বাংলাদেশের ‘নিয়ন্ত্রণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ’ নিয়ে ১৫ আন্তর্জাতিক সংগঠনের উদ্বেগ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i66931-বাংলাদেশের_নিয়ন্ত্রণমূলক_নির্বাচনী_পরিবেশ’_নিয়ে_১৫_আন্তর্জাতিক_সংগঠনের_উদ্বেগ
বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একদিন আগে ‘নিয়ন্ত্রণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে নির্বাচন ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে এমন ১৫টি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮ ১৩:০৮ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশের ‘নিয়ন্ত্রণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ’ নিয়ে ১৫ আন্তর্জাতিক সংগঠনের উদ্বেগ

বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একদিন আগে ‘নিয়ন্ত্রণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে নির্বাচন ও মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে এমন ১৫টি আন্তর্জাতিক সংগঠন।

আজ (শনিবার) ব্যাংককভিত্তিক এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনসহ (অ্যানফ্রেল) ১৫টি সংগঠন বাংলাদেশের ‘অগণতান্ত্রিক নির্বাচনী পরিবেশের বিরুদ্ধে’ শিরোনামে এ বিবৃতি প্রচার করেছে।  বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার দেশের সুশীল সমাজ, বিরোধী দল ও গণমাধ্যমের খড়গহস্ত হয়েছে।’

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, ১০ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচার শুরু হওয়ার পর বিরোধীদের গাড়িবহরে ৩০ বার হামলা হয়েছে। ১৫৯টি আসনে ২০৭টি সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৪৩ প্রার্থী হামলার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এযাবৎ বিরোধী দলের ১৭ প্রার্থী আটক হয়েছেন। নির্বাচনী সহিংসতায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২ হাজার ৬৮২ জন। এসব সহিংসতা বাংলাদেশের ভোটারদের মনে ভীতি সঞ্চারের একটি প্রক্রিয়া। এ কারণে নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনী সহিংসতায় এযাবৎ নিহত ছয়জনকে তাদের কর্মী বলে জানিয়েছে। তবে এই মানবাধিকার সংগঠনের বিবৃতিতে নিহত ব্যক্তিরা কোন দলের, তা উল্লেখ করা হয়নি।

বিবৃতিতে বিরোধী দলগুলোর সূত্র উদ্ধৃত করে বলা হয়, গত নভেম্বর থেকে পুলিশ এযাবৎ তাদের ২১ হাজার কর্মী ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, নির্বাচনী তফসিলের পর দেশে ব্যাপক হারে গায়েবি মামলার সংখ্যা বেড়ে গেছে। বিরোধী জোটের নেতা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার ও ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়, শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেই একটি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয় না; নির্বাচনী পরিবেশের ওপরই বহুলাংশে নির্ভর করে সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচনের আগে সুশীল সমাজের সংগঠনগুলো এবং গণমাধ্যম নানা বিধিনিষেধের মুখে পড়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আনফ্রেলের পর্যবেক্ষক আসার কথা ছিল। কিন্তু ভিসা বিলম্বিত করার কারণে শেষ পর্যন্ত তা বাতিল হয়। তারপরও তারা বাংলাদেশের নির্বাচনের ওপর দৃষ্টি রাখছে।# 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৯

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন