জুলাই ০৭, ২০১৯ ১১:৪৮ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ৭ জুলাই রোববারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম

  • ওয়াসার পানিতে জীবাণু-মল: পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট -দৈনিক যুগান্তর
  • ছোট্ট সায়মার মাথার ওপরেই ছিল ‘ধর্ষকের’ বাস-দৈনিক প্রথম আলো
  • পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত-দৈনিক ইত্তেফাক
  • তলিয়ে গেছে রোহিঙ্গা শিবির, পাহাড় ধসের আশঙ্কা -দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে: রিজভী -দৈনিক মানবজমিন

ভারতের শিরোনাম:    

  • বিধায়ক কেনাবেচায় যুক্ত বিজেপি, কর্নাটকে অচলাবস্থা নিয়ে অভিযোগ কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খড়্গের-দৈনিক আনন্দবাজার
  • শিশুবলির চেষ্টা বিজ্ঞান শিক্ষকের!‌ উদ্ধার শিশু, গ্রেপ্তার পরিবারের সদস্যরা-দৈনিক আজকাল
  • মণিপুরের জঙ্গিগোষ্ঠীর ডেরা গুঁড়িয়ে দিল সেনা, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবরের দিকে নজর দেব।

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অর্ধদিবস হরতাল পালিত হওয়ার খবরটি প্রায় সব জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণের খবরে পরিবেশিত হয়েছে। 

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের হরতাল পালন

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সারা দেশে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকা অর্ধদিবস হরতাল পালিত হয়েছে। হরতালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আজ সকাল ৬টা থেকে হরতাল শুরু হয়। চলে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। বাম গণতান্ত্রিক জোটের এই হরতালের প্রতি নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল বিএনপি। সরকার গ্যাসের দাম না কমালে বাম গণতান্ত্রিক জোট আগামী ১৪ জুলাই জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও করবে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ রোববার সারা দেশে বাম জোটের ডাকা অর্ধদিবস হরতাল শেষে এক সমাবেশ থেকে এই কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে: রিজভী-দৈনিক মানবজমি

বিএনপি নেতা রিজভীর বললেন দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে

দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী আহমেদ আরো বলেন, রাষ্ট্র ও ক্ষমতাসীন দলের মধ্যকার পার্থক্যের অবসান ঘটেছে। রাষ্ট্র, এক ব্যক্তি ও দল এখন একাকার। এক ব্যক্তির অঙ্গুলী হেলনে জঙ্গলের শাসন চলছে। আইন-আদালত, বিচার-আচার, প্রশাসন সবকিছু মিডনাইটে সীলমারা ভোটে নির্বাচিত অবৈধ সরকারের করতলে। বিচারের বাণী আলো-আঁধারে নিভৃতে কাঁদছে। বিরোধী দলকে নির্মূল ও নিশ্চিহ্ন করতে আদালতকে নগ্নভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে এক ভয়াবহ অশনি সংকেত সুষ্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তলিয়ে গেছে রোহিঙ্গা শিবির, পাহাড় ধসের আশঙ্কা-দৈনিক নয়া দিগন্ত

টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বান্দরবানে প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ হতে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রাণহানী ঠেকাতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী লোকজনদের নিরাপদ জায়গায় সড়ে যেতে বলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রবল বর্ষণের কারণে বান্দরবানের থানছি রুমা সড়কসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের সাংঙ্গু মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বাড়তে থাকায় থানছি ও রুমা উপজেলার বেশ কিছু দুর্গম জায়গায় পর্যটকদের চলাচলে সতর্কতা জারী করেছে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী। এদিকে প্রবল বর্ষণের কারণে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডের অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরটি পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে। শিবিরের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিয়েছে পাশের উচু স্থানের পাহাড়ে। রোহিঙ্গা শিবিরটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগের মধ্যে পরেছে প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা।

ওয়াসার পানিতে জীবাণু-মল: পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট-দৈনিক যুগান্তর

ওয়াসার পানিতে জীবাণু-মল: পদক্ষেপ জানতে চান হাইকোর্ট

রাজধানীর কিছু কিছু এলাকার ঢাকা ওয়াসার সরবরাহ করা পানিতে মল ও জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়ার ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই এ বিষয়ে শুনানির দিন ঠিক করেছেন আদালত। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াসার ১০টি জোনের মধ্যে চারটি মডস জোন এবং সায়েদাবাদ ও চাঁদনীঘাট এলাকা থেকে সংগৃহীত আটটি নমুনা পানিতে দূষণ পেয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত কমিটি। এসব এলাকার পানিতে ব্যাকটেরিয়া, উচ্চমাত্রার অ্যামোনিয়া পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কিছু কিছু নমুনায় মলের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

ওয়ারীতে ধর্ষণের পর খুন-নিস্তেজ সায়মাকে গলায় রশি বেঁধে টেনে রান্নাঘরে নিয়ে যায় হারুন-দৈনিক যুগান্তর/ আর প্রথম আলো শিরোনাম করেছে- ছোট্ট সায়মার মাথার ওপরেই ছিল ‘ধর্ষকের’ বাস। 

শিশু সায়মার ধর্ষক ও খুনি হারুন

খবরটিতে লেখা হয়েছে, রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের স্কুলছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মাকে (৭) ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ গ্রেফতারের পর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশকে দেয়া জবানবন্দিতে সে জানিয়েছে, ছাদ ঘুরে দেখানোর কথা বলে ওই বাসার ৮ তলার লিফট থেকে সায়মাকে ছাদে নিয়ে যায় সে। সেখানে নবনির্মিত ৯ তলার ফ্ল্যাটে নিয়ে সায়মাকে ধর্ষণ করে। এরপর নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকে সায়মা। মৃত ভেবে সায়মার গলায় রশি বেধে টেনে রান্নাঘরে রেখে পালিয়ে যায় এই নরপশু।

ছো্ট্ট শিশু সায়মা

হারুন অর রশিদকে গ্রেফতারের পর রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রোমহর্ষক এই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

ডিএমপির এ কর্মকর্তা বলেন, ‘এ ধরনের অপরাধীরা সাধারণত ধর্ষণের পর যখন ভাবে এ অপকর্মের কারণে সে বাঁচতে পারবে না তখনই হত্যার মতো ঘটনা ঘটায়। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।’

পুরুষ হিসেবে গা গুলিয়ে আসছে’

-এটি দৈনিক মানবজমিনের একটি ফেসবুক ডায়েরি থেকে নেয়া নিবন্ধের শিরোনাম। এটি লিখেছেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের একজন ডিরেক্টর- প্রোগ্রাম, পলিসি এন্ড এডভোকেসি বিভাগ। তিনি লিখেছেন, আমি খুব মর্মাহত হৃদয়ে এই কথাটা লিখছি যে, গত ছয় মাসে ৬৩০ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। একজন পুরুষ হিসাবে এ কথাটা লিখতে আমার গা গুলিয়ে আসছে, আমার শরীর রীতিমত কাঁপছে এবং আমি চূড়ান্ত অপমাণিত বোধ করছি। কিন্তু লেখা ছাড়া বলার মতো আমার আর কোন ভাষা নাই।

এই ৬৩০ জনের মধ্যে আছে ৭ মাস বয়সী থেকে ৭ বছরের শিশু। আছে শিক্ষক, কর্মজীবি নারী, আছে শিক্ষার্থী! যাদের শরীরে কোন উত্তেজক অঙ্গ এখনো স্পস্ট হয় নাই, তারাও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণ করে অনেককে মেরে ফেলা হয়েছে, অনেকের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।

কোথায় ধর্ষিত হয়েছে এরা?

এরা রাস্তাঘাটে, বাসে, নিজের বাসায়, স্কুলে, মাদ্রাসায়, তাদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, প্রতিবেশীর ঘরে, কর্মক্ষেত্রে, শ্রেণীকক্ষে এরা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। একজন শিশু খেলতে গিয়ে প্রতিবেশীর হাতে দিনের পর দিন ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের তথ্য লুকাতে গিয়ে, তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। দিনের পর দিন মাদ্রাসার শিক্ষক তার ছাত্রীদেরকে ধর্ষণ করে যাচ্ছে। তারপর তথ্য যাতে ফাঁস না হয়, কোরআন শরীফে হাত রেখে শপথ পাঠ করানো হয়েছে।

এসবতো কিছু ঘটনা, যেগুলো কোন না কোনভাবে প্রকাশ হয়েছে। এই দেশে যে ধর্ষণ করে, তার চেয়ে বড় অপরাধী হলো, যে ধর্ষণের শিকার হয়! কেননা, ব্যক্তি দ্বারা ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর এরপর যা শুরু হয়, সেটা হলো, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, আদালত, সমাজ কর্তৃক ধর্ষণ! এই ধর্ষণ অনন্তকাল ধরে চলতে থাকে। যতক্ষণ না মেয়েটার বিনাশ না হয়, যতক্ষণ সে আত্মহত্যা না করে, আর যদি খুব সাহসী হয়, তাহলে যতক্ষণ সে টোটাল সোসাইটি থেকে বিচ্ছিন্ন না হচ্ছে?

তাহলে তথ্য প্রকাশ হয়নি, অথচ ধর্ষণের শিকার হওয়ার সংখ্যা ঠিক কত?

আমাদের কী কিছুই করার নাই? আমাদের দেশে আইন আছে, আদালত আছে। নারী নির্যাতন বিষয়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আছে। সেসব জায়গায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির কেন আমরা দেখতে পাচ্ছি না? কেন আমরা এটা দেখছি না যে, ৭ বছরের শিশু ধর্ষিত হলে, অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামী গ্রেপ্তার হচ্ছে, তার বিচার হচ্ছে, তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হচ্ছে। এই দেশে, এই সময়ে এসে ধর্ষণ এক মহামারীর চেয়েও ভয়ানক ব্যাধি! ডেঙ্গু হলে মশারি টানাবেন কিন্তু ধর্ষককে ঠেকাবেন কি দিয়ে? একজন বাবা মা কোন্ ভরসায় তার সন্তানকে স্কুলে পাঠাবে, কোন ভরসায়, কার কাছে রেখে কাজে বেরুবে? এটা এক ভয়ানক সামাজিক অবক্ষয়। এই অবক্ষয়ের ত্রাণ কোথায়? কে ঠেকাবে এদেরকে? কারো কি কোন দায় নাই? সরকারের বাইরে সাধারণ মানুষ চুপ কেনো? আইন আদালত কাজ না করলে সামাজিক প্রতিরোধই মুক্তির সবচেয়ে বড় উপায়! অথচ প্রতিরোধ দেখছি না।

৭ মাসের শিশু ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরেও যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, প্রতিবাদ করতে গলা শুকিয়ে যায়, তাহলে আর কীসে আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে? কবে? এখনো কি আমরা নারীর পোশাককে দায় দিয়ে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকবো?

পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত-দৈনিক ইত্তেফাক

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন সীমন্তে বিএসএফের গুলিতে এরশাদুল হক (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও অপর দুই জন আহত হয়েছেন। রবিবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি ওই ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে মৃত আহসানুল হকের ছেলে। পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আলী সরকার বলেন, ‘সীমান্তে অবৈধভাবে যাওয়ার সময় এরশাদুল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। নিহতের বড় ভাই সাইদুজ্জামান থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে।’

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি

বিধায়ক কেনাবেচায় যুক্ত বিজেপি, কর্নাটকে অচলাবস্থা নিয়ে অভিযোগ কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খড়্গের-দৈনিক আনন্দবাজার

কাংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে

একের পর এক বিদ্রোহী বিধায়কের ইস্তফার হিড়িকে কর্নাটক হাতছাড়া হওয়ার জোগাড় কংগ্রেস- জনতা দল সেকুলার (জেডিএস) জোটের। এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপির ‘ঘোড়া বেচাকেনা’-কেই দায়ী করলেন দলের প্রবীণ নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিরোধীদের উচ্ছেদ করতে উঠেপড়ে লেগেছে বিজেপি। দল ভাঙানোর চেষ্টা করছে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খড়্গে বলেন, ‘‘অ-বিজেপি সরকারগুলির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বিজেপি। আঞ্চলিক দলগুলিকে দুর্বল করে দিতে চায় ওরা। দুর্ভাগ্যের বিষয়, প্রত্যক্ষ ভাবে কেন্দ্রীয় সরকার এই অশান্তিতে জড়িত, যা একেবারেই ঠিক নয়।’’

মণিপুরের জঙ্গিগোষ্ঠীর ডেরা গুঁড়িয়ে দিল সেনা, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

উত্তর-পূর্ব ভারতে গোপনে শক্তি বাড়াচ্ছে জঙ্গি সংগঠন এনএসসিএন (আইএম)৷ গোয়েন্দা সূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই এই খবর আসছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে৷ অবশেষে এনএসসিএন-র বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল সেনা৷ কুখ্যাত এই জঙ্গি সংগঠনের গোপন ডেরায় অভিযান চালিয়ে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করল জওয়ানরা। সূত্রের খবর, উদ্ধার হয়েছে এমআই-১৬ মার্কিন অ্যাসল্ট রাইফেল, ১৫০ রাউন্ড গুলি-সহ প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র। এবং আটক করা হয়েছে এক জঙ্গিকেও।

সেনা সূত্রে খবর, মণিপুরের বিস্তীর্ণ অংশে ভিত শক্ত করছে এনএসসিএন (আইএম)৷ ফের সক্রিয় হয়েছে সংগঠনের জঙ্গিরা। মণিপুর-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির গ্রামে গ্রামে তোলাবাজি ও লুটপাট চালাচ্ছে তারা। সাধারণ মানুষের উপর অকথ্য অত্যাচার চালাচ্ছে৷ জানা গিয়েছে, এই খবর পেয়ে গত ৫ জুলাই গভীর রাতে মণিপুরের কেকরু নাগা গ্রামে অভিযান চালান জেনা বাহিনীর জওয়ানরা। সেখানে এনএসসিএন (আইএম)-এর গোপন ডেরার সন্ধান পান তারা। ওই ডেরা থেকেই উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও জঙ্গি সংগঠনের পোশাক৷ আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় জঙ্গি ডেরায়৷

শিশুবলির চেষ্টা বিজ্ঞান শিক্ষকের!‌ উদ্ধার শিশু, গ্রেপ্তার পরিবারের সদস্যরা-দৈনিক আজকাল

নরবলি দেয়ার চেষ্টা-শিশু কন্যা উদ্ধার

এক শিশুকে বলি দেওয়ার চেষ্টা করছেন এক পুরোহিত। তাঁর হাতে তরোয়াল। পড়া হচ্ছে মন্ত্র। চলছে যজ্ঞ। তারপর দেওয়া হবে বলি। তার জন্য প্রস্তুত সবপক্ষই। এই পরিস্থিতি কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য নয়। বাস্তবেই ঘটেছে। অবশেষে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে শিশুটিকে। ঘটনাটি অসমের উদালগিরি জেলার। এই ঘটনায় উত্তপ্ত এলাকা। নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। কুসংস্কার বহাল তবিয়তে মাথা চাড়া দিচ্ছে, তা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল অসমের উদালগুড়ি জেলার কুলসিপাড়ার একটি ঘটনা। 

হাড় হিম করে দেওয়া ঘটনা এখন সংবাদ শিরোনামে এসেছে। ঠিক কী ঘটেছিল? এখানেও সেই‌ স্বঘোষিত এক সাধু। নাম রমেশ সাহারিয়া। যার নির্দেশে এক বিজ্ঞান শিক্ষক ও তার পরিবারের মানুষজন তিন বছরের এক শিশুকন্যাকে বলি দেওয়ার চেষ্টা করছিল৷ এই খবর জানাজানি হতেই ধুন্ধুমার পড়ে যায় এলাকা জুড়ে৷ শিশুটিকে কী করে উদ্ধার করা যায়, এই নিয়ে চেষ্টার কোনও কসুর করতে ছাড়েননি স্থানীয় মানুষজন৷ কিন্তু ওই বিজ্ঞান শিক্ষকের পরিবারও অনড়৷ শিশুটির ধড় থেকে মুণ্ডচ্ছেদ করেই ক্ষান্ত হবেন তাঁরা৷

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৭