আরবার হত্যা: দ্রুত বিচারের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, 'চার্জশিট নির্ভুল'
(last modified Wed, 13 Nov 2019 12:28:06 GMT )
নভেম্বর ১৩, ২০১৯ ১৮:২৮ Asia/Dhaka
  • আনিসুল হক
    আনিসুল হক

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করার আশ্বাস দিয়েছেন।  

আজ (বুধবার)  সচিবালয়ে আবরার হত্যা মামলার চার্জশিট বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী জানান, “দ্রুত বিচার আইনে এ মামলাটার বিচার করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেই আবেদন আসতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করা হলে এর প্রথম সময়টা হচ্ছে ৯০ দিন, তারপর সময় দেয়া হয় ৩০ দিন। মোট ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে না পারলে তৃতীয়বার ১৫ দিন সময় পাবে। অর্থৎ মোট ১৩৫ দিনে বিচারকাজ শেষ করতে হবে।"

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট যে সময় বেঁধে দেবে পলাতক আসামিরা যদি আত্মসমর্পণ না করে, তাহলে তাদের পলাতক দেখিয়ে বিচার কাজ শেষ করা হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে এবং জনগণের চাওয়া অনুযায়ী এ হত্যাকাণ্ডের বিচার যথাসময়ে করা হবে। জনগণ যখন চেয়েছে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছে।"

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল দাবি করেছেন,"বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলায় আমাদের তদন্ত সংস্থা পুলিশ বাহিনীর মাধ্যমে যে চার্জশিট দিয়েছে, তা নির্ভুল হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা আগেই বলেছি আমরা নির্ভুল চাজর্শিট দেওয়ার জন্য আমরা প্রচেষ্টা নেব। বিচারের বিষয়টি পুলিশের অধীনে নয়, বিচার আদালত করবে। তবে খুব শিগগিরই এর বিচার হবে, আমরাও আশা করছি।"

আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। আবরার হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "পলাতকদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে। আমাদের কাছে তথ্য থাকলে তাদের ধরে ফেলতাম। তবে বাইরে বের হওয়ার কোন সুযোগ নেই। ঘরের কোথাও আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে হয়তো আছে, আমরা ধরে ফেলব।"

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি'র অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম

বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২৫ জনকে আসামি করে আজ দুপুরে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, এই ২৫ জনের মধ্যে ১১ জন আবরারকে হত্যায় সরাসরি অংশ নেয়। সেখানে উপস্থিতি এবং অন্যভাবে সম্পৃক্ততার কারণে বাকি ১৪ জনকে অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিবির হিসেবে সন্দেহের বিষয়টি ছিল আবরারের ওপর নির্যাতনের ‘একটি কারণ’। আসলে বুয়েট ছাত্রলীগের ওই নেতাকর্মীরা অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য ‘উচ্ছৃঙ্খল আচরণে অভ্যস্ত’ হয়ে গিয়েছিল।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ