জুলাই ১৩, ২০১৯ ১১:৪৩ Asia/Dhaka
  • পত্রপত্রিকার পাতার গুুরুত্বপূর্ণ খবরের বিশ্লেষণ
    পত্রপত্রিকার পাতার গুুরুত্বপূর্ণ খবরের বিশ্লেষণ

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ১৩ জুলাই শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম

  • মাদক মামলায় দায়সারা অভিযোগপত্র-দৈনিক প্রথম আলো
  • টাঙ্গাইলে নিখোঁজ মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবীর লাশ উদ্ধার-দৈনিক যুগান্তর
  • প্রধানমন্ত্রীকে মানু‌ষের চাওয়ার দি‌কে অগ্রসর হওয়ার পরামর্শ এমাজউদ্দীনের-দৈনিক নয়া দিগন্ত
  • বিএনপির জিয়া হত্যার বিচার না চাওয়ার রহস্য জানতে হবে: তথ্যমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক
  • ‘দ্বিতীয় দফা দুধ পরীক্ষায় মিললো আরও বেশি এন্টিবায়োটিক’-দৈনিক মানবজমিন

ভারতের শিরোনাম:    

  • ‘শক্তি পরীক্ষায় ভয় পাচ্ছে বিজেপি, কর্নাটকে জিতব আমরাই’, দাবি সিদ্দারামাইয়ার -দৈনিক আনন্দবাজার
  • ভয়াবহ বন্যার জেরে অসমে মৃত ছয়, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লক্ষ মানুষ-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • রোহিত–কোহলির অশান্তি চরমে, দু’টি গোষ্ঠীতে বিভক্ত টিম ইন্ডিয়া-দৈনিক আজকাল
  • জাতীয় সম্পত্তি বেচতে বেপরোয়া  কেন্দ্র-দৈনিক গণশক্তি

পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। 

কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

১. হিম্মত থাকলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপি এ চ্যালেঞ্জ নিতে পারবে বলে মনে করেন?

২. আমিরাতি সেনাদের জায়গায় মোতায়েন করা হচ্ছে সৌদি সেনা। ঘটানাটি কী মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে হয়?

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:

ঘুষ যে দেবে সেও অপরাধী: প্রধানমন্ত্রী-দৈনিক যুগান্তর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

দুর্নীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালি ঘুষ নিলেই সে অপরাধী তা না। যে দেবে সেও অপরাধী, যে নেবে সেও অপরাধী। শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতির বিষয়ে হুশিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সারাদিন খেটে এত কাজ করে এখন যদি এই দুর্নীতির কারণে এটা নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে সেটা দুঃখজনক। সচিবদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়নটা যেন দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টা সবাইকে ভালোভাবে দেখতে হবে। আপনাদেরই নির্দেশনা দিতে হবে একেবারে নিম্নস্তর পর্যন্ত যারা কাজ করে তাদের।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে কর্মসম্পাদন চুক্তির ফলে দ্রুত দেশটা উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি মনে করি, আমাদের কাজে গতিশীলতা বেড়েছে, দক্ষতা বেড়েছে এবং সেই সঙ্গে সঙ্গে কাজে একটা আগ্রহ বেড়েছে।

তিনি বলেন, এখন তো ডিজিটাল যুগ। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে। কীভাবে কোন কাজটা করলে দেশটা আরও উন্নত হতে পারে বা দ্রুত আমরা কাজটি করে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে পারব, সেটা আপনাদের চিন্তা করতে হবে।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের যেন শহরে ভিড় করতে না হয়। নিজের গ্রামেই তারা যেন সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে।

বিএনপির জিয়া হত্যার বিচার না চাওয়ার রহস্য জানতে হবে: তথ্যমন্ত্রী-দৈনিক ইত্তেফাক

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘দুই দুইবার রাষ্ট্র পরিচালনায় থেকেও বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার চায়নি কেন- এ রহস্য উন্মোচন প্রয়োজন। সেইসঙ্গে জিয়াউর রহমান যে শত শত সেনাসদস্যকে বিনাবিচারে হত্যা করেছে, তারও বিচার করতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধের বিচারের বিকল্প নেই।’

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস স্মরণে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন বেগম জিয়া ও তার ছেলে তারেক। তারা রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকেও জিয়া হত্যার বিচার চাননি। এর রহস্য কি তা জানতে হবে। জাতির পিতার হত্যাকারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে জিয়া শত শত সেনাসদস্যকে, এমনকি ছুটি থেকে ডেকে এনেও তাদের হত্যা করেছেন, এরও বিচার হওয়া প্রয়োজন। শেখ হাসিনার সরকার ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী।

রাজনীতির আদর্শগত দিক তুলে ধরে ড. হাছান বলেন, সাত-সমুদ্রের ওপার থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির লম্বা লম্বা কথা কোনো রাজনীতি হতে পারে না। বুলেটের সামনে যেতে কিংবা হাতকড়া পরতে প্রস্তুত সাহসী রাজনীতিই প্রকৃত রাজনীতি। বিপদের মুখে পলায়ন নয়, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার সাহস থাকতে হয় রাজনীতিকদের।

মাদক মামলায় দায়সারা অভিযোগপত্র-দৈনিক প্রথম আলো

জিগাতলার ল্যাবরেটরিতে আইস, ক্রিস্টাল মেথ ও এমডিএমএ তৈরির কাঁচামালের উৎস ও বিস্তারের কোনো তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা না করেই মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ফলে ওই ল্যাবরেটরির মালিক হাসিব মো. মুয়াম্মার রশিদ কার কাছ থেকে কীভাবে মাদক তৈরির কাঁচামাল এনেছিলেন এবং কাদের কাছে বিক্রি করছিলেন তা অজানা থেকে গেল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া ওই মামলার বিচার শুরু হয়েছে ৪ জুলাই থেকে।

আড়াল করা হলো অন্যদের

জিগাতলায় আইস তৈরির কারখানা আইসকে বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি হিসেবে ধরা হচ্ছে আইস তৈরির কাঁচামাল কোথা থেকে এল জানে না অধিদপ্তর

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবীর লাশ উদ্ধার-দৈনিক যুগান্তর

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের চারদিন পর মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী মিঞা মোহাম্মদ হাসান আলী রেজার (৭৬) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রবীণ এ আইনজীবী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

‘দ্বিতীয় দফা দুধ পরীক্ষায় মিললো আরও বেশি এন্টিবায়োটিক’-দৈনিক মানবজমিন

দ্বিতীয় দফা পরীক্ষাতেও দুধে এন্টিবায়োটিক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক ড. আ ব ম ফারুক। আজ শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম দফায় দুধের নমুনা পরীক্ষা করে তিনটি এন্টিবায়োটিক পাওয়া গিয়েছিলো। এবার পাওয়া গেছে চারটি। গত সপ্তাহে পরীক্ষাটি পুনরায় করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো এবারও আগের ৫টি কোম্পানির ৭টি পাস্তুরিত প্যাকেটজাত দুধের নমুনা এবং খোলা দুধের ৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ১০টি নমুনাতেই উদ্বেগজনক মাত্রায় এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে।

সামনে ব্যাংকিং খাতের আরো দুর্দিন: সালেহ উদ্দিন আহমেদ-দৈনিক মানবজমিন

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের অবস্থা অনাকাঙ্খিত। দিনে দিনে এই খাতটি খারাপের দিকে যাচ্ছে। এই খাতে খেলাপী ঋণ, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বেড়ে গেছে, কর্মদক্ষতা কমে গেছে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান না নিয়ে চুপচাপ বসে আছে। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যেই নিজস্ব র্দুবলতা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের টপ ম্যানেজমেন্ট এবং বোর্ড অব ডিরেক্টররা যারা আছেন, তারা যে শক্তভাবে ডিরেক্টশন দেবেন সেটা না করে তাদের মধ্যে মন্থরগতি দেখা যাচ্ছে।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি

ভয়াবহ বন্যার জেরে অসমে মৃত ছয়, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লক্ষ মানুষ-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

টানা বৃষ্টির ফলে ক্রমশই ভয়াবহ হচ্ছে অসম ও গোটা উত্তর-পূর্বের বন্যা পরিস্থিতি। অসমের ৩৩টি জেলার মধ্যে জলে ভাসছে ২১টি। ব্রহ্মপুত্রের বিধ্বংসী স্রোতে রাজধানী গুয়াহাটির সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়েছে তাদের। এখনও পর্যন্ত বন্যার ফলে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছ’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ লক্ষ বেশি। প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে পরিস্থিতি এতটা খারাপ হয়েছে যে ব্রহ্মপুত্র-সহ ১০টি নদীর জল বইছে বিপদসীমার উপর দিয়ে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার ফলে এখনও পর্যন্ত ২৭ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হওয়া ৬৮টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। রেল ও সড়কপথে যোগাযোগ বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি গোটা অসম জুড়ে বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি পরিষেবাও।

‘শক্তি পরীক্ষায় ভয় পাচ্ছে বিজেপি, কর্নাটকে জিতব আমরাই’, দাবি সিদ্দারামাইয়ার-দৈনিক আনন্দবাজার

আস্থা ভোট নিয়ে চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসী কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া। তাঁর দাবি, আস্থা ভোট হলে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারই থাকবে কর্নাটকে। আর সে কারণেই বিজেপি আস্থা ভোটে ভয় পাচ্ছে। বিধায়কদের সংখ্যা-সঙ্কট নিয়ে টানাপড়েন চলছে কর্নাটকে। মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। ইস্তফা দেওয়া কংগ্রেসের ১৩, জেডিএসের ৩ জন বিধায়কের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে স্পিকারের হাতে। এই অবস্থায় শুক্রবার বিধানসভার জরুরি অধিবেশন শুরু হয় ১১ দিনের জন্য। অধিবেশন শুরু হতেই মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী  বিধানসভার স্পিকারের কাছে আর্জি জানান আস্থা ভোটের।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেন, ‘‘আমরা আত্মবিশ্বাসী। সে জন্যই আমরা আস্থা ভোটের আর্জি জানিয়েছি। বিজেপি আস্থা ভোটে ভয় পাচ্ছে কারণ তারা জানে, তাদের দলের মধ্যেই প্রচুর বিধায়ক রয়েছেন যাঁরা আমাদের ভোট দেবেন।’’ কুমারস্বামী আস্থা ভোটের আর্জি জানানোর পরই রিসর্ট-নাটক শুরু হয়ে গিয়েছে কর্নাটকে। ইস্তফা দেওয়া বিধায়কদের একটি অংশ এখনও মুম্বইয়ের হোটেলে রয়েছেন।

জাতীয় সম্পত্তি বেচতে বেপরোয়া  কেন্দ্র-দৈনিক গণশক্তি

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার শেয়ার বিক্রি থেকে চলতি বছর ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি টাকা তুলতে বেপরোয়া সরকার। স্ট্রাটেজিক বিক্রির নতুন করে জন্য আরও ১০ টি সংস্থাকে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। গতকাল ডিআইপিএএম সচিব অতনু চক্রবর্তী একথা জানিয়েছেন। তবে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সিআইটিইউ সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেছেন,পড়তি বাজারে জলের দরে নির্বিচারে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার শেয়ার বিক্রি করা হচ্ছে। আর এভাবেই জাতীয় সম্পত্তি তুলে দেয়া হচ্ছে বেসরকারি ব্যবসার হাতে। রোহিত–কোহলির অশান্তি চরমে, দু’টি গোষ্ঠীতে বিভক্ত টিম ইন্ডিয়া-দৈনিক আজকাল এ সম্পর্কিত খবর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকগুলোতে পরিবেশিত হয়েছে।

অশান্তির চোরাস্রোত ছিল। দল বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ার পর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। টিম ইন্ডিয়ায় পরিষ্কার দুটো গ্রুপ হয়ে গেছে। একটা অধিনায়ক বিরাট কোহলির গ্রুপ। যে গ্রুপে কোচ শাস্ত্রীও রয়েছেন। অপর গ্রুপে আছেন সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মা। একটি হিন্দি সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী টিম ইন্ডিয়ার এক সদস্য নাকি জানিয়েছেন, দলে এখন দুটো গোষ্ঠী রয়েছে। বলা হচ্ছে, কোচ ও অধিনায়কই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেন। যেখানে রোহিতের মতামত চাওয়া হয় না। যা নিয়ে চটে আছেন রোহিত। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের সময় দেখা গেছে। যেখানে চার নম্বরে অম্বাতি রায়ডুর জায়গায় বিজয় শঙ্করকে নেওয়া হয়েছিল। 

সবচেয়ে বড় কথা কোহলি সমর্থন পেয়ে যাচ্ছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স এর প্রধান বিনোদ রাইয়ের। সেকারণেই নাকি কুম্বলেকে সরানো সহজ হয়ে গিয়েছিল কোহলির পক্ষে। এটা ঘটনা কোহলির সঙ্গে মতের মিল না হওয়াতেই কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান কুম্বলে। 

টিম ইন্ডিয়ার অন্দরের খবর, কোহলির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ক্রিকেটার লোকেশ রাহুল। তাই দল নির্বাচনে কোহলির পছন্দের ক্রিকেটাররা অগ্রাধিকার পান।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১৩