খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি মামাবাড়ির আবদার: ওবায়দুল কাদের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i58808-খালেদা_জিয়ার_মুক্তি_দাবি_মামাবাড়ির_আবদার_ওবায়দুল_কাদের
বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিকে ‘মামাবাড়ির আবদার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
জুন ১১, ২০১৮ ১৯:৩৮ Asia/Dhaka
  • ওবায়দুল কাদের
    ওবায়দুল কাদের

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিকে ‘মামাবাড়ির আবদার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা নির্বাচনের জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির শর্ত দিচ্ছে। সরকারের কাছে শর্ত দিয়ে লাভ নেই। সরকার তাকে জেলে নেয়নি, সরকার খালেদা জিয়াকে দণ্ড দেয়নি। সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারে না। আদালতে যান। আদালতের সিদ্ধান্তই হচ্ছে তার মুক্তির সম্পর্কে শেষ কথা। এখানে সরকারের কোনো করণীয় নেই। সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি মামাবাড়ির আবদার। এই আবদারটা না করলেই ভালো।

উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো সংক্রান্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বক্তব্যের সূত্র ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, এই দাবিটা বিএনপি করুক। যদি জেলকোড অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর প্রয়োজন হয় সেটা বিবেচনা করবে ‘সময়’।

বেগম খালেদা জিয়া

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, লন্ডনে তারেক জিয়ার সঙ্গে মির্জা ফখরুলের বৈঠক খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। তার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে জেনারেল সেক্রেটারি বৈঠক করবে এটাই স্বাভাবিক। এটা নিয়ে মন্তব্য নেই। মন্তব্য হচ্ছে, দণ্ডপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলাপ করা এবং এই ধরনের রাজনীতি কি গণতন্ত্রে সংগত? দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কি কোনো দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে পারেন? এটাই হলো আমাদের প্রশ্ন?

দলের নেতাদের যে কোনো বিষয়ে ফ্রি-স্টাইলে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, নির্বাচন কৌশলগত বিষয়। আমাদের জোটের রাজনীতিরও কৌশল আছে। কাজেই নেতাদের প্রতি অনুরোধ, সব বিষয়ে ফ্রি-স্টাইল কথা বলবেন না। দলের নীতি-কৌশল, জোট গঠন এই সব নিয়ে ফ্রি-স্টাইল কথা বলা দলের জন্য শুভ নয়। আমাদের এক ভয়েস, এক টোনে কথা বলতে হবে। সব বিষয়ে সবার কথা বলার প্রয়োজন নেই। যারা যে বিষয়ে কথা বলার, সেই পর্যন্ত বলবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।# 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১২