সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ ১২০০ কোটি টাকা বেড়েছে
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৮ জুন শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
প্রথমে বাংলাদেশে:
- সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ ১২০০ কোটি টাকা বেড়েছে-দৈনিক প্রথম আলো
- রিফাত হত্যায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না:ওবায়দুল কাদের-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
- কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষগ্রহণের অভিযোগে ২ পুলিশ আটক-দৈনিক যুগান্তর
- যে দলেরই হোক, রিফাত হত্যায় জড়িত কেউ ছাড় পাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
- প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রমাণ করে দেশে ন্যায়বিচার নেই: সেলিমা রহমান-দৈনিক মানবজমিন
- বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না : ব্রিটিশ হাইকমিশনার-দৈনিক নয়াদিগন্ত
ভারতের খবর:
- ভাটপাড়ায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, বাড়ি বাড়ি ঘুরে কথা বাসিন্দাদের সঙ্গে-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
- ‘জয় শ্রী রাম না বলায় মুসলিম ক্যাব চালককে মারধর-দৈনিক আজকাল
- নিখুঁত লক্ষ্যে আছড়ে পড়ল আণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ‘পৃথ্বী’ মিসাইল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ ১২০০ কোটি টাকা বেড়েছে-দৈনিক প্রথম আলো
২০১৮ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৯ শতাংশ বা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বেড়ে গেছে। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) গতকাল বৃহস্পতিবার ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড-২০১৮ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখান থেকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমার এ তথ্য পাওয়া গেছে। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা করা অর্থের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬২ কোটি সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫ হাজার ৩৫৯ কোটি টাকা। তবে ২০১৭ সালে ছিল ৪৮ কোটি ১৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ বা ৪ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। বাংলাদেশি মুদ্রায় গতকাল এক সুইস ফ্রাঁর বিনিময়মূল্য ছিল ৮৬ টাকা ৪৩ পয়সা।
রিফাত হত্যায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না:ওবায়দুল কাদের-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বরগুনায় রিফাত হত্যায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অপরাধ ঘটার পর রাতারাতি অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব নয়। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো অপরাধ সংগঠনের পর অপরাধীরা পালানোর চেষ্টা করে এটাই স্বাভাবিক। তাই অপরাধীদের রাতারাতি গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় না। বরগুনায় রিফাত হত্যায় জড়িত ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তার চেষ্টা চলছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কেউ যাতে পালাতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিএনপি সরকারের সময় ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেউ অপরাধ করে পার পাই না। অপরাধ করে আমাদের এমপি কারাগারে আছে। সুতরাং বর্তমান সরকারের সময় অপরাধ করলে তার শাস্তি পেতেই হবে।
কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষগ্রহণের অভিযোগে ২ পুলিশ আটক-দৈনিক যুগান্তর
মাদারীপুরে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষগ্রহণ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ সুপারের বডিগার্ডসহ চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বডিগার্ডসহ দুই কনস্টেবলকে আটকের পর নেয়া হয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে। এ ছাড়া একই অভিযোগে আরও দুই কর্মকর্তাকে জেলা থেকে অন্যত্র বদলি করেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার।স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষগ্রহণ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অপরাধীদের ধরার জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদারের দেহরক্ষী পুলিশ সদস্য নুরুজ্জামান সুমনকে মোটা অঙ্কের ঘুষগ্রহণের টাকাসহ আটক করা হয়।একই অপরাধে পুলিশলাইনসের মেস ম্যানেজার জাহিদ হোসেনকে আটক করে দুজনকেই ঢাকা হেডকোয়ার্টার্সে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
যে দলেরই হোক, রিফাত হত্যায় জড়িত কেউ ছাড় পাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
বরগুনায় স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতরা যে দলেরেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।শুক্রবার পুরান ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের ইতিহাস ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণ ও পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পুলিশ ও গোয়েন্দা সসদস্যরা অত্যন্ত দক্ষ। আমাদের নজর এড়িয়ে কেউ পার পায়নি। রিফাত হত্যায় যারা জড়িত, তাদের অধিকাংশই ধরা পড়েছে। বাকি যে কয়েকজন আছে, তারা অচিরেই ধরা পড়বে— এটা নিশ্চচিত থাকুন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ প্রমাণ করে দেশে ন্যায়বিচার নেই: সেলিমা রহমান-দৈনিক মানবজমিন
বরগুনায় রিফাতকে কুপিয়ে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রমাণ করে দেশে কোনো ন্যায়বিচার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত প্রতিহিংসার রাজনীতি ন্যায়বিচার এবং বেগম খালেদা জিয়া শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।সেলিমা রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছে। কেন তিনি নির্দেশ দিবেন? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোথায়? রক্ষার দায়িত্বশীলরা কোথায় গেলেন? যাদের দায়িত্ব তারা কেন পালন করছেন না? এর মানে দেশে ন্যায়বিচার নেই।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সবাই দেখেছেন বরগুনায় কিভাবে প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে রিফাতকে হত্যা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষও এগিয়ে আসেনি। পুলিশ তো আসেইনি। আজকে মূল্যবোধ হারিয়ে গেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে, বড় প্রজেক্টের নামে ন্যায়বিচার আড়াল হয়ে গেছে। এখনো সাগরে রুনির বিচার হয়নি।
বাংলাদেশে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না : ব্রিটিশ হাইকমিশনার-দৈনিক নয়াদিগন্ত
বাংলাদশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত হতে হবে। একই সাথে তিনি গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতির প্রশংসা করে বলেন, ১৫ বছরে এই সাফল্য যথাযত তুলে ধরা হচ্ছে না। বাংলাদেশে সাজাপ্রাপ্ত একাধিক ব্যক্তিকে বিশেষ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ব্রিটেন থেকে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে ব্যক্তিগত ইস্যু উল্লেখ করে তিনি মন্তব্য করতে পারেন না বলে জানান। ২৬ জুন বুধবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেনে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব হলে আয়োজিত ‘ডায়লগ উইথ জার্নালিস্টস শীর্ষক ’ অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এবার ভারতে বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি
ভাটপাড়ায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, বাড়ি বাড়ি ঘুরে কথা বাসিন্দাদের সঙ্গে-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
যিনিই যান, ভাটপাড়ায় জয় শ্রীরাম-ই পাবেন— তৃণমূল প্রতিনিধিদলের ভাটপাড়া সফরের ঘণ্টা দুয়েক আগে মন্তব্য করেছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহ। রাজ্যের তিন সিনিয়র মন্ত্রী এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে তৈরি ৭ জনের প্রতিনিধিদল ভাটপাড়া পৌঁছে গেলেন। ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকে লাগাতার হিংসায় সন্ত্রস্ত হয়ে থাকা শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের যে কর্মীরা আক্রান্ত, মূলত তাঁদের সঙ্গে কথা বলতেই এই মন্ত্রী-বিধায়কদের সফর। শুক্রবার দুপুরে ভাটপাড়ায় পৌঁছে তৃণমূলের প্রতিনিধিরা এলাকার পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। কথা বলেন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে। লাগাতার অশান্তির জেরে তাঁরা কী সমস্যার মধ্যে পড়েছেন বা এখনও কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, সে সব জানার চেষ্টা করেন বিধায়ক-মন্ত্রীরা।
‘জয় শ্রী রাম না বলায় মুসলিম ক্যাব চালককে মারধর-দৈনিক আজকাল
‘জয় শ্রী রাম’ বলার জন্য প্রথমে জোর জবরদস্তি। তারপর বেধড়ক মার। এক মুসলিম ক্যাব চালকের উপর এভাবেই অত্যাচার চালানো হয়েছে মহারাষ্ট্রের ঠানেতে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত শনিবার রাতে ক্যাব চালক ফয়জল ডিভা টাউনে কয়েকজন যাত্রীকে ছেড়ে ফিরছিলেন। তখনই রাস্তায় কিছু মদ্যপ ব্যক্তি তাঁর রাস্তা আটকায়। যখন তারা বুঝতে পারে যে ক্যাব চালক মুসলিম। অমনি তাঁকে ‘জয় শ্রী রাম’ বলার জন্য জোর করা হয়। ক্যাব চালক ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে অস্বীকার করলে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় মদ্যপরা। এরপর ক্যাব চালক থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক অভিযুক্তর খোঁজ চলছে।
নিখুঁত লক্ষ্যে আছড়ে পড়ল আণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ‘পৃথ্বী' মিসাইল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
আরও ঘাতক হয়ে উঠল ভারতের ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভার। বৃহস্পতিবার রাতে ওড়িশা উপকূল থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হল আণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম মিসাইল ‘পৃথ্বী-২’।
গতকাল রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর থেকে পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয় জমি থেকে জমিতে আঘাত হানতে সক্ষম পৃথ্বী-২ ক্ষেপণাস্ত্রের। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই মিসাইলটি চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে একটি মোবাইল লঞ্চার থেকে ছোঁড়া হয়। বঙ্গোপসাগরে মিসাইলটির লক্ষ্য স্থির করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি সঠিক নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য লক্ষ্যবস্তুর পাশেই মজুত ছিল নৌসেনার একটি জাহাজ। সেখানে মজুত সেনা ও ডিআরডিও-র শীর্ষ আধিকারিকদের আস্থা জয় করে নিখুঁতভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে পৃথ্বী-২। ৫০০ থেকে ১০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। পারমাণবিক অস্ত্র নিয়েও ৩৫০ কিলোমিটারের আওতায় কোনও লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে পৃথ্বী-২। এর আগেও ২০১৮ সালে মিসাইলটির কর্মক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছিল।
পার্সটুডে/বাবুল আখতার/২৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।