ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i75056-ভিসির_বিরুদ্ধে_দুর্নীতির_অভিযোগ_প্রমাণ_করতে_না_পারলে_ব্যবস্থা_প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) বিরুদ্ধে যারা দুর্নীতির অভিযোগ আনবে, তাদের সে অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
নভেম্বর ০৭, ২০১৯ ১১:০৯ Asia/Dhaka
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের (ভিসি) বিরুদ্ধে যারা দুর্নীতির অভিযোগ আনবে, তাদের সে অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে তাঁর কার্যালয়ে অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা  অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এই হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইদানিং দেখছি হঠাৎ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কথা কথায় ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন, ভিসিকে দুর্নীতিবাজ বলছে। আমার স্পষ্ট কথা, যারা ভিসিকে দুর্নীতিবাজ বলছে, তাদেরকে কিন্তু এই অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে এবং তথ্য দিতে হবে।’

এ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিবিরোধী চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রমাণ করতে হবে, আর যদি কেউ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয় প্রত্যেকে যারা অভিযোগ নিয়ে এসেছে। যারা বক্তৃতা দিচ্ছে- সে সমস্ত ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। যদি দুর্নীতি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয় -যে অভিযোগকারী সে যদি ব্যর্থ হয় প্রমাণ করতে, তার কিন্তু  সাজা পেতে হবে। এটা কিন্তু আইনে আছে। মিথ্যা  অভিযোগ করলে তার বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। সে ব্যবস্থা কিন্তু আমরা নেব। এটা স্পষ্ট জানিয়ে দিলাম।'

চেক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তিনি আরও বলেন, 'তারা যদি প্রমাণ করতে না পারে, এতো টাকা, ওতো টাকা নিয়েছে, মুখে বললে তো আর হবে না। তারা সুনির্দিষ্টভাবে জানে বলে তো সে অভিযোগ করছে। সুনির্দিষ্টভাবে যখন জানে, তখন প্রমাণ দেবে না কেন?'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অভিযোগ প্রমাণ না করে কেবল দুর্নীতি দুর্নীতি বলে ক্লাসের সময় নষ্ট করবে, ক্লাস চলতে দেবে না, বিশ্ববিদ্যালয় চলতে দেবে না, তাদের আন্দোলনের নামে ভিসির বাড়িতে আক্রমণ, অফিসে আক্রমণ, ভাংচুর-এটা তো এক ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।'

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বুয়েটের ছাত্র আরবার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই ছাত্রের ঘটনা যখনই শুনি তখনই আমরা অ্যাকশন নিয়েছি। তারপরে তারা আন্দোলনে নামে, গ্রেফতার হয়ে গেছে, মামলা সব কিছু হয়েছে? এখন তাহলে আন্দোলন কিসের জন্য, আমার সেখানেই প্রশ্ন?'

দিনের পর দিন ক্লাস করতে দেবে না, নিজেরা ক্লাস করবে না তাহলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে কেন? এই ধরনের কাজ যারা করবে সঙ্গে সঙ্গে তাদের এক্সফেল করে দেওয়া উচিত ইউনিভার্সিটি থেকে। 

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, 'ছাত্র শিক্ষকরা এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেন ঘটাবে? আর তারা ক্লাস কেন বন্ধ করবে? প্রত্যেকটা পাবলিক ভার্সিটি কত টাকা খরচ করে পড়ার জন্য? খরচ তো সরকারের পক্ষ থেকে করি। প্রতি বছর বাজেটে টাকা দেই। বাজেটে আমরা টাকা দেবো কিন্তু সেখানে সরকার কিছু করতে পারবে না। দিনের পর দিন ক্লাস বন্ধ করে থাকবে, এটা তো হয় না।'#

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/রেজওয়ান হোসেন/আশরাফুর রহমান/৭