ্রাপ্তি—এটা যতটা বাজারের ব্যাপার তার চেয়েও বেশি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। সারা পৃথিবীতে বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো এবং সরকার কৃষকদের সুবিধার ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক। যে কারণে দেখা যায় যে পৃথিবীর প্রায় সব উন্নত দেশেই কৃষকদের বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দেওয়া হয়।রাজনৈতিক দলগুলোকে এ ব্যাপারে সব সময় কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হয়। অন্যথায় ভোটের রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।তাহলে করণীয় কী? দুই ধরনের পরিকল্পনায় যুগপৎভাবে চলতে হবে। প্রথমত, কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি উচ্চ মূল্যে ধান সংগ্রহ করা এবং তা খোলা বাজারে ট্রাক সেলের মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে বিক্রি করে বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা। এতে দরিদ্র ক্রেতাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, কৃষকেরাও পাবেন বাড়তি মূল্য। দ্বিতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আলোকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে সরকার যদি এখন থেকে কৃষি উপকরণসমূহের ওপর ভর্তুকি চালু করে তাহলেই কেবল দেশের কৃষক বাঁচবে, কৃষি বাঁচবে। এই ভর্তুকি এমনভাবে হতে হবে যেন কৃষকের মোট আয়ের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ ভর্তুকি থেকে আসে। মনে রাখা প্রয়োজন কৃষি উপকরণে ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমেই কেবল সরাসরি কৃষক লাভবান হতে পারেন। অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ইতিপূর্বে এ দেশের দরিদ্র কৃষকেরা কখনো লাভবান হননি।
যা চাচ্ছি তা লিখতে পারছি না: মাহফুজ আনাম-দৈনিক মানবজমিন
‘আমি কমেন্ট্রি বলে একটা কলাম লিখতাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিয়ে লিখতাম, এখন সেটা লিখি না’, ডয়চে ভেলেকে বলেছেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংখ্যা তো প্রচুর, কিন্তু স্বাধীনতার দিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। সংখ্যায় বেশি হলেও কোয়ালিটি আরো উন্নত করার প্রয়োজন আছে। তো মোদ্দা কথা, সংখ্যায় বেশি, কিন্তু কোয়ালিটিতে অনেক কম। আর সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিয়ে আমার মনে অনেক প্রশ্ন ও দ্বিধা রয়েছে।’
এই অবস্থা আপনার নিজের পত্রিকার ক্ষেত্রেও সঠিক কিনা জানতে চাইলে মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমি কমেন্ট্রি বলে একটা কলাম লিখতাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিয়ে লিখতাম, এখন সেটা লিখি না। কয়েকদিন আগে হাইকোর্টের একটি আদেশ নিয়ে আমি একটা লেখা লিখেছি, কিন্তু কতরকম প্রশংসা যে আমাকে তার মধ্যে করতে হলো!’
ডেইলি স্টার সম্পাদক বলেন, ‘আমি অসহিষ্ণুতা দেখি সব ক্ষেত্রে। অসহিষ্ণুতার রাজনীতির ক্ষেত্রে, জুডিশিয়ারির ক্ষেত্রে, পুলিশ... বলা চলে সবক্ষেত্রে। সবাই যেন সাংবাদিকদের চাপে রাখার চেষ্টাই করছে।’
তিনি বলেন, ‘লিখছি না এমন অনেক ইস্যু রয়েছে। অনেক ইস্যুতে লেখা উচিত, যেমন ধরেন, গত নির্বাচন, এছাড়াও আরো ছোট নির্বাচনগুলো নিয়ে লেখা উচিত, যা লিখছি না, বলা উচিত ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও লিখতে পারছি না।’
দেশে আইনের শাসন না থাকায় এতো ভোগান্তি : ড. মিজানুর রহমান-দৈনিক নয়া দিগন্ত
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন,দেশে আইনের শাসন অনুপস্থিত বলেই পদে পদে ভোগান্তি হচ্ছে।
বুধবার যাত্রী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ‘ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ: আমাদের দায়িত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চেšধুরী। তিনি আরো বলেন,যেভাবে প্রতিদিন বন্দুক যুদ্ধ চলছে সেখানে আদালতের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, জবাবদিহিতার জায়গায় আমরা একটা দুর্বল অবস্থানে আছি। এখানে জবাবদিহিতা একদম নেই। কারণ আইনের শাসন একদম প্রতিষ্টা করতে পারিনি। তিনি বলেন, নূন্যতম আইনের শাসন না নিশ্চিত করা গেলে নাগরিকদের নিরাপত্তা থাকে না।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, বিআরটিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান,গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্ময়কারী জোনায়েদ সাকি, ঢাকা যানবাহন সমন্ময় কর্তৃপক্ষের সিনিয়র আর্বান প্লানার তপন কুমার নাথ।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
‘শহিদ’ পরিবারদের আমন্ত্রণের প্রতিবাদে সিদ্ধান্ত বদল, মোদীর শপথে যাচ্ছেন না মমতা-দৈনিক আনন্দবাজার
সিদ্ধান্ত বাতিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দুপুর ২টো ১৮ মিনিটে টুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানিয়েছেন এ কথা।
প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের মতো একটি অনুষ্ঠানকে একটি দল রাজনৈতিক লাভ তোলার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে বলে অভিযোগ করে টুইটে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
বাংলায় ‘খুন হওয়া’ ৫৪ জন বিজেপি কর্মীর পরিবারকে মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে হাজির করানোর যে পরিকল্পনা বিজেপি করেছে, তার জেরেই যে দিল্লি যাওয়ার সিদ্ধান্ত মমতা বাতিল করলেন, টুইটে তা-ও বুঝিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল চেয়ারপার্সন। আর সংবাদ প্রতিদিনে শিরোনাম করা হয়েছে- এভাবে- হিংসা নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ, মোদির শপথে যাচ্ছেন না মমতা বন্দোপাধ্যায়।
কারা থাকছেন মন্ত্রিসভায়? ম্যারাথন বৈঠকে মোদি–শাহ-দৈনিক আজকাল
লোকসভা নির্বাচনে অভূতপূর্ব সাফল্য পাওয়ার পর নিজের মন্ত্রিসভা গঠনের ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গেই শপথ নেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই মন্ত্রিসভায় কারা কারা জায়গা পাবেন তা ঠিক করতেই মঙ্গলবার বিজেপি সভাপতি অমিত শাহর সঙ্গে ৫ ঘণ্টা বৈঠক করলেন মোদি। এবারে বিজেপির জয়ের পর থেকেই শোনা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে চলেছেন অমিত। কিন্তু দলের একাংশ মনে করছেন এমনটা হবে না। এটা শুধুই ‘গুজব’। আগামী দিনে বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আছে। তালিকায় আছে মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ড এবং হরিয়ানার মতো রাজ্য। পাশাপাশি আগামী বছর দিল্লি এবং বিহারেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গে ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে অমিতকেই সেনাপতি হিসেবে দেখতে চাইছেন দলের একটা বড় অংশ। শেষমেশ অমিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হন কিনা সেটা জানা যাবে বৃহস্পতিবার।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৯