করোনার কারণে আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা কিছুটা স্থবির হয়ে গেছে: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i80376-করোনার_কারণে_আমাদের_অর্থনৈতিক_গতিশীলতা_কিছুটা_স্থবির_হয়ে_গেছে_শেখ_হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “কোভিড-১৯ তথা করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা কিছুটা স্থবির হয়ে গেছে। তবে এরকম দিন থাকবে না। আমরা যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব।”
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুন ০২, ২০২০ ১৩:১১ Asia/Dhaka
  • শেখ হাসিনা
    শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “কোভিড-১৯ তথা করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা কিছুটা স্থবির হয়ে গেছে। তবে এরকম দিন থাকবে না। আমরা যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে পারব।”

আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। কোভিড-১৯ এর সাবধানতায় পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি ভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যান্য মন্ত্রী ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা সম্মেলন কক্ষ থেকেই অংশ নেন।

দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই না আমাদের দেশের মানুষ কষ্ট পাক। সেদিকে লক্ষ্য রেখে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নির্দেশনাগুলো ছিল বা যেগুলো বন্ধ ছিল সেগুলো উন্মুক্ত করেছি। উন্মুক্ত করেছি এই জন্য যে খেটে খাওয়া, দিন আনি দিন খাই মানুষ, সাধারণ মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত প্রত্যেকে তাদের জীবনযাত্রা যেন অব্যাহত রাখতে পারে, সচল রাখতে পারে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। সেক্ষেত্রে আমি বলব এরপরেও সকলে চলাফেরা সবকিছুতেই যেন স্বাস্থ্যবিধিটা মেনে চলবেন।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ আজকে অর্থনীতিতে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছিল তাতে আমাদের আশা ছিল ২০২০ সাল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বা ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, বিশেষ করে লক্ষ্য ছিল এই মুজিব বর্ষেই আমরা আমাদের দারিদ্রের হার কমিয়ে এনে বাংলাদেশকে একটা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে একটা উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাব। কোভিড-১৯ এর কারণে সেই গতিশীলতা কিছুটা স্থবির হয়ে গেছে।”

পরে, বৈঠকের খুঁটিনাটি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি জানান, আজকের সভায় ৭ মন্ত্রণালয়ের ১০ প্রকল্পে ১৬ হাজার ২৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প। একটি হচ্ছে- ১ হাজার ১২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘কোভিড-১৯ এমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডামিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ প্রকল্প এবং দ্বিতীয়টি ১ হাজার ৩৬৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স এমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স’ প্রকল্প।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।