রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে ঢাকায় জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i59727-রোহিঙ্গা_পরিস্থিতি_দেখতে_ঢাকায়_জাতিসংঘ_মহাসচিব_ও_বিশ্ব_ব্যাংক_প্রেসিডেন্ট
নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করতে ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুলাই ০১, ২০১৮ ০৮:২০ Asia/Dhaka
  • বিমানবন্দরে জাতিসংঘ মহাসচিব
    বিমানবন্দরে জাতিসংঘ মহাসচিব

নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করতে ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।

শনিবার দিবাগত রাত ২টার পর কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান। পরে সাংবাদিককে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ‘আমি এখানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ও অত্যন্ত বিনয়ী বাংলাদেশি জনগণের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে এসেছি।’ তিনি বলেন,  ‘বাংলাদেশিরা বিশেষ করে কক্সবাজারের স্থানীয়রা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অত্যন্ত সহৃদয়পূর্ণ আচরণ করেছেন।’

বিমানবন্দর থেকে র‌্যাডিসন হোটেলে যান আন্তোনিও গুতেরেস। দুই দিনের বাংলাদেশ সফরে এই হোটেলেই থাকবেন তিনি।

তার আগে বিকেলে ঢাকা পৌঁছান বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। তিনিও র‌্যাডিসন হোটেলে উঠেছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ও বিশ্ব ব্যাংক প্রধান সোমবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। 

বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট

গুতেরেস এর আগেও ইউএনএইচসিআরের শীর্ষ পদে থাকা অবস্থায় ২০০৮ সালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে এসেছিলেন। জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশে এটাই তার প্রথম সফর। তবে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম দুই বছর আগেই একবার বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে আসা চার লাখের মতো রোহিঙ্গা গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। গতবছর ২৫ আগস্ট রাখাইনে নতুন করে দমন অভিযান শুরুর পর রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে আরও প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা।

রোহিঙ্গা শরণার্থী

জাতিসংঘ ওই অভিযানকে ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বলে আসছে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলে আসছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা শরণার্থীরা যাতে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং সম্মানের সঙ্গে নিজেদের দেশে ফিরে যেতে পারে এবং এই প্রত্যাবাসন যাতে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে হয়, তা নিশ্চিত করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে মিয়ানমারকে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১