'বর্তমান সরকারের পরিণতি মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্টের চেয়েও খারাপ হবে'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i64608-'বর্তমান_সরকারের_পরিণতি_মালদ্বীপের_সাবেক_প্রেসিডেন্টের_চেয়েও_খারাপ_হবে'
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দীন উমর বলেছেন, যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলেও আওয়ামী লীগের অবস্থা মালদ্বীপের চেয়ে কঠিন হবে। তারা আরও বেশি বিপদের মধ্যে পড়বে। আর আওয়ামী লীগ একবার বিদায় হলে জীবনেও আর ফিরে আসতে পারবে না।
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ ১৩:২৮ Asia/Dhaka
  • জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দীন উমর
    জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দীন উমর

জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ বদরুদ্দীন উমর বলেছেন, যে পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হলেও আওয়ামী লীগের অবস্থা মালদ্বীপের চেয়ে কঠিন হবে। তারা আরও বেশি বিপদের মধ্যে পড়বে। আর আওয়ামী লীগ একবার বিদায় হলে জীবনেও আর ফিরে আসতে পারবে না।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বদরুদ্দীন উমর এ মন্তব্য করেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। সংগঠনটি নির্বাচনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে অস্থায়ী সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির সম্পাদক ফয়জুল হাকিম। তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে এবং সব রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে অস্থায়ী সরকার গঠন করতে হবে।’

সংগঠনটি ওই অস্থায়ী সরকারের কাছে শুধু নির্বাচন আয়োজন করাই নয়, আরও বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে সভা-সমাবেশ ও মিছিল, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। সংবাদপত্রসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের ওপর সরকারি হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সভা–সমাবেশে পুলিশের বাধা প্রদানের আইনগত ক্ষমতা বাতিল করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অস্থায়ী সরকারের ফর্মুলা কী হবে—সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে বদরুদ্দীন উমর ১৯৯০ সালের মতো এ ধরনের সরকার গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ৯০ সালে কীভাবে হয়েছিল? সেটা কি সংবিধানে ছিল?

ওদিকে  জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি এবং সরকারের  তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘যে বিএনপি–জামায়াত এখনো ২০–দলীয় জোটের গাঁটছড়া অটুট রেখে বড় গলায় জামায়াতকে ছাড়বে না বলে কথা বলে, এই বিএনপির সঙ্গে কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরী কীভাবে একমত হয়  এবং তারা এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাসে।  এটা আমাদের বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর হাসি। এই হাসি পাকিস্তানের হাসি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের কাছে হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন। জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঐক্যের পেছনে কত লোক আছে কত লোক নেই, সে বিষয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমি ঐক্য সম্পর্কে সতর্ক এই জন্য যে বাংলাদেশের তাবৎ ষড়যন্ত্রকারী এই ঐক্যে শামিল হয়েছে।’

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন স্কুল মাঠে আয়োজিত এক সভায় সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ড. কামাল হোসেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী মিলে বিএনপিকে ভোটে জিতিয়ে দিতে চান। তাঁরা বিএনপিকে পুঁজি করে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা নিতে নানা নামে ঐক্য করার পাঁয়তারা করছেন। বিএনপির ভরসায় ড. কামাল হোসেন যেভাবে আকাশে উড়াল দিতে চাচ্ছেন, তাঁর এই আকাশে ওড়ার স্বপ্ন আর বাস্তবতার আলো দেখবে না।#

পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার/২৭