রেজা–নূর দ্বন্দ্বে সুযোগ সন্ধানীরা ফায়দা নিতে পারে : কমরেড সাইফুল হক
গণঅধিকার পরিষদের দুই নেতার দ্বন্দ্ব ও তারুণ্য নির্ভর রাজনীতির ভবিষ্যত
নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে সমঝোতার পথে যাচ্ছে গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নুর। আর দলটির শীর্ষ দুই নেতার সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত নিজ-নিজ দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকতে মতামত দিয়েছে তদন্ত কমিটি। একইসঙ্গে তাদেরকে নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি না করতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, রেজা কিবরিয়াকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া যেমন গঠনতন্ত্র মোতাবেক হয়নি। তেমনি নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া গঠনতন্ত্র মোতাবেক হয়নি। তাই উভয়ই স্ব-স্ব পদে বহাল আছে বলেও মনে করে তদন্ত কমিটি। ফলে, দলের গঠনতন্ত্র মোতাবেক গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক পদে আছেন রেজা কিবরিয়া। আর সদস্য সচিব পদে নুরুল হক নুর।
গেল ক’দিনে তাদের দ্বন্দ্ব ছিল আলোচনার শীর্ষ। প্রশ্ন ছিল বাইরে থেকে কারো কোন ইন্ধন আছে কিনা এর মধ্যে। অবশ্যই ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও এখন গভীর সংকটে 'বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ'। ১০১জন সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির আহবায়ক ও সদস্য সচিব অবস্থান করছেন দুই মেরুতে। ড. রেজা কিবরিয়াকে আহ্বায়ক করে পথ চলতে শুরু করেই ভাঙ্গনের মুখে বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ'। প্রতিষ্ঠার এত দিনেও মূল কমিটি করতে পারেনি তারা। বিষয়টি নিয়ে খানিকটা বিব্রত নুরুল হক নূরও।
তবে সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগসাজশ ও প্রবাসী অধিকারের নামে সংগৃহীত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন আহবায়ক ড. রেজা কিবরিয়া। এ বিষয়ে বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদ সদস্য সচিব বলেছেন এটা আসলে রাজনৈতিক অপরিপক্বতার ফল।
সংকটময় পরিস্থিতি দেখিয়ে মুহাম্মদ রাশেদ খান কে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া আর দুই প্রধান নেতার দ্বন্দ্ব নিয়েও খানিকটা বিব্রত মুহাম্মদ রাশেদ খান।
এবিষয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক মনে করেন এর ফলে, তরুণ নির্ভর রাজনীতির ভবিষ্যৎ খানিকটা হোঁচট খেলো । তবে বিদেশী কিংবা দেশী কোন সুবিধা ভোগীরা এ থেকে ভিন্ন ফায়দা খুঁজবে কিনা সেই প্রশ্নও থেকে যায় বলেই মনে করেন তিনি।#
পার্সটুডে/বাদশাহ রহমান/ ২২
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।