'রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দ্বন্দ্বে বিতর্ক যৌক্তিক, ব্যক্তিগত আক্রমণ কাম্য নয়'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i115186-'রাজনৈতিক_প্রতিপক্ষের_দ্বন্দ্বে_বিতর্ক_যৌক্তিক_ব্যক্তিগত_আক্রমণ_কাম্য_নয়'
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কলুষতা, প্রতিহিংসা ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার মতো ঘৃণ্যতম ঘটনা বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে প্রতিপক্ষের নেতাদের লক্ষ্য করে অশোভন ভাষার ব্যবহারও। অথচ রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ এ ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি আশা করে না।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
অক্টোবর ৩০, ২০২২ ১৬:১১ Asia/Dhaka

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কলুষতা, প্রতিহিংসা ও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার মতো ঘৃণ্যতম ঘটনা বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে প্রতিপক্ষের নেতাদের লক্ষ্য করে অশোভন ভাষার ব্যবহারও। অথচ রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে দেশের সাধারণ মানুষ এ ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি আশা করে না।

সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এক বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে 'বিশ্ব চোরদের মুখপাত্র' বলে মন্তব্য করেছেন। এরপরেই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।

এ প্রসঙ্গে সিপিবি’র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম রেডিও তেহরানকে বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি ক্রমান্বয়েই নিম্নস্তরে নামছে। রাজনীতিতে ময়লা ছোড়াছুড়ি নিকৃষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছে এখন যা এই নিকট অতীতেও ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ। এজন্য অবশ্য রাজনৈতিক দলগুলোর মূল্যবোধহীন নৈতিকতাকেই দায়ী করছেন এ বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কখনো দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না বলেও মনে করেন সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

রাজনৈতিক ময়দানে একজন আদর্শ নীতিবান রাজনীতিবিদ তার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে, যুক্তির মাধ্যমে শিষ্টাচারের ভেতর থেকে আক্রমণ করে তাকে পরাজিত করার চেষ্টা করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ অযাচিত। এরফলে অনেক নতুন প্রজন্মের মাঝেও রাজনীতি সম্পর্কে বিরুপ ধারনা জন্মাদে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন জনাব সেলিম।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শান্তনু মজুমদার রেডিও তেহরানকে বলেন, সংসদীয় রাজনীতিতে শব্দের কাটাকুটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে হতেই পারে। সেটার জন্য তিনি ততটা উদ্বিগ্ন নন। কিন্তু যখন সেসব শব্দ অশালীন কিংবা শিষ্টাচারের বাইরে যাবে তখন সেটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে মনে করেন এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। কারণ এমনিতেই সাধারণ মানুষের মাঝে আজকাল রাজনীতি সম্পর্কে বিরুপ ধারণাও তৈরি হচ্ছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে। সে অবস্থায় যুক্তি তর্কের বিবাদ হতেই পারে। কিছু ডাবলিং মিনিং শব্দ বা বক্র শব্দ রাজনীতিতে ব্যবহার হয়েই থাকে। কিন্তু কোনোভাবেই ব্যক্তিগত আক্রমণ কাঙ্ক্ষিত নয়, এমনটাই মত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. শান্তনু মজুমদারের। #

পার্সটুডে/নিলয় রহমান/আশরাফুর রহমান/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।