মিয়ানমারে সহিংসতার অভিযোগে বাংলাদেশে বৌদ্ধ নেতা আটক
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i47873-মিয়ানমারে_সহিংসতার_অভিযোগে_বাংলাদেশে_বৌদ্ধ_নেতা_আটক
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে ঢাকায় একজন বৌদ্ধ নেতাকে আটক করেছে বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব। সহিংসতা কবলিত রাখাইন রাজ্যে ওই বৌদ্ধ নেতার একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ২৬, ২০১৭ ০৯:০৬ Asia/Dhaka
  • রোহিঙ্গা শিশু
    রোহিঙ্গা শিশু

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে ঢাকায় একজন বৌদ্ধ নেতাকে আটক করেছে বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব। সহিংসতা কবলিত রাখাইন রাজ্যে ওই বৌদ্ধ নেতার একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়।

বাংলাদেশের পুলিশ জানিয়েছে, ৬৭ বছর বয়সী বৌদ্ধ নেতা উ চিট মং-কে মিয়ানমারগামী ফ্লাইটে ওঠার সময় আটক করা হয়। ইরানের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভি এ খবর দিয়েছে।

পুলিশ বলছে, রাখাইন ডেভলপমেন্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান হচ্ছেন উ চিট এবং তার ল্যাপটপে সন্দেহজনক কিছু ছবি পাওয়া গেছে। বিমানবন্দর পুলিশের প্রধান নূরে আজম মিয়া জানিয়েছেন, “সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযোগে র‍্যাব গত সপ্তাহে উ চিটকে বিমানবন্দর থেকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে।”

রাখাইন থেকে উদ্বাস্তু হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গারা

উ চিট মংয়ের বোন আয়েথিন রাখাইং দাবি করেছেন, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা; তার ভাই নির্দোষ। তিনি আরো দাবি করেন, “আমার ভাই রাখাইনে বৌদ্ধ ও মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করছেন; তিনি শান্তির জন্য কাজ করছেন।” রাখাইং হচ্ছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য।

উ চিট মংয়ের স্ত্রী ম্রা রাজা লিন মিয়ানমারে বসবাস করেন। তিনি একসময় শীর্ষ পর্যায়ের বিদ্রোহী নেত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে মিয়ানমারে শান্তিকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির সঙ্গে তার পরিচয় রয়েছে। উ চিটের এক আত্মীয় এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, রাখাইনের একটি নারী সংগঠনের সভানেত্রী হচ্ছেন ম্রা রাজা লিন এবং তিনি আরাকান লিবারেশন পার্টি বা এএলপি’র নামকরা সদস্য। লিন একজন গেরিলা নেত্রী হিসেবেও কাজ করেন।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এএলপি রোহিঙ্গা-বিরোধী সংগঠন হিসেবে কাজ করছে। গত প্রায় দুই মাসে রাখাইনে মিয়ানমারের সেনা ও উগ্র বৌদ্ধদের হত্যা-নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচার জন্য ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। উগ্র বৌদ্ধদের হাতে মারা গেছে বহু রোহিঙ্গা মুসলমান।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/২৬