জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না: আওয়ামী লীগের প্রতি মোশাররফ
-
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, "আন্দোলন আমাদের ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করবে না। সময় আসছে; জনগণ আর আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকবে না। নিজেরাই রাস্তায় নেমে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেবে। সরকার তখন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে।"
আজ (শনিবার) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে যে নির্বাচনের পরিকল্পনা করছে জনগণ তা মেনে নেবে না। জনগণের সঙ্গে বারবার প্রতারণা করা যায় না। আওয়ামী লীগ আবারো যদি ২০১৪ সালের পথে হাঁটে তবে জনগণ তা রোধ করবে।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, যারা মনে করছেন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে ক্ষমতায় টিকে থাকবেন তা ভুলে যান। জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ‘বেগম জিয়াকে হাইকোর্ট জামিন দিল, আপিল বিভাগও জামিন দিল। কিন্তু অন্য মামলাগুলো নিয়ে যেভাবে পরিকল্পনা করছে সরকার সেটিই বাস্তবায়ন করছে। যদি খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখে নির্বাচন করতে চায় সে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।’
সা্বেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বৈরাচারী সরকারের কবল থেকে মুক্তি পেতে হলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হবে। আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো বলছে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হবে। আর খালেদা জিয়া এবং বিএনপি যদি অংশ না নেয় সেটা কখনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে না।’
এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর এক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। আগে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে, পরে জাতীয় নির্বাচন।’
শুক্রবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসামে বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বেগম জিয়াকে মুক্ত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আগে আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করুন। আগামী নির্বাচনে আপনাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে।’#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৯