পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বর্জনের নাটক করছে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট: নানক
-
জাহাঙ্গীর কবির নানক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, “পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি-জামায়াত-ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বর্জনের নাটক শুরু করেছে। আসলে তাদের অনেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ভয় থেকেই ভোট বর্জনের ঘৃণ্য খেলা শুরু করেছে। বিএনপি-জামাতের অভ্যাস হলো-জিতলে সঠিক, হারলে নাই।”
আজ (রোববার) দুপুর ২টায় রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “এখন পর্যন্ত বিদেশি পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার অভিমত জানিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জামায়াত-বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পুরোনো কৌশল বাস্তবায়নে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। বাংলাদেশে ভোট ডাকাতির ইতিহাস সৃষ্টিকারী বিএনপি নির্বাচনের পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখলেই ভোট কারচুপির মিথ্যা অভিনয় করে।”
তিনি বলেন, “ড. কামাল হোসেন নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের নামে জনগণের রায় ডাকাতি করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
নানক হুঁশিয়ার করে বলেন, জনরায় ডাকাতির অধিকার কারো নেই। জনগণের রায়কে নিয়ে কাউকে রাজনীতি করতে দেয়া হবে না।
আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, “বিএনপি-জামায়াত একদিকে সন্ত্রাস ও নাশকতা সৃষ্টি করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এবং গণমাধ্যমের সামনে মিথ্যাচার করছে। ইভিএম নিয়ে তারা হাস্যকর অভিযোগ তুলছে।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নানক বলেন, “চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না। স্ব-স্ব কেন্দ্রে অবস্থান জনগণের রায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করুন। জনগণের বিজয় হবেই। নৌকা মার্কার বিপুল জয় হবে। জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গতরাত থেকে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীর হামলায় এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী নিহত হয়েছে। পাশাপাশি ৫৫ জন আহত হয়েছেন, ৬ টি বোমা হামলা হয়েছে, ১০টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে, ৭ প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আহত এবং বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া নোয়াখালী-২ আসনে দায়িত্বরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়েছে, চাঁদপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হাসান জামানের গাড়িতে ভাঙচুর করে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য গোলাম রব্বানী চিনু ও মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ। #
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২০
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন