শপথ নিতে আমি কোনো চিঠি দেইনি, সময়ও চাইনি: ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i69981-শপথ_নিতে_আমি_কোনো_চিঠি_দেইনি_সময়ও_চাইনি_ফখরুল
শপথ নেয়ার বিষয়ে স্পিকারের কাছে কোনো চিঠি দেননি বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘আওয়াজ’ নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন আয়োজিত ‘উন্নয়নের মৃত্যুকূপে জনজীবন/নুসরাত একটি প্রতিবাদ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
এপ্রিল ৩০, ২০১৯ ১০:৩৩ Asia/Dhaka
  • শপথ নিতে আমি কোনো চিঠি দেইনি, সময়ও চাইনি: ফখরুল

শপথ নেয়ার বিষয়ে স্পিকারের কাছে কোনো চিঠি দেননি বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘আওয়াজ’ নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন আয়োজিত ‘উন্নয়নের মৃত্যুকূপে জনজীবন/নুসরাত একটি প্রতিবাদ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে আমি নাকি সময় চেয়ে আবেদন করেছি। আসলে আমি কোনো চিঠি দেইনি। স্পিকারের কাছে কোনো সময় চাইনি। এটাও আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। এটা আমাদের কৌশল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, কিছু কিছু পত্রিকা লিখেছে, আমি শপথের জন্য সময় চেয়েছি। একটি পত্রিকা লিখেছে, আমি আজ শপথ গ্রহণ করব। এটা সাংবাদিকতার এথিক্সের মধ্যে পড়ে না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিদেশিদের সঙ্গে কথা বলে নয়, বিশ্ব রাজনীতি দেখে আমরা সংসদে গিয়েছি। কথা বলার ন্যূনতম যে সুযোগ এটা কাজে লাগাতে দানবকে পরাজিত করার জন্য শপথ নিয়েছি।’

সরকারের সঙ্গে কোনো সমঝোতা করিনি দাবি করে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়া সমঝোতা করলে অনেক আগেই তিনি এ দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকতেন। আমরা কোনো বিদেশির পরামর্শে কিছু করিনি। আমরা চলমান রাজনীতি দেখছি। এগুলো বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, গতকাল থেকে রাজনীতি গরম হয়ে গেছে। এটা নিঃসন্দেহে চমকের মতো সংবাদ। ইউটার্ন মনে করতে পারেন। আমাদের সিদ্ধান্ত অন্যরকম ছিল। ৩০ ডিসেম্বর কোনো নির্বাচন হয়নি প্রহসন হয়েছে। খুব খারাপ সিদ্ধান্ত বলে মনে করি না। আমাদের সুযোগ ন্যূনতম কাজে লাগাতে চাই। সময়ের প্রয়োজনে অনেক কিছু হয়। সময় ঠিক করে দেবে আমাদের সিদ্ধান্ত ভুল না ঠিক।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে একদলীয় শাসন রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তম্ভকে দলীয়করণ করা হয়েছে। প্রশাসন, জুডিশিয়াল, গণমাধ্যম- সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গভীর সংকটে পড়েছে। এটা শুধু বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের সংকট নয়, গোটা জাতির সংকট।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আসলে এত বেশি প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয় যে বাংলাদেশ বড় উন্নয়নের জায়গা চলে গেছে। কোথায় উন্নয়ন হচ্ছে? উন্নয়নের নামে প্রহসন চলছে। উন্নয়নের দুর্নীতি চলছে, লুটপাট চলছে। ব্যাংকিং খাতকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ও বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহিদা রফিক, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমতুল্লাহ প্রমুখ।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৩০