টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আরও ২ রোহিঙ্গা আসামির নিহত
-
নিহত যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক
বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যায় জড়িত সন্দেহে দুই রোহিঙ্গা যুবক পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে ওমর ফারুক হত্যা মামলার মোট ৫ রোহিঙ্গা আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলেন।
আজ (শুক্রবার) ভোরে হ্নীলার জাদিরমুড়া এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ওই দুই রোহিঙ্গা নিহত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।নিহতরা হলেন- জামির আহমেদের ছেলে আবুল করিম (২৪) ও সাইদ হোসেনের ছেলে নেসার আহমেদ ওরফে নেসার ‘ডাকাত’ (২৯)। তারা টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে থাকতেন। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আকিয়াব জেলার মংডু থানার বুচিদং হাসুরতা ও বুচিদং পুইমালী এলাকায় তাদের বাড়ি।
ওসি বলেন, যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোররাতে টেকনাফের একদল পুলিশ জাদিরমুড়া এলাকায় অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও প্রায় ২৫ রাউন্ডের মতো পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ও দুই রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়। আহতের প্রথমে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি জানান, ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশীয় বন্দুক, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, কাজী সাইফ উদ্দিন, নাবিল ও রবিউল ইসলাম।
গত ২৩ অগাস্ট রাতে হ্নীলা ইউনিয়ন যুবলীগের ৯ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সভাপতি ফারুককে জাদিমুরা এলাকায় গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। তার বড় ভাই ওসমান গণি অভিযোগ করেন, একদল রোহিঙ্গা তার ভাইকে বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং পাশের একটি পাহাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।
ফারুক হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন নূর মোহাম্মদসহ চার আসামি এর আগে একইভাবে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৩
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন