বাংলাদেশ বিশ্বে যে মর্যাদার আসন পেয়েছে তা ধরে রাখতে হবে: শেখ হাসিনা
-
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশে গড়ার পরিকল্পনা এখন থেকেই হাতে নিতে ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ (বুধবার) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, সব জঞ্জাল সাফ করেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যত বাধাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করা হবে। এ জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা ও পরিকল্পনা নেয়ার মতো চিন্তাভাবনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বাংলাদেশ বিশ্বে যে মর্যাদার আসন পেয়েছে তাকে ধরে রাখতে হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দক্ষতার সঙ্গে এমডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখায় সরকারি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। একইভাবে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ও সরকারের নেয়া উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "২০০১-এ ক্ষমতায় আসতে পারলাম না, তখন অর্জনগুলো কীভাবে ধ্বংস হয়ে যায়, সেটা আমরা নিজের চোখে দেখেছি। কাজেই তার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তার জন্য যত দ্রুত স্থায়ী উন্নতি করা যেতে পারে, সে প্রচেষ্টাই আমরা চালাই। আর সেটা করার জন্য কী কী ধরনের কাজ করতে পারি, আমরা কী কী করলে ভালো হবে, সেগুলো লক্ষ্য রেখেই কিন্তু আমরা এই যে বার্ষিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে সেটাকে বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি সম্পাদন করার দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিই।"
'এমপিওভুক্তি কার্যক্রম দ্রুত গ্রহণ করা হবে'
এদিকে, জাতীয় জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করার জন্য ইতোমধ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) বিষয়ে দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে অনলাইন অ্যাপলিকেশন গ্রহণ এবং ব্যবস্থাপনা ও বিধি মতে প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের জন্য পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার প্রশ্নোত্তরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৪