প্রশ্নবিদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ, চাকরি হারাচ্ছেন আড়াই হাজার কর্মচারী
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: রেডিও তেহরানের প্রাত্যহিক আয়োজন কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ ৩০ আগস্ট শুক্রবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।
বাংলাদেশের শিরোনাম
- ঢাকায় চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী-দৈনিক প্রথম আলো
- সরকার বিরোধীকণ্ঠ রোধ করতে গুমকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে: মির্জা ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
- ময়মনসিংহে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা-দৈনিক মানবজিমন
- প্রশ্নবিদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ, চাকরি হারাচ্ছেন আড়াই হাজার কর্মচারী-দৈনিক ইত্তেফাক
- পরিবার সাথে না রাখা ডিসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার-দৈনিক নয়া দিগন্ত
ভারতের শিরোনাম:
- বর্ধমানের খাগড়াগড়-কাণ্ডে আজ ১৯ জনের সাজা ঘোষণা-দৈনিক আনন্দবাজার
- মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও বিজেপির দরজা খোলা’, বিধানসভায় এসে মমতাকে খোঁচা মুকুলের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
- কাশ্মীর নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকা, সাফ জানিয়ে দেওয়া হল বিবৃতি দিয়ে-দৈনিক আজকাল
পাঠক/শ্রোতা ! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশের কয়েকটি খবরের দিকে নজর দেব।
সরকার বিরোধীকণ্ঠ রোধ করতে গুমকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে: মির্জা ফখরুল-দৈনিক যুগান্তর
গুম অপশাসনের নমুনা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বিরোধী দল শূন্য একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে গুমকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। শুক্রবার ‘আন্তর্জাতিক গুম দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি তাদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আর দৈনিক প্রথম আলোতে লেখা হয়েছে, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর দাবি-সরকার গুমকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২০৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী করতে গুমকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
এদিকে বিএনপি সম্পর্কে সরকারি দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ তার ভাষায় বলেছেন, বিএনপিকে এখন আর কোনো রাজনৈতিক দল বলা যায় না। এটি একটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম। স্বাধীনতাবিরোধী, অশুভ শক্তি দুর্নীতিবাজ শক্তির একটি প্লাটফর্ম বিএনপি। এই প্লাটফর্মে থেকে তাদের লক্ষ্য একটিই- সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করা। যুগান্তরে খবরটি পরিবেশিত হয়েছে।
দৈনিকটির অন্য একটি খবরে লেখা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বিএনপি চায় না রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফেরত যাক।
প্রশ্নবিদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ, চাকরি হারাচ্ছেন আড়াই হাজার কর্মচারী-দৈনিক ইত্তেফাক
কয়েক হাজার সরকারি কর্মচারী চাকরি হারাতে পারেন। আপাতত এ সংখ্যা কমবেশি ২ হাজার ৫০০ হতে পারে। যেকোনো সময় তারা পৃথকভাবে চাকরিচ্যুত হতে পারেন। প্রথম থেকে ৪র্থ শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রয়েছেন এ তালিকায়। হুমকির মধ্যে থাকা চাকরিজীবীরা মূলত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়েছেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, যে সনদ তারা জমা দিয়েছেন তা প্রশ্নবিদ্ধ বা সঠিক নয়।
ঢাকায় চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী-দৈনিক প্রথম আলো
রাজধানীর শ্যামলীতে চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের একজন ফাহিম আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর এক বন্ধু প্রথম আলোকে বলেন, খণ্ডকালীন চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে গত মঙ্গলবার তাঁর বন্ধু শ্যামলীর একটি অফিসে গিয়েছিলেন। তাঁকে বলা হয়েছিল, যে প্রতিষ্ঠানে তিনি যাচ্ছেন, সেটি বিভিন্ন হাসপাতালে টিকা সরবরাহ করে। গত মঙ্গলবার বিকেলে সেখানে পৌঁছানোর পর কোকের সঙ্গে তাঁকে নেশাজাতীয় কিছু খাওয়ানো হয়। এতে ওই ছাত্রী জ্ঞান হারান। পরে তিন–চারজন তাঁকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে, কিছু পরীক্ষা বাকি আছে।
শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ফাহিম আহমেদ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ওষুধ ও টিকা সরবরাহ করে থাকেন। শ্যামলীর যে অফিসে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে সেখান থেকে গতকাল ফাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপর একটি সূত্র বলছে, শ্যামলী ৩ নম্বর সড়কের একটি ভবনের পাঁচতলায় তিনটি কক্ষের একটিতে ফাহিম আহমেদ অফিস খুলেছিলেন। অন্য দুটি কক্ষে তাঁর বোন ও ভাগনি থাকেন। ঘটনার সময় তাঁর বোন বাসায় ছিলেন না। পুলিশ ওই বাসা থেকে মদের বোতল উদ্ধার করেছে।
পুলিশ নাহিদ পাটোয়ারী নামে অপর আসামিকে খুঁজছে। নাহিদ ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর বন্ধু এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তিনিই তাঁকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীর অভিযোগ, পরে নাহিদও তাঁকে ধর্ষণ করেন।
ডেঙ্গু সম্পর্কিত খবরে দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম-ডেঙ্গু চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা: নির্দেশিকা সবাই মানছে না। এ খবরে লেখা হয়েছে, বেসরকারি কিছু হাসপাতাল এখনো জাতীয় নির্দেশিকা মেনে ডেঙ্গুর চিকিৎসা দিচ্ছে না। কিছু হাসপাতাল সরকারি নির্দেশনা মেনে ডেঙ্গু সহায়তা কেন্দ্র খোলেনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। মানজমিন লিখেছে, সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুতে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া কুষ্টিয়ায় একটি গ্রামে ৪০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে ততপর রয়েছে। একটি পরিসংখ্যানে দৈনিকটি লিখেছে, ১ মাসে ৫০ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
পরিবার সাথে না রাখা ডিসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার-দৈনিক নয়া দিগন্ত
যেসব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সাথে কর্মক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্বামী ও সন্তানরা থাকেন না তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তাজুল ইসলাম বলেন, এটা দেখা গেছে যে যেসব জেলায় ডিসিদের সন্তানরা পড়াশোনা করে না সেখানকার স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুণ ও মান তদারকি ও যথাযথভাবে পরিচালনা করা হয় না। তাই জেলা প্রশাসকদের সাথে যাতে পরিবার থাকে তা সরকার নিশ্চিত করতে চায় বলে জানান মন্ত্রী।
এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি
বাদ পড়ার উৎকণ্ঠায় ৪১ লাখ অসমবাসী, কাল প্রকাশিত হচ্ছে চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি-দৈনিক আনন্দবাজার
১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশ) ময়মনসিংহ থেকে মাত্র সাত বছর বয়সে বাবার হাত ধরে অসমে পালিয়ে এসেছিলেন দুলাল দাস। বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, চোখের সামনে প্রিয়জনের হত্যালীলার দুঃস্বপ্ন পিছনে ফেলেও ভিনদেশে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন। কিন্তু আবার যেন সেই আতঙ্কে ফের গ্রাস করেছে দুলাল দাস ও তাঁর পরিবারকে। শুধু দুলাল দাসই নয়, তাঁর মতো ৪১ লাখ অসমবাসীর রক্তে বয়ে যাচ্ছে আতঙ্কের শীতল স্রোত। আতঙ্ক রাজ্যহীন, দেশহীন হয়ে যাওয়ার, আতঙ্ক— পাকাপাকি ভাবে ‘বিদেশি’বা ‘উদ্বাস্তু’ অথবা ‘অনুপ্রবেশকারী’ ছাপ পড়ার। আগামিকাল শনিবারই প্রকাশিত হচ্ছে অসম জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি)-র চূড়ান্ত তালিকা।তালিকা প্রকাশের পর নতুন করে বিক্ষোভ-আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠতে পারে অসম। সেই কারণেই গোটা রাজ্যেই কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।সরকারি তরফে তাঁদের সমস্ত রকম সহযোগিতা করা হবে।
কিন্তু এত আশ্বাসের পরও আতঙ্ক কাটছে না লাখ লাখ অসমবাসীর মধ্যে।আশঙ্কা অবশ্য কেন্দ্র এবং অসমের শাসক দল বিজেপির অন্দরেও রয়েছে অন্য কারণে। কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিই যে দলের হাতিয়ার, তাদের শাসনকালেই হিন্দুরা ‘দেশহীন’ হয়ে পড়বেন, এটা পদ্ম শিবিরে কাছে উদ্বেগের তো বটেই, মত পর্যবেক্ষকদের। ইতিমধ্যেই অসমের অনেক বিজেপি নেতা সেই আশঙ্কা-উদ্বেগের কথা প্রকাশ্যে বলেওছেন।
কাশ্মীর নিয়ে উদ্বিগ্ন আমেরিকা, সাফ জানিয়ে দেওয়া হল বিবৃতি দিয়ে-দৈনিক আজকাল
ফ্রান্সে জি–৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলে এসেছেন কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কোনও দেশকে তিনি মধ্যস্থতার জন্য কষ্ট দিতে চান না। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ভালভাবে নেয়নি আমেরিকা। তাই তারা শুক্রবার এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, জম্মু–কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে তারা খুবই উদ্বিগ্ন।
এই বিবৃতির মধ্য দিয়ে বুঝিয়ে দেওযা হয়েছে, জম্মু–কাশ্মীরের বিষয়ে তারা নিজেদের পর্যবেক্ষণ জারি রাখবে এবং মতামত দিতে থাকবে। ভারতের পছন্দ না হলেও তা হজম করতে হবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
মুখ্যমন্ত্রীর জন্যও বিজেপির দরজা খোলা’, বিধানসভায় এসে মমতাকে খোঁচা মুকুলের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
দু’বছর পর বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়৷ কটাক্ষের সুরে জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিতে আসতে চাইলে, তাঁকেও স্বাগত৷ বিজেপি একটা সমুদ্র, এখানে অনেকেই স্নান করতে চাইছে৷ তবে সেক্ষেত্রে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বিজেপির নীতি-আদর্শ মেনেই কাজ করতে হবে৷
শুক্রবার দুপুরের বর্ষাকালীন অধিবেশন চলার সময় বিধানসভায় ঢোকেন মুকুল রায়৷ দু’বছর পর বিধানসভায় এসে পুরনো পরিচিতদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন তিনি৷ সকলের খোঁজ খবর নেন৷ এরপরই তিনি সোজা চলে যান বিজেপির বিধায়কদের পরিষদীয় দলের ঘরে৷ সেখানে উপস্থিত দলের বিধায়কদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন৷ একদিকে যখন বিধানসভায় এসেছেন মুকুল রায়, ঠিক তখনই অধিবেশন কক্ষে গণপিটুনি বিলের উপর বক্তব্য রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তা জানতে পেরেই গণপিটুনি রোখার পক্ষে সওয়াল করেন বিজেপি নেতা৷ গণপিটুনির মতো ঘটনা বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে জানান তিনি৷#
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৩০