বাংলাদেশের কাছে সমরাস্ত্র বিক্রি করতে চায় আমেরিকা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i67764-বাংলাদেশের_কাছে_সমরাস্ত্র_বিক্রি_করতে_চায়_আমেরিকা
বাংলাদেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানোর এক সপ্তাহ পর সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করার আগ্রহ প্রকাশ করল ওয়াশিংটন।
(last modified 2026-07-21T05:57:31+00:00 )
জানুয়ারি ৩১, ২০১৯ ২০:২৯ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে এম আবদুল মোমেনের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলার
    বাংলাদেশর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে এম আবদুল মোমেনের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলার

বাংলাদেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানোর এক সপ্তাহ পর সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করার আগ্রহ প্রকাশ করল ওয়াশিংটন।

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলার আজ (বৃহস্পতিবার) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সুশাসন, গণতন্ত্র, মিলিটারি সেলস, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আলোচনা করেছি।’

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘তারা বিষয়টি উত্থাপন করেছেন, আমরা করিনি। তারা বলেছেন, ‘তোমরা তো সামরিক সরঞ্জামাদি ক্রয় করো। এগুলো তোমরা আমাদের কাছ থেকে কিনতে পারো।’ আমি বলেছি, ‘আমাদের কোনও আপত্তি নেই এবং আমরা ওপেন টু অল।’ তবে, আমি এও বলেছি, ‘তোমাদের জিনিসের দাম বেশি এবং আমরা কস্ট-ইফেক্টিভ জিনিস কিনি।’’

নির্বাচন নিয়ে কী আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে বেশি আলাপ হয়নি। কারণ, নির্বাচনের সময়ে তিনি আমার বাড়িতে গিয়ে সিলেট শহর দেখেছেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তাদের বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছি। আমি বলেছি, তোমাদের দেশে যদি কোনও রায় হয়, তবে সেটি তোমরা বাস্তবায়ন করো এবং তেমনিভাবে আমাদের দেশে রায় হয়েছে এবং তোমরা সেলফ কনফেসড খুনিদের ফেরত দাও।’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত এর জবাবে কী বলেছেন, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা আমাদের অনুরোধ তাদের রাজধানীতে পাঠাবে বলে জানিয়েছে।’

বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও পূর্ণ সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন মার্কিন দূত। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ভূয়সী প্রশাংসা করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। আর রোহিঙ্গা ইস্যুতে চলমান রাজনৈতিক সমর্থনের জন্য মার্কিন সরকারের প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আব্দুল মোমেন বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর মিয়ানমারের ওপর কার্যকর চাপ প্রয়োগ করা উচিত যাতে রাখাইনে সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

রাখাইনের মধ্যে সেফ জোন গড়ে তোলার বিষয়টিও পুনরায় তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে মার্কিন দূতকে অবহিত করেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৩১