বাংলাদেশে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের আসল কারণ এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফেরার প্রক্কালে নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বেশীদিন ক্ষমতায় থাকলে দল বা সমাজে যাতে এর কু’প্রভাব না পড়ে সে জন্যই তিনি দুর্নীতির বিরদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন।
এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম গতকাল রংপুর উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী রীটা রহমানের পক্ষে প্রচার অভিযানে অংশ নিয়ে বলেছেন, দেশ এখন দুঃশাসন দুর্নীতিতে সয়লাব হয়ে গেছে। এ অবস্থা থেকে জনগণ পরিত্রাণ পেতে চায়।
তবে, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপির আমলে এত দুর্নীতি, অনিয়ম হয়েছে কিন্তু কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। শেখ হাসিনা সরকার তা পেরেছেন। বিএনপি ছাড়া দেশের সব মানুষ এই অভিযানে খুশি।“
মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ের নিজ সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়, অন্যান্য সেক্টরেও যেখানেই অনিয়মের অভিযোগ আসছে সেগুলো তদন্ত করা হবে। যারাই দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধেই অভিযান চলবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অতীতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন সেই সমস্ত লোকদের মধ্যে যারা অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তাও খতিয়ে দেখা হবে। আওয়ামীলীগ ঘর থেকে এই অভিযান শুরু করলো।’
এর আগে গতকাল রাজধানীতে দলের এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল বলেছেন, আওয়ামী লীগ থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিন, বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করুন। আমাদের পার্টির ক্লিন ইমেজ গড়ে তুলতে হলে আগাছা-পরগাছার হাত থেকে পার্টিকে মুক্ত করতে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অপরাধ ও দুর্নীতির দায়ে যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তারা চুনোপুঁটি হলেও অপরাধ রাঘববোয়ালদের মতো বড়। ব্যক্তি যেই হোক, অপরাধী হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।’#
পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার /১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।