করোনার বিস্তার ঠেকাতে বাংলাদেশে রেড জোনে টহলে নামছে সেনাবাহিনী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i80720-করোনার_বিস্তার_ঠেকাতে_বাংলাদেশে_রেড_জোনে_টহলে_নামছে_সেনাবাহিনী
বাংলাদেশে করোনা বিস্তার ঠেকাতে সরকারঘোষিত রেড জোনগুলোতে টহলে নামছে সেনাবাহিনী। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ (মঙ্গলবার) এ সংক্রান্ত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রেড জোনগুলোতে সরকারি নির্দেশাবলি যথাযথভাবে পালনের উদ্দেশে সেনা টহল জোরদার করা হচ্ছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুন ১৬, ২০২০ ১১:৫৩ Asia/Dhaka
  • টহলে সেনা সদস্যরা
    টহলে সেনা সদস্যরা

বাংলাদেশে করোনা বিস্তার ঠেকাতে সরকারঘোষিত রেড জোনগুলোতে টহলে নামছে সেনাবাহিনী। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ (মঙ্গলবার) এ সংক্রান্ত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রেড জোনগুলোতে সরকারি নির্দেশাবলি যথাযথভাবে পালনের উদ্দেশে সেনা টহল জোরদার করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে গত ২৪ মার্চ থেকে সশস্ত্র বাহিনী মাঠে রয়েছে। করোনাভাইরাসের বিস্তার দুই মাসের বেশি সময় সারা দেশে লকডাউন জারি রাখার পর ৩১ মে থেকে বেশির ভাগ বিধিনিষেধ তুলে নেয় সরকার।

তবে এরপর প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এলাকা ধরে ধরে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার অনুযায়ী লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত হয়।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির শনিবারের সভায় দেশের ‘রেড জোন’গুলো চিহ্নিত করে। তাতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৪৫টি এলাকা সর্বোচ্চ ঝুঁকির ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঢাকাসহ সারাদেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করে এ বিষয়ে কর্মপন্থা গ্রহণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারকে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হয়।

রেড জোনে সাধারণ ছুটি

সংক্রমণের হার বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে যে তিনটি জোনে ভাগ করা হচ্ছে, তার মধ্যে কেবল লাল জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নতুন এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রথমে লাল ও হলুদ জোনে সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানানো হলেও আদেশ সংশোধন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, লাল অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক বা অসামরিক সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বয়ত্তশাসিত বা বেসরকারি দপ্তরগুলো এবং সেখানে বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাধারণ ছুটির আওতায় থাকবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সংধোধিত আদেশে আরও বলা হয়েছে, হলুদ ও সবুজ অঞ্চলে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।

এ ছাড়া গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে যেভাবে অফিস চলছে, হলুদ ও সবুজ জোনে অবস্থিত অফিসগুলো ১৬ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেভাবেই চলবে বলে আদেশে জানানো হয়েছে। সীমিত পরিসরে অফিস খোলা থাকার সময় অর্থাৎ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত হলুদ ও সবুজ জোনে সব ধরনের গণপরিবহনও চলাচল করতে পারবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটির সময় সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়। ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অফিস খুলে দিয়ে এই সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহণ চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। পরে সীমিত পরিসরে অফিস চালু রাখার ওই সিদ্ধান্তের মেয়াদ নতুন করে ১৬ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি ওই সময় পর্যন্ত গণপরিবহন চালানোরও অনুমতি দেওয়া হয়।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।