জুন ৩০, ২০১৯ ১১:২৮ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ৩০ জুন রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম

  • সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই: রুমিন ফারহানা-দৈনিক যুগান্তর
  • রিফাত হত্যা- সমাজ কেন এমন হলো? -দৈনিক প্রথম আলো
  • নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস-দৈনিক ইত্তেফাক
  • সিন্ডিকেটের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা সৌদি শ্রমবাজার-দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • জিয়ার কবর নিয়ে খেলবেন না: নজরুল-দৈনিক মানবজমিন

ভারতের শিরোনাম:    

  • ‘সংসদ চলছে বলে নখ-দাঁতগুলো দেখতে পাচ্ছেন না’, মমতাকে হুঁশিয়ারি মুকুলের-দৈনিক আনন্দবাজার
  • দুর্নীতি রুখতে পদক্ষেপ, দ্রুত ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ চালুর উদ্যোগ মোদি সরকারের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • দেশে বেড়ে চলা পানীয়জলের সঙ্কট রুখতে তিন দাওয়াই মোদির-দৈনিক আজকাল

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবরের দিকে নজর দেব।

নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস-দৈনিক ইত্তেফাক

বাজেট পাস

আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের স্তর পেরিয়ে ধারাবাহিক ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে একটি শান্তিপূর্ণ, সুখী উন্নত- সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০১৯-২০ নতুন অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। রবিবার জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে নির্দিষ্টকরণ বিল, ২০১৯ পাসের মাধ্যমে এ বাজেট পাস করা হয়। অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল গত ১৩ জুন জাতীয় সংসদে ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ স্লোগান সম্বলিত এ বাজেট পেশ করেন।

সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই: রুমিন ফারহানা-দৈনিক যুগান্তর

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

টানা এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরও দেশে মানসম্মত শিক্ষা ও শিক্ষক নিশ্চিত করতে না পারায় সরকার ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশন একটা জরিপ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় ভারতের ৪৯টি, নেপাল ও শ্রীলংকার একটি, পাকিস্তানের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও সেখানে জায়গা করতে পারেনি। জাপানের উদাহরণ দিয়ে এই বাজেটে বিদেশ থেকে শিক্ষক আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি সরকার এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরও মানসম্পন্ন শিক্ষক তৈরি করতে পারেনি। বিদেশ থেকে শিক্ষক আনার কথা বলতে হয়। তখন সেই সরকার আর ক্ষমতা থাকার নৈতিক অধিকার রাখে না।

এ সম্পর্কে দৈনিক প্রথম আলোতে লেখা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জবাব দেওয়ার আগেই অভিযোগ খণ্ডনে তৎপরতা দেখান সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) দুজন সদস্য। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এমন এক পার্লামেন্টে আছি, কোনটা সরকারি দল আর কোনটা বিরোধী দল, কিছুই বুঝি না।’

আইন আদালত বিষয়ক খবরে দৈনিক ইত্তেফাকের শিরোনাম-বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে : আনিসুল হক

আইন মন্ত্রী আনিসুল হক

বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পলাতক বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আজ সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, পলাতক খুনি নুর চৌধুরী কিভাবে কানাডায় বসবাস করছেন (লিগ্যাল স্ট্যাটাস) এ সম্পর্কে তথ্য দিতে কানাডা সরকারকে বাধ্য করতে ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিস এর আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

জিয়ার কবর নিয়ে খেলবেন না: নজরুল-দৈনিক মানবজমিন

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান

সংসদ ভবনের পাশে অবস্থিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে সরকারকে না খেলার হুঁশিয়ারী দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শ্রমিক দলের মানববন্ধন তিনি এমন হুঁশিয়ারী দেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সংসদ ভবনের নকশায় জিয়াউর রহমানের কবর  নেই জানিয়ে তা সেখান থেকে সরিয়ে ফেলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গ টেনে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বীর উত্তম শহীদ জিয়াউর রহমানের কবর নিয়ে খেলবেন না। দেশের মানুষ তাকে কি পরিমাণ ভালোবাসে তার মৃত্যুর পরে জানাজায় দেখেন নাই। কবর সরানোর চেষ্টা হলে সাধারণ মানুষ অবস্থান গ্রহণ করবে।

রিফাত হত্যার আপডেট খবরে জাতীয় দৈনিকগুলোর অনলাইন ভার্সনে লেখা হয়েছে, রিফাত হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার। এটি প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে লেখা হয়েছে, বরগুনায় রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় সাগর নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আর ইত্তেফাক লিখেছে, বরগুনা হত্যাকাণ্ড: গ্রেফতার সাগর, চাকরি হচ্ছে না পুলিশে। এ সম্পর্কে মানবজমিনের একটি খবরের শিরোনাম- রিফাত হত্যা:

রাজনৈতিক পরিচয়েই ক্ষমতাধর ছিলো হত্যাকারীরা, মুখোমুখি বরগুনার দুই নেতা।

রিফাত হত্যা

সমাজ কেন এমন হলো? দৈনিকে প্রথম আলোতে এ শিরোনামের নিবন্ধে  জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের  প্রফেসর অব সাইকিয়াট্রি তাজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘আমার ছেলেকে কেন জানে মারল। পঙ্গু করে দিলেও তো আমার বুক আগলে থাকত,’ রিফাতের মায়ের এই অসহায় আকুতি প্রমাণ করে, আমরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো দূরের কথা, তাদের কাছে নতজানু হয়ে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার পরিবেশে বাস করছি। এতই অসহায় যে বলছি, তোমরা জানে মেরে ফেলো না, পঙ্গু করে হলেও কোনো রকমে বাঁচিয়ে রেখো। গুম হয়ে যাওয়া মা-বাবারাও আবেদন করে যাচ্ছে আমাদের সন্তানের লাশটুকু অন্তত ফেরত দাও।

হত্যা–খুন আগেও হতো। তবে তখন তা হতো গোপনে, নির্জনে বা ভাড়াটে খুনি দিয়ে। অপরাধীরা প্রকাশ্য হতে ভয় পেত। পুলিশে ধরবে, গণপিটুনি খাবে, চিহ্নিত হলে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হবে। কিন্তু এখন চিত্র পুরো উল্টো হয়ে গেল কেন? সাধারণ মানুষ কেন অপরাধ প্রতিরোধে এগিয়ে আছে না? মহামান্য হাইকোর্ট পর্যন্ত বলছেন, এটি সমাজের ব্যর্থতা। কেন সমাজ ব্যর্থ হচ্ছে?

এককথায় এর উত্তর পাওয়া যাবে না। তবে গুরুত্বপূর্ণ কারণটি বোঝা যায় প্রথম আলোর হেডলাইন থেকে, ‘বহু অভিযোগ নিয়ে ও তারা দাপিয়ে বেড়াত’। মাদক বিক্রি, সেবনসহ আগেও কোপানোর ইতিহাস রয়েছে তাদের। তারা বহু মামলার আসামি ছিল। এমনকি পুলিশ অফিসারের বাসায় তাণ্ডব চালানোর মতো ‘বীরত্বসূচক’ কৃতিত্বও তাদের রয়েছে। অপরাধের বহু রকম ‘বিজয়মুকুট’ তারা ইতিমধ্যে অর্জন করে ফেলেছে। ফলে, প্রকাশ্যে কোপানো সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা চলছে। চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কোপানোর এই বর্বরতার উৎস কোথায়?

আমরা হয়তো কিছু তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে পারব, কিন্তু সমাধান যাদের হাতে, তাদের সেটি করতে বাধ্য করবে কারা? বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে? কারা এর জন্য দায়ী, গলদ কোথায়, প্রতিকার কী?

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি

দেশে বেড়ে চলা পানীয়জলের সঙ্কট রুখতে তিন দাওয়াই মোদির-দৈনিক আজকাল

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

চরম জলসঙ্কটে ধুঁকছে তামিলনাড়ু, তেলঙ্গনা, বেঙ্গালুরু, মুম্বই সহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চল। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর প্রথম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে পানীয়জলের এই সঙ্কট মেটাতে তিনটি পন্থার নিদান দিলেন নরেন্দ্র মোদি। 

প্রথমত, মোদি দেশবাসীর কাছে আবেদন করেছেন, তাঁর শুরু করা স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মতোই জল বাঁচাও অভিযান শুরু করতে হবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিককে জলের প্রতিটি বিন্দু বাঁচানোর অঙ্গীকার করতে বলেছেন মোদি।

দ্বিতীয়ত, যেভাবে প্রাচীন উপায়ে বৃষ্টির জল ধরে রাখা  হত, সেভাবেই জল সংরক্ষণের আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তৃতীয়ত, জল সংরক্ষণে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং প্রশাসনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলচ্চিত্র, খেলা বা রাজনীতির জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সচেতনতা অভিযান শুরুর কথা বলেছেন মোদি।

‘সংসদ চলছে বলে নখ-দাঁতগুলো দেখতে পাচ্ছেন না’, মমতাকে হুঁশিয়ারি মুকুলের-দৈনিক আনন্দবাজার

মুকুল রায়

এক দিকে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে ‘চাপ’ তৈরি করা, অন্য দিকে রাজ্য জুড়ে কাটমানি প্রসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত ‘সংগঠিত’ করা— তাদের এই দ্বিমুখী কৌশল স্পষ্ট করে দিল বিজেপি। তৃণমূল পাল্টা বলেছে, রাজ্যের মানুষ এই প্ররোচনা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি মেনে নেবে না।

পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে শনিবার বিজেপির সভা ছিল। সেখানে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং দলের নেতা মুকুল রায় ছিলেন দুই প্রধান বক্তা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ দিন তাঁদের দু’জনের বক্তব্যই ছিল উস্কানি এবং হুমকিতে ঠাসা। সংসদের চলতি অধিবেশন শেষ হলেই রাজ্যে তৃণমূল সরকারের উপর কেন্দ্রের ‘চাপ’ নেমে আসবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে মুকুল বলেন, ‘‘আপনার জন্য অনেক কিছু অপেক্ষা করে রয়েছে। সংসদ চলছে বলে এখনও নখ-দাঁতগুলো দেখতে পাচ্ছেন না। অধিবেশন শেষ হলে কী হয় বুঝবেন!’’

অপর বক্তা  দিলীপবাবুর আহ্বান, ‘‘যারা টাকা নিয়েছে, তাদের বাড়ির সামনে গিয়ে কড়ায়গন্ডায় বুঝে নিন। আমরা আপনাদের সঙ্গে রয়েছি। মূল টাকার সঙ্গে সুদটাও বুঝে নেবেন। মুকুল দাবি তোলেন, ‘‘সব কাটমানি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে রয়েছে। আগে তিনি কাটমানির টাকা ফেরত দিন।’’ মমতার পদত্যাগও দাবি করেন তিনি। বিজেপির এই ধরনের বক্তব্যকে ‘প্ররোচনা’ বলে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘দিলীপবাবু, মুকুলেরা নৈরাজ্য তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। এ ভাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি দেখিয়ে ওই দল আসলে ক্ষমতায় আসতে চায়। এটাই একমাত্র কর্মসূচি। কিন্তু এই প্ররোচনা, নৈরাজ্য বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।

দুর্নীতি রুখতে পদক্ষেপ, দ্রুত ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ চালুর উদ্যোগ মোদি সরকারের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

গোটা দেশের জন্য একটাই রেশন কার্ড। ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যেই এই ব্যবস্থা চালু করতে চায় কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান জানান, ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’-এর বিষয়ে সমস্ত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে তাঁর মন্ত্রক। তিনি আরও জানান,এই ব্যবস্থা চালু হলে যে কেউ যে কোনও পিডিএস দোকান থেকে রেশন তুলতে পারবেন। এর ফলে রেশন সরবরাহ ঘিরে দুর্নীতির সম্ভাবনাও কমবে বলে আশাপ্রকাশ করেন খাদ্যমন্ত্রী। দেশজুড়ে তৈরি করা হবে রেশন কার্ডে রিয়েল টাইম অনলাইন ডাটাবেস। নতুন এই ব্যবস্থা চালু হলে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতে যাওয়া মানুষেরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৩০