'আগামী কয়েক বছরে রেডিও তেহরান জনপ্রিয়তার ইতিহাস রচনা করবে'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i120132-'আগামী_কয়েক_বছরে_রেডিও_তেহরান_জনপ্রিয়তার_ইতিহাস_রচনা_করবে'
প্রিয় মহোদয়, আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানবেন। আমি রেডিও তেহরানের একজন নিয়মিত শ্রোতা। বাংলাদেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেতারের অনুষ্ঠান নিয়মিত শুনি। মূলত বাংলাদেশ ও বিশ্বের চলতি ঘটনাবলী জানার জন্য, তরতাজা ও সর্বশেষ তথ্য পাওয়ার জন্য রেডিও শুনি।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩ ১৩:২৭ Asia/Dhaka
  • 'আগামী কয়েক বছরে রেডিও তেহরান জনপ্রিয়তার ইতিহাস রচনা করবে'

প্রিয় মহোদয়, আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানবেন। আমি রেডিও তেহরানের একজন নিয়মিত শ্রোতা। বাংলাদেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেতারের অনুষ্ঠান নিয়মিত শুনি। মূলত বাংলাদেশ ও বিশ্বের চলতি ঘটনাবলী জানার জন্য, তরতাজা ও সর্বশেষ তথ্য পাওয়ার জন্য রেডিও শুনি।

উল্লেখ্য যে, আন্তর্জাতিক যেসব বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনি তার মধ্যে রেডিও তেহরান অন্যতম। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ থেকে প্রচারিত প্রতিটি অনুষ্ঠানই মানসম্পন্ন ও তথ্যবহুল; সংবাদগুলো নিরপেক্ষ ও সহজবোধ্য। আর সে কারণে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বেতার কেন্দ্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে রেডিও তেহরানের শ্রোতা সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

গত কয়েক বছর ধরে রেডিও তেহরান যেভাবে শ্রোতাদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করছে, তাতে আগামী কয়েক বছরে রেডিও তেহরান জনপ্রিয়তার ইতিহাস রচনা করবে বলেই বিশ্বাস করি। চমৎকার সব অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রেডিও তেহরান শ্রোতাদের সাথে ইন্টারেকশন স্থাপন করে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।  

এরকম মহতী পরিকল্পনার জন্য রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ জানাই। ধন্যবাদ জানাই আজকের (১৬/০২/২০২৩, বৃহস্পতিবার) প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলোর জন্যও। আজ রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ থেকে যেসব অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়েছে সেগুলো হল- বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, রংধনু আসর ও কথাবার্তা। তন্মধ্যে রংধনু আসর ছিল অনন্য। এ অনুষ্ঠানটি শিশু কিশোরদের জন্য তৈরি করা হলেও বড়দেরও এটি খুব ভালো লাগে। ফলে ছোট-বড় সকল শ্রেণির শ্রোতারা নিয়মিত রংধনু শুনেন।

আজকের (১৬/০২/২০২৩, বৃহস্পতিবার) রংধনু আসরের উপস্থাপনায় ছিলেন গাজি আবদুর রশিদ ও আকতার জাহান। অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা ও প্রযোজনা করেছেন আশরাফুর রহমান। 

রংধনু আসরের শুরুতেই মাওলানা রুমী’র সুবিখ্যাত গ্রন্থ 'মসনবী' থেকে ‘ওস্তাদের অসুখ’ শিরোনামের গল্পটি উপস্থাপন করা হয়। অত্যন্ত মজাদার ও শিক্ষণীয় গল্পটির জন্য ধন্যবাদ জানাই। কেননা এ গল্প থেকে আমরা একদিকে যেমন আনন্দ পেয়েছি, তেমনি অন্যদিকে তখনকার শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কেও জানতে পেরেছি।

অনেকদিন আগের কথা। তখনকার দিনে ছেলে-মেয়েরা মক্তবে ওস্তাদের কাছে লেখাপড়া শিখত। ছাত্র-ছাত্রীরা ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি পড়াশোনা করত। তারা বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসত। আর শুক্রবার ছিল তাদের ছুটির দিন। কোন কারণে পর পর দুদিন ছুটি থাকলে শিক্ষার্থীরা খুব খুশিহত।

ঐ গ্রামে ছিল দুটি মক্তব। একটি পীরের মক্তব আর অপরটি মোল্লার মক্তব। এরপর দু’ ওস্তাদের অসুখ ও দু’ মক্তবের ছাত্রদের কথা বলা হল। মোল্লা ওস্তাদের ছাত্রদের দুষ্টুমি দেখে হাসিই পেল। এসময় নিজেদের ছোটবেলার কিছু দুষ্টুমির কথাও মনে পড়ে গেল।

গল্পের পর প্রচারিত হয় ছোট্ট বন্ধু আদিবা রেজওয়ানার সাক্ষাৎকার। আদিবার সাক্ষাৎকার আমাদের খুব ভালো লেগেছে। ভালো লেগেছে ওর ছড়া। চমৎকার একটি রংধনুর আসর উপহার দেয়া আশরাফুর রহমান ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। 

 

ধন্যবাদান্তে, 

মোঃ শাহাদত হোসেন

সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ

গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ- ২৩০০, বাংলাদেশ।  

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।