চাল কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে: খাদ্যমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79053-চাল_কালোবাজারিদের_বিরুদ্ধে_কঠোর_ব্যবস্থা_নেয়া_হবে_খাদ্যমন্ত্রী
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসজনিত কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষের জন্য প্রদত্ত ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
এপ্রিল ১৩, ২০২০ ১৫:১৬ Asia/Dhaka
  • সাধন চন্দ্র মজুমদার
    সাধন চন্দ্র মজুমদার

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসজনিত কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষের জন্য প্রদত্ত ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

আজ (সোমবার) সকাল ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ওএমএসের চাল কালোবাজারির সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হবে। পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওএমএসের চাল বিতরণ কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতি করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের কারণে শহর ও গ্রামে বিপুল সংখ্যক মানুষের আয়-রোজগারের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য সহায়তা হিসেবে খাদ্য মন্ত্রণালয় ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অধীনে চাল বিতরণ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনার আলোকে খাদ্য মন্ত্রণালয়/খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিষয়টির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন। কিন্তু পত্র-পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেল এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূত্রে জানা যায় যে, কিছু কিছু জায়গায় ওএমএসের চাল কালোবাজারি হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি স্থানে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে মাটি খুঁড়ি সরকারি চাল উদ্ধার

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ওএমএসের চাল কালোবাজারির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হবে। পাশাপাশি এরুপ অনিয়ম বা দুর্নীতিতে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করা, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ডিলারদের লাইসেন্স বাতিল করাসহ তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে সুনিদিষ্ট তথ্য প্রমাণসহ প্রতিবেদন তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।