ঢাকাকে হারিয়ে কুমিল্লা চ্যাম্পিয়ন: তামিম ম্যাচসেরা, সাকিব টুর্নামেন্টসেরা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i67964-ঢাকাকে_হারিয়ে_কুমিল্লা_চ্যাম্পিয়ন_তামিম_ম্যাচসেরা_সাকিব_টুর্নামেন্টসেরা
ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ রানে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের শিরোপা জিতল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তামিম ইকবালের ৬১ বলে অপরাজিত ১৪১ রানের ঝকঝকে ইনিংসের সুবাদেই দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল ইমরুল কায়েসের দল।
(last modified 2026-05-09T13:18:37+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০১৯ ২০:১৬ Asia/Dhaka
  • চ্যাম্পিয়ন দলের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
    চ্যাম্পিয়ন দলের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

ঢাকা ডায়নামাইটসকে ১৭ রানে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের শিরোপা জিতল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তামিম ইকবালের ৬১ বলে অপরাজিত ১৪১ রানের ঝকঝকে ইনিংসের সুবাদেই দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল ইমরুল কায়েসের দল।

আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার দলপতি সাকিব আল হাসান। ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লা তোলে ১৯৯ রান। জবাবে ঢাকা ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৮২ রান।

২০০ রানের টার্গেটে ওপেনিংয়ে নামেন ঢাকার ক্যারিবীয়ান তারকা সুনীল নারাইন এবং লঙ্কান তারকা উপুল থারাঙ্গা। প্রথম ওভারেই রানআউট হয়ে ফেরেন নারাইন। এরপর ব্যাটে উপুল থারাঙ্গা ও রনি তালুকদার মিলে ব্যাটে ঝড় তোলেন। তবে দলীয় ১০২ রানে উইকেট বিলিয়ে দেন থারাঙ্গা। পেরেরার করা নবম ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ৪৮ রানে ফেরেন তিনি। ২৭ বলে ৪৫ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায় ইনিংসটি খেলেন থারাঙ্গা। এরপর ব্যাটিংয়ে আসেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে দলীয় ১২০ রানে তাকে ফেরান ওয়াহাব রিয়াজ। তার করা ১২তম ওভারের প্রথম বলে ব্যক্তিগত ৩ রানে ফেরেন সাকিব।

এভাবেই সেঞ্চুরি উদযাপন করেন তামিম ইকবাল

এরপর ১ রানের ব্যবধানে রানআউট হয়ে ফেরেন রনি তালুকদার। ফেরার আগে ৩৮ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এই ব্যাটসম্যান। এরপর দলীয় ১৩২ রানে আন্দ্রে রাসেলকে ৪ রানে ফেরান থিসারা পেরেরা। তার করা ১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওয়াহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রাসেল। দলীয় ১৪১ রানের মাথায় কাইরন পোলার্ড ১৫ বলে ১৩ রান করে সাজঘরের পথে হাঁটেন। কোনো রান না করেই বিদায় নেন শুভাগত হোম। ১৯তম ওভারে ১৫ বলে দুই ছক্কায় ১৮ রান করে বিদায় নেন নুরুল হাসান সোহান। আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ঢাকা।

কুমিল্লার পেসার ওয়াহাব রিয়াজ তিনটি, থিসারা পেরেরা দুটি আর সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট পান।

এর আগে ওপেনার তামিম ইকবালের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে কুমিল্লা গড়ে পাহাড়সম সংগ্রহ।  অবশ্য বেশ সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন তামিম। মাত্র  ৯ রানের মাথায় আরেক ওপেনার এভিন লুইসের উইকেট হারিয়ে বসে তারা। কিন্তু এনামুল হককে (২৪) সঙ্গে নিয়ে দলকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নেন তামিম।  ১২তম ওভারে সাকিবের বলে এলবি ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন বিজয়। বিজয় ৩০ বলে দুই বাউন্ডারিতে করেন ২৪ রান। এরপর কোনো রান না করেই রানআউট হন শামসুর রহমান শুভ। দলীয় ৯৯ রানে তিন উইকেট হারায় কুমিল্লা।

কুমিল্লার উইকেট নেয়ার পর সাকিব-নারাইনের উদযাপন

এরপর জুটি গড়েন তামিম আর দলপতি ইমরুল কায়েস। দুজনে মিলে ৪৬ বলে তোলেন ১০০ রান। অবিচ্ছিন্ন থাকে এই জুটি। তামিম নিজের প্রথম ফাইনাল খেলতে নেমে সেঞ্চুরি হাঁকান। ৬১ বলে ১০টি চার আর ১১টি বিশাল ছক্কায় করেন অপরাজিত ১৪১ রান। ইমরুল ২০ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। একটি করে উইকেট পান সাকিব এবং রুবেল।

বিপিএলের ফাইনালে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরি করা প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ পুরস্কার পান তামিম ইকবাল। আর প্লেয়ার অব দ্যা টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন ঢাকার দলপতি সাকিব আল হাসান।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৮

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন