বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা: ‘৭ মার্চ অমান্যকারীদের স্বাধীনতার চেতনা নেই’
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i78057-বঙ্গবন্ধুর_প্রতিকৃতিতে_প্রধানমন্ত্রীর_শ্রদ্ধা_৭_মার্চ_অমান্যকারীদের_স্বাধীনতার_চেতনা_নেই’
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ (শনিবার) সকাল ৭টা ৬ মিনিটের দিকে রাজধানী ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
মার্চ ০৭, ২০২০ ০৭:৫৬ Asia/Dhaka
  • শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ (শনিবার) সকাল ৭টা ৬ মিনিটের দিকে রাজধানী ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ভেতরে যান এবং সেখানে বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। এরপর ৭টা ৫৬ মিনিটে চলে যান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যারা ৭ মার্চ মানে না, তাদের মধ্যে স্বাধীনতার কোনো চেতনা নেই। তারা লোক দেখানো স্বাধীনতার কথা বলে। আসলে তারা স্বাধীনতার যে চেতনা, যে মূল্যবোধ, যে আদর্শ, সে আদর্শকে তারা স্বীকার করে না। সেজন্য ৭ ই মার্চের প্রতি তাদের কোনো শ্রদ্ধা নেই। কাজেই এই ভাষণকে যারা অস্বীকার করে তারা প্রকারান্তরে স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করে।’

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমাবেশে ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু

১৯৭১ সালের আজকের দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে দেওয়া ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে সেদিন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। এই ভাষণ শুধু পাকিস্তানীদের মনোবলই ভাঙেনি বরং বাংলাদেশের সকলের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই ভাষণই ছিল মূলত স্বাধীনতার ঘোষণা। তাঁর ওই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

ঐতিহাসিক এ দিনটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি গণমাধ্যম দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে, পত্রিকাগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৭