বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে: কাদের
-
ওবায়দুল কাদের
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর আগে শহীদদের স্মরণে ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, আমাদের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্ক জনক, রক্তাক্ত, ট্র্যাজেডির দিন ১৯৭৫ সালের এ দিন। আজকের এই দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মহান স্থপতি ও বাংলাদেশের মানচিত্রের রূপকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে শাহাদৎবরণ করেন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকের দিনে শপথ, আমরা বঙ্গবন্ধুর সততা ও আদর্শে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলব। সাম্প্রদায়িক বিষ-বৃক্ষকে মূল উৎপাটন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত করবো।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নিয়ে কাজ করা অ্যার্টনি অশোক কর্মকার গণমাধ্যমকে বলেছেন, সেই ১৯৯৬ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর হয়। কিন্তু বিদেশে যারা লুকিয়ে আছে তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না বিভিন্ন কারণে।
তিনি বলেন, এ জন্য বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা রয়েছে। কানাডা ও আমেরিকায় অবস্থান করা দুই আসামি মেজর (অব.) এমএইচ নূর চৌধুরী ও কর্নেল (অব.) এএম রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে ২০১১ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের চিঠি দেন। কিন্তু যেহেতু প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে তাই সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।
বঙ্গবন্ধু কোনো নির্দিষ্ট দলের নন: জি এম কাদের
এদিকে, প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো জাতীয় পার্টি। বঙ্গবন্ধু কোনো নির্দিষ্ট দলের নন মন্তব্য করে দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, আগামী বছর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটি পালন করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৫