ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী-ঠাঁই নেই হাসপাতালে ৮০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: রেডিও তেহরানের প্রাত্যহিক আয়োজন কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ ২৬ জুলাই শুক্রবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ক্ষতি বাড়ছে, বাঁধ নিয়ে ভয়-দৈনিক প্রথম আলো
- কারাগারে যেভাবে দিন কাটছে মিন্নির-দৈনিক যুগান্তর
- ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী-ঠাঁই নেই হাসপাতালে ৮০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী-দৈনিক ইত্তেফাক
- স্বপ্নের ইউরোপ পৌঁছাতে আর কত লাশ ভাসবে সাগরে?-দৈনিক মানবজমিন
- ১৭৩ হজযাত্রীর ফ্লাইট আজ ভিসা ও বাড়ি ভাড়া হয়নি-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- চিঠির লড়াই! অপর্ণাদের স্বঘোষিত অভিভাবক বলে তোপ, পাল্টা খোলা চিঠি ৬১ বিশিষ্ট জনের-দৈনিক আনন্দবাজার
- নির্বাচনী খরচে দুর্নীতি নিয়ে সরব মমতা! সর্বদল বৈঠকের দাবিতে চিঠি মোদিকে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- মোদির রাজ্যেই ঘুষখোর সরকারি আধিকারিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবরের দিকে নজর দেব।
ক্ষতি বাড়ছে, বাঁধ নিয়ে ভয়-দৈনিক প্রথম আলো
বন্যার সময়কাল দীর্ঘ হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে। ইতিমধ্যে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা ১০৪-এ পৌঁছেছে। আর বন্যায় আক্রান্ত ২৮টি জেলায় ৫৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে। বন্যায় আক্রান্ত জেলাগুলোতে ইতিমধ্যে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার বাঁধ আংশিক ও সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দৈনিক দুর্যোগ প্রতিবেদন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবারও জামালপুরে বন্যার পানিতে নৌকা ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও বগুড়ায় নতুন করে অনেক এলাকায় বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি আশপাশের গ্রামগুলোতে ঢুকে পড়েছে। অনেক এলাকায় বাঁধ দুর্বল হয়ে যাওয়ায় আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।বন্যা প্রলম্বিত হওয়ায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকায় দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের ছয়টি জেলায় ভাঙন শুরু হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সময় ভাঙন আরও বাড়বে।
- ২৮ জেলায় বন্যা
- এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১০৪
- আক্রান্ত ৫৩ লাখ মানুষ
- নদীভাঙন এবার বাড়তে পারে
ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী-ঠাঁই নেই হাসপাতালে ৮০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী-দৈনিক ইত্তেফাক
ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। জ্বর হলেই হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করলে ধরা পড়ছে ডেঙ্গু। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এখন আর তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ভর্তি ৮০ ভাগই ডেঙ্গু রোগী। মিনিটে মিনিটে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। মায়েরা আসছে রুগ্ন শিশুকে কোলে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে। হাসপাতালে একটাও সিট খালি নেই! কী মর্মান্তিক পরিস্থিতি। রোগীর জায়গা না হলে কী হবে অ্যাডিস মশারা ঠিকই রয়েছে হাসপাতালে।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শকে গিয়ে ইতিমধ্যে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হাসি সমাদ্দার (১৮) মারা গেছেন। ডেঙ্গুর এমন ভয়াবহ প্রকোপ নিয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে লন্ডন সফরে থাকলেও তিনি প্রায় প্রতিদিন টেলিফোনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে পরিস্থিতি জানতে চাচ্ছেন।
রাজধানীতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তানিয়া সুলতানা নামে আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
আর দৈনিক মানবজমিনের খবরের শিরোনাম এরকম যে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৭ ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের ভিড় ঠাঁই নেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। দৈনিক যুগান্তরের একটি খবরের শিরোনাম- ডেঙ্গু নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা না বলার পরামর্শ কাদেরের।
স্বপ্নের ইউরোপ পৌঁছাতে আর কত লাশ ভাসবে সাগরে?-দৈনিক মানবজমিন
ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে, উদ্ধার করা হয়েছে আরো অন্তত দেড়শত জনকে। স্বপ্নের ইউরোপ পৌঁছাতে আর কত অভিবাসীর লাশ ভাসবে সাগরে? বৃহস্পতিবার লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির ১২০ কিলোমিটার দূরের আল খোমস থেকে নৌকাটি ছেড়ে এসেছিল বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। ইতিমধ্যে বৃহস্পতিবারের নৌকাডুবির ঘটনাকে ভূমধ্যসাগরে সবচেয়ে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। ইউএনএইচসিআরের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালের প্রথম চার মাসে লিবিয়া থেকে ইউরোপ যাওয়ার পথে ১৬৪ জন মানুষ সমুদ্রে প্রাণ হারান। ২০১৫ সালের ২৭ আগস্টে সমুদ্রপথে লিবিয়া যাওয়ার পথে ২৪জন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসী প্রত্যাশীদের মধ্যে ১১৮ জনের মৃত্যু হয়। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭ হাজার ২১৫ জন বাংলাদেশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ১১ হাজার ৭১৫ জনের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে লিবিয়া থেকে ইটালি যাওয়ার পথে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে প্রায় ১৬হাজার শরণার্থী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছেন।
কারাগারে যেভাবে দিন কাটছে মিন্নির-দৈনিক যুগান্তর
বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি রিমান্ড শেষে রয়েছেন কারাগারে। গত ১৯ জুলাই রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর থেকে তাকে বরগুনা জেলা কারাগারে রাখা হয়।
বরগুনা জেলা কারাগারের নারী ওয়ার্ডে বর্তমানে মিন্নিসহ ১৫ জন বন্দি আছেন। রিফাত হত্যা মামলার আরও ১৩ আসামি এ কারাগারের বিভিন্ন সেলে রয়েছে। আলাদা আলাদা রাখা হলেও দিনের বেলায় তাদের দেখা হয়। এ নিয়ে কিছুটা বিব্রত মিন্নি। চোখের সামনে যারা স্বামীকে কুপিয়ে খুন করল তারাই এখন চোখের সামনে ঘুর ঘুর করছে। শুধু তাই নয়, এসব আসামির সঙ্গে তাকেই কিনা থাকতে হচ্ছে একই কারাগারে। বিষয়টি ভীষণভাবে কষ্ট দিচ্ছে মিন্নিকে। কারাগারে মিন্নির সঙ্গে দেখা করেছেন তার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। তিনি জানান, জেলহাজতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মিন্নি। তার দিন কাটছে অনেক কষ্টে। গ্রেফতারের পর তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হয়েছে জোর করে।
কারাসূত্রে জানা গেছে, কারাগারে মিন্নির দিন কাটছে বিষণ্ণ। সারাক্ষণ বিষণ্ণ মনে বসে থাকেন। তাকে অনেক হতাশাগ্রস্তও দেখা গেছে। বেশিরভাগ সময় তিনি চুপচাপ থাকছেন।
দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম-রিফাত হত্যা: ধোঁয়াশায় কেটে গেল এক মাস
বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের এক মাস পূর্ণ হলো আজ। গত ২৬ জুন সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রাস্তায় ফেলে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করেন নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীসহ তাদের সহযোগীরা। এ সময় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তি করেও স্বামীকে শেষ রক্ষা করতে পারেননি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান রিফাত শরীফ।
প্রকাশ্যে একজন যুবককে হত্যার এমন ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয় দেশব্যাপী। এ নৃশংসতা নাড়া দেয় সবাইকে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি ওঠে সব মহলে।
এ হত্যাকাণ্ডের ৩০ দিন কেটে গেলেও ধোঁয়াশা কাটেনি। হত্যার নেপথ্য কারণ এখনও উদ্ঘাটিত হয়নি। একেকবার একেক দিকে মোড় নিচ্ছে। মামলার বেশিরভাগ আসামি ধরা পড়লেও মামলার অগ্রগতি খুব একটা দৃশ্যমান হচ্ছে না।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
চিঠির লড়াই! অপর্ণাদের স্বঘোষিত অভিভাবক বলে তোপ, পাল্টা খোলা চিঠি ৬১ বিশিষ্ট জনের-দৈনিক আনন্দবাজার
অপর্ণা সেন, শ্যাম বেনেগাল ও রামচন্দ্র গুহ-সহ ৪৯ জন বিদ্বজ্জনের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা খোলা চিঠির বিরুদ্ধে এ বার তোপ দাগলেন কঙ্গনা রানাউত, প্রসূন জোশী ও সোনাল মানসিংহ-সহ ৬১ জন। তাঁরা প্রশ্ন তুললেন, ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি দেওয়ার ‘অপরাধে’ যখন কাউকে জেলে পোরা হচ্ছে, কাউকে খুন করা হচ্ছে, তখন কেন মুখে কুলুপ এঁটে থাকেন ওই বিদ্বজ্জনরা? কেন তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে গত বছরের পঞ্চায়েত ভোটে অভূতপূর্ব হিংসার ঘটনার পরেও মুখ খোলেননি? কেন তাঁরা কিছু বলেননি পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা ভোটে হিংসার প্রেক্ষিতে? অপর্ণা, বেনেগাল-সহ ৪৯ জন বুদ্ধিজীবী গত ২৩ জুলাই খোলা চিঠি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁদের ‘স্বঘোষিত অভিভাবক’ বলেছেন এ দিনের চিঠিতে সই করা ৬১ জন বিশিষ্ট জন।
শুক্রবার যে খোলা চিঠি লিখেছেন ৬১ জন, তাতে ১২টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে অপর্ণা সেন-সহ বিদ্বজ্জনদের অংশটি মুখ খোলেননি বলে অভিযোগ। সেই ১২টি ঘটনার মধ্যে ৭টি ঘটনাই পশ্চিমবঙ্গের।
মোদির রাজ্যেই ঘুষখোর সরকারি আধিকারিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি-দৈনিক আজকাল
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্যেই সবচেয়ে বেশি ঘুষখোর সরকারি আধিকারিক রয়েছেন। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় এই তথ্যই উঠে এসেছে। একমাস আগেই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি বলেছিলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর সরকার লড়বে। ঘুষখোর অফিসারদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে ব্যবস্থা। গত পাঁচ বছরে ঘুষ নিতে গিয়ে গুজরাটে অন্তত ১১২৭ জন অফিসারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শতাংশের হিসেব যদি ধরা হয়। তাহলে শীর্ষে আমেদাবাদ। এই শহরে ১৪ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১৬১ জন সরকারি আধিকারিককে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক বছরে সর্বোচ্চ গ্রেপ্তারির সংখ্যাতেও এগিয়ে আমেদাবাদ। ২০১৫ সালে ৪৯ জন সরকারি আধিকারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপরই তালিকায় রয়েছে ভদোদরা। সেখানে গ্রেপ্তারির সংখ্যাটা ৮৮। সুরাট আছে তিন নম্বরে। এখানে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে ৮১ জন সরকারি আধিকারিককে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানির বাসস্থান বানসকান্থায় ৫৮ জন সরকারি আধিকারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গান্ধীনগরে সংখ্যাটা ৪৯।
আবার গ্রেপ্তার হওয়া অফিসারদের মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশ প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে গেছেন। বাকিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে গুজরাট সরকার। গত পাঁচ বছরে সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ খাওয়ার অঙ্কটা ৩.২৩ কোটি! কেউ কেউ আবার ২০০০ কিংবা ১৩০০ টাকা ঘুষ নিতে গিয়েও ধরা পড়েছেন।
নির্বাচনী খরচে দুর্নীতি নিয়ে সরব মমতা! সর্বদল বৈঠকের দাবিতে চিঠি মোদিকে-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
কয়েকদিন আগে শহিদ দিবসের মঞ্চ বিষয়টি নিয়ে তোপ দেগেছিলেন। এবার সোজাসুজি প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনী খরচের বাহুল্য নিয়ে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার পাঠানো এই চিঠিতে নির্বাচনী সংস্কার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং অপরাধের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে পদক্ষেপ নেওয়ার আরজি জানান।এর জন্য সর্বদল বৈঠক ডাকুক কেন্দ্রীয় সরকার, এমনই দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি রুখতে ৬৫টি দেশের মতো নিয়ম চালুর উপরও জোর দেন তিনি।#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৬