ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: কাদের
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i80099-ঈদ_উদযাপনের_চেয়ে_বেঁচে_থাকার_লড়াই_সবচেয়ে_বড়_চ্যালেঞ্জ_কাদের
করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াইকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
মে ২২, ২০২০ ১২:৪৪ Asia/Dhaka
  • ওবায়দুল কাদের (ফাইল ফটো)
    ওবায়দুল কাদের (ফাইল ফটো)

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াইকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ (শুক্রবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে অসহায় গরিব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণের আগে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবার এক ভিন্ন বাস্তবতায় ঈদ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঈদ উদযাপনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে আমরা সবাই ঈদ উদযাপনের অনেক সুযোগ পাব।’

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনাবিরোধী লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন করি, স্থানান্তর না করি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি।’

ঢাকার প্রবেশ-বাহিরের রাস্তা উন্মুক্ত

এদিকে, আজ সকাল থেকে ঢাকার প্রবেশ ও বাহির হবার রাস্তা খুলে দেয়া হয়েছে। সড়কগুলো থেকে চেকপোস্ট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে পুলিশের কাছে পাঠানো এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুলিশ সড়কে যাত্রীদের সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকার আদেশ এখনো বহাল রয়েছে।

এর আগে, গত ১৭ মে ঢাকার বাইরে যাওয়া এবং প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করে পুলিশ। যা ৩০ মে পর্যন্ত অর্থাৎ ‘সাধারণ ছুটি’ চলাকালীন বলবৎ  থাকার কথা ছিল।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

'কারফিউয়ের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি'

আসন্ন ঈদুল ফিতর ও করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে গৃহীত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে অনলাইনে মতবিনিময়কালে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ‘ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে, যানবাহন নিয়ে চলাচল করা যাবে কিন্তু গণপরিবহনে চলাচল করা যাবে না।’

জনসমাগম এড়াতে কারফিউ দেওয়া হবে কিনা সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কারফিউ মতো পরিস্থিতিতে যাওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে না। সরকার মানুষের সুবিধার জন্য সুবিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

এসময় তিনি দেশবাসীকে অনুরোধ করেন, “ঈদের দিনে কেউ ঘোরাফেরার জন্য বাইরে বের হবেন না। আপনারা ঘরে থাকুন, আপনাদের জন্য আমরা আছি বাইরে।“

মতবিনিময়কালে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, "আমরা প্রত্যেক বছর খোলা আকাশের নিচে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করে থাকি। কিন্তু এবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকারি নির্দেশনা মতে মসজিদগুলোতে একটা নির্দিষ্ট সময় বিরতিতে একাধিক ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।"

প্রসঙ্গত, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। এরপর ধাপে ধাপে সেই ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ৩০ মে পর্যন্ত। তবে এরই মধ্যে বিপণি বিতান ও দোকানপাট, মসজিদ এবং পোশাক কারখানার ক্ষেত্রে কিছু বিধি-নিষেধ তুলে দেওয়া হলেও আন্তজেলা বাস ও গণপরিবহনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২২