রিফাতের খুনিদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৭ জুন বৃহষ্পতিবার কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- রোগীর ভাঙা হাত রেখে ভালো হাতে প্লাস্টার করলেন চিকিৎসক!-দৈনিক যুগান্তর
- ‘আমি শত চেষ্টা করেও তাঁকে রক্ষা করতে পারিনি’আয়েশা সিদ্দিকা-দৈনিক প্রথম আলো
- রিফাতের খুনিদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর-দৈনিক ইত্তেফাক
- বরগুনায় যুবক হত্যা : জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর-দৈনিক নয়া দিগন্ত
- রিফাতের দুই হত্যাকারীর যত অপকর্ম-দৈনিক মানবজমিন
ভারতের শিরোনাম:
- ওদের হাত ধরার কথা বলেননি মমতা: তৃণমূল, বাম কংগ্রেস বলল বলেছিলেন, তবে ‘নো চান্স-দৈনিক আনন্দবাজার
- স্ত্রীর জন্য ‘গর্বিত’, সোশ্যাল মিডিয়ায় হৃদয়স্পর্শী বার্তা নুসরত-পতি নিখিল জৈনের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- বেকারদের জন্য সুখবর, এই পদে ৮৪ হাজার লোক নিয়োগ করতে চলেছে কেন্দ্র -দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
জনাব সিরাজুল ইসলাম আপনাকে আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:
আমার সামনেই সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে-দৈনিক প্রথম আলো
আমি শত চেষ্টা করেও তাঁকে রক্ষা করতে পারিনি। হামলার সময় কোনো লোক এগিয়ে আসেনি।’-কান্না জড়িত কণ্ঠে এ কথা বলেন নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরগুনা পুলিশ লাইনের কাছে বাবার বাড়িতে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন। আয়েশার দাবি করেন, নয়ন, রিশান ফরাজী ও রিফাত ফরাজী এই হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, নয়ন বিভিন্ন সময় আমাকে বিরক্ত করত, এসব ঘটনা পরিবারকে না জানাতে আমাকে হুমকি দিত।
গতকাল বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডার গার্টেনের সামনে দিনদুপুরে স্ত্রীর আয়েশা সিদ্দিকার সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। রাতে রিফাতের বাবা ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় আজ সকাল ৯ টার দিকে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তির নাম চন্দন। তিনি এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। নিহত রিফাতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা মা মোসা. ডেইজি আক্তার। থেকে থেকে আহাজারি করছেন তিনি।
প্রথম আলোর শিরোনাম-এই রামদা কে দিয়েছে? লেখক ও সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফ তার এ শিরোনামের নিবন্ধে লিখেছেন,
জঙ্গি নামক খুনিদের হামলার সময়ও মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিল বিভিন্ন জায়গায়। ভয় না–পাওয়া কিছু মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ, যাঁদের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের লোকও আছেন, তাঁদের হাতেও ধরা পড়েছিল কয়েকজন। বনানীর সুউচ্চ ভবনের সেই আগুনে মানবতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন অগ্নিসেনা সোহেল। ভয় তাঁকে অবশ দর্শক করেনি। রানা প্লাজার নরকের গর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বাঁচাতে ভয় পায়নি অজস্র তরুণ। কিন্তু যখন প্রকাশ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা হয়, যখন বদরুল চাপাতি তোলে খাদিজার গায়, যখন হাতুড়ি পিটিয়ে কোমর ভাঙা হয়, আর যখন বরগুনার রিফাত শরীফকে কোপানো হয়, তখন মানুষ জড় পদার্থের মতো দাঁড়িয়ে থাকে। প্রকাশ্যে সশস্ত্র সন্ত্রাস দেখামাত্রই মানুষ বুঝে যায় তাদের পরিচয়। কারা এখন বাংলাদেশে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে ঘুরতে পারে? কোপাতে পারে যাকে-তাকে? কারা তারা, কারা তারা? চাপাতি–হাতুড়ি–বন্দুক কয়েকজনকে হয়তো খুন করে, কিন্তু হত্যা করে অধিকাংশের মানবতাকে, সাহসিকতাকে।
বরগুনায় যুবক হত্যা : জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর-দৈনিক নয়া দিগন্ত
বরগুনায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে যুবক হত্যার ঘটনায় জড়িতদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যেকোনো মূল্যে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
দৈনিক ইত্তেফাক ইত্তেফাকের খবরে লেখা হয়েছে,
বরগুনায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।
দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, হাইকোর্ট বলেছে-বরগুনায় দিনেদুপুরে লোকজনের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাটিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেন, ‘প্রকাশ্য রাস্তায় মানুষটাকে মারল। একজন ছাড়া কেউ এগিয়ে আসল না। বাংলাদেশের পরিস্থিতি তো এমন ছিল না।’ বৃহস্পতিবার এ ঘটনাটি আদালতের দৃষ্টিতে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। এরপর বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই কথা বলেন।আদালত বলেন, ‘দেশের পরিস্থিতি কোথায় গেছে! অনেকে দাঁড়িয়ে দেখল। ভিডিও করল, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসল না। কেউ প্রতিবাদ করল না। সমাজ কোথায় যাচ্ছে? আমারা সবাই মর্মাহত। পাঁচজন মানুষ অন্তত এগিয়ে আসলে হয়তো তারা সাহস পেত না। হয়তো তারা (দুর্বৃত্তরা) ক্ষমতাবান, হয়তো মানুষ ভয়ে এগিয়ে আসেনি।’
রিফাতের দুই হত্যাকারীর যত অপকর্ম-দৈনিক মানবজমিন
বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরফিকে কুপিয়ে হত্যাকারী কারা- এ প্রশ্ন এখন মানুষের মুখে মুখে। হঠাৎ করেই কি দুর্ধর্ষ হয়ে ওঠেছে, নাকি পূর্বেও অপরাধ জগতের সঙ্গে সখ্যতা ছিলো তাদের। অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে তাদের অপকর্মের নানা খতিয়ান। ছিনতাই, মাদক, হামলাসহ নানা অপকর্মের হোতা এই দুই খুনী।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
ওদের হাত ধরার কথা বলেননি মমতা: তৃণমূল, বাম কংগ্রেস বলল বলেছিলেন, তবে ‘নো চান্স’-দৈনিক আনন্দবাজার
সিপিএম-কংগ্রেসকে তিনি পাশে পেতে চান। বিজেপিকে রুখতে ধরতে চান তাদের হাত। বুধবার বিধানসভায় এমন মন্তব্যই করতে শোনা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে। যাঁদের নাম করে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন, সভার মধ্যেই সেই আব্দুল মান্নান বা সুজন চক্রবর্তীকে হাত নেড়ে, মাথা ঝাঁকিয়ে মমতার প্রস্তাব খারিজ করতেও দেখা যায়। সুজনবাবুকে বলতে শোনা যায়, ‘‘নো চান্স।’’ সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশিত হতে তৃণমূলের তরফে বিধানসভায় অভিযোগ তোলা হল, মমতার মন্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। তৃণমূলনেত্রী এমন কথা বলেননি। সংবাদমাধ্যম ভুল খবর করেছে।
বুধবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর আলোচনার জবাবি বক্তৃতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘‘মান্নান ভাই (কংগ্রেসের আব্দুল মান্নান), সুজনবাবু (সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী), আমাদের একসঙ্গে আসা দরকার।’’ আব্দুল মান্নান এবং সুজন চক্রবর্তী যদিও সেই সময় মাথা ঝাঁকিয়ে, হাত নেড়ে মমতার প্রস্তাব কার্যত খারিজ করে দেন। হইচইয়ের মধ্যে সুজনকে বলতে শোনা যায়, ‘‘নো চান্স।’’ দিল্লিতে পরে কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরী এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও এই সুরেই প্রতিক্রিয়া জানান। তবে এ দিন কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আগে দলের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠান, তার পর দেখা যাবে।’’
১৫ বছর আগে তবরেজের বাবাও মারা গিয়েছিলেন গণপিটুনিতে!-দৈনিক আজকাল
ঝাড়খণ্ডে গণপিটুনিতে মুসলিম যুবক তবরেজ আনসারির মৃত্যু নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। এর মধ্যেই সামনে এল আরও একটি খবর। জানা গিয়েছে, ১৫ বছর আগে এভাবেই গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছিল তবরেজের বাবা মাসকুর আলম। ‘চোর’ সন্দেহে তাঁকে পিটিয়ে মেরেছিল উন্মত্ত জনতা। সম্প্রতি সর্বভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সেই খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, জামশেদপুরের বাগবেরা অঞ্চলে নাকি চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে গিয়েছিলেন মাসকুর। তারপরই উত্তেজিত জনতা তাঁকে পিটিয়ে মারে। সেটাও আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগের ঘটনা। তবরেজের বাড়ির কাছাকাছি থাকা এক বৃদ্ধা সেই দিনের ঘটনার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তবরেজের বাবাকেও এভাবে গণপিটুনিতে মেরে ফেলা হয়েছিল। উন্মত্ত জনতা তার গলা কেটে দিয়েছিল। ওর মৃতদেহ যখন এখানে নিয়ে আসা হয়, তখন আমরা এখানেই ছিলাম।’ সমাজকর্মী সুবোধ কুমার ঝা জানান, ‘ওই চোর সন্দেহে বাগবেরার রামনগর এলাকার লোকজন এক ব্যক্তিকে পাকড়াও করে, তারপর তাঁকে পিটিয়ে মারে।’ তবরেজের মৃত্যুর তদন্তে ইতিমধ্যে ২০০৪ সালের নভেম্বরে ঘটা ওই ঘটনার তথ্যগুলিও খতিয়ে দেখছেন পুলিস আধিকারিকরা।এদিকে, তবরেজের পরিবার অবশ্য ওই গণপিটুনির ঘটনাকে অস্বীকার করেছে। তাঁরা জানিয়েছে, ওই সংবাদমাধ্যমে ভুয়ো খবর বেরিয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে শত্রুতার জন্য তাঁকে খুন হতে হয়েছিল। ঘটনায় কোনও মামলা দায়ের হয়নি। কেউ গ্রেপ্তারও হয়নি
আরও ভোট আছে, অনড় রাহুলকে ‘উপদেশ’ নরেন্দ্র মোদীর-দৈনিক আনন্দবাজার
তুঘলক লেনের বাড়ির সামনে যুব কংগ্রেসের কর্মীরা জোট বেঁধে আবেদন জানাচ্ছেন, ‘ফিরে আসুন’। লোকসভার সব সাংসদ একযোগে সনিয়া গাঁধীর উপস্থিতিতেই আবেদন করছেন, ‘মেনে নিন’। কিন্তু রাহুল গাঁধী ফের জানিয়ে দিলেন, ‘‘ইস্তফার সিদ্ধান্ত পাকা।’’ ভোটের এক মাস অতিক্রান্ত। তবু কংগ্রেসের এমন ছন্নছাড়া অবস্থা দেখে, রাহুলের হতাশা ‘মেটাতে’ আজ এগিয়ে এলে নরেন্দ্র মোদীই। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন বিতর্কে রাজ্যসভায় আজ বক্তৃতা দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কোথাও রাহুলের নাম নেননি। কিন্তু রাহুল যে ব্যালটে ফেরার আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সে খবর রয়েছে তাঁর কাছে। তাই ইভিএম নিয়ে বলতে গিয়ে কতকটা ‘অভিভাবক’-এর মতোই উপদেশ দিলেন কংগ্রেস সভাপতিকে, সঙ্গে রইল চাপা বিদ্রুপও। নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে মোদী বলেন, ‘‘এক সময় আমাদের দু’জন সাংসদ ছিলেন। অনেকে উপহাস করতেন। কিন্তু আদর্শে অটল থেকে দলকে দাঁড় করিয়েছি। এটাই তো নেতৃত্বের পরিচয়। হেরে গিয়ে এখন কাঁদছেন কেন? এ কী পদ্ধতি? যখন নিজের উপর ভরসা থাকে না, তখনই ইভিএমে দোষ চাপানোর মতো অজুহাত খোঁজা হয়। আসলে আত্মচিন্তন, দোষ-ভুল স্বীকারের কোনও প্রস্তুতি নেই। এতে দলের কর্মীদের ভাল হয় না। হতাশ হয়ে লাভ নেই। সাহস করে আবার কর্মীদের তৈরি করুন। এটাই কি শেষ ভোট না কি? আরও ভোট আসবে।’
বেকারদের জন্য সুখবর, এই পদে ৮৪ হাজার লোক নিয়োগ করতে চলেছে কেন্দ্র-দৈনিক আজকাল
ফের একবার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর কর্মসংস্থানে জোর দিল মোদি সরকার। সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সে অন্তত ৮৪,০০০ শূন্যপদ পূরণ করা হবে। খুব শীঘ্রই এই ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। পিটিআই সূত্রে খবর, মঙ্গলবারই সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সে শূন্যপদ পূরণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সরকারি আধিকারিকদের কথায়, খুব দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সিএপিএফ এর অন্তর্গত সিআরপিএফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপি ও অসম রাইফেলসে শূন্যপদ পূরণ করা হবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, অবসর, মৃত্যু ও স্বেচ্ছাবসরের জন্য এই কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর অন্তত ১০ শতাংশ শূন্যপদ তৈরি হয়। এবার ধাপে ধাপে তা পূরণ করা হবে।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৭