থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন সাহারা খাতুন, শেখ হাসিনার শোক
-
শেখ হাসিনা ও সাহারা খাতুন
বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। চিরকুমারী সাহারা খাতুনের বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় দিবাগত রাত ১২টা ২৬ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২৬ মিনিট) ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সাহারা খাতুনকে ব্যাংককে নেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে সাহারা খাতুন গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আজীবন কাজ করে গেছেন এবং দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে আইনীসহ সকল সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ ও জাতি একজন দক্ষ নারী নেত্রী এবং সৎ জননেতাকে হারালো। আমি হারালাম এক পরীক্ষিত ও বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে।”
প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গত ২ জুন সাহারা খাতুন ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থার অবনতি হলে গত ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। এরপর অবস্থার উন্নতি হলে গত ২২ জুন দুপুরে তাকে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে (হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। ২৬ জুন সকালে তার শারীরিক অবস্থার আবারও অবনতি হয়। ফের নেয়া হয় আইসিইউতে। এরপর গত ৬ জুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেযোগে থাইল্যান্ডে নেয়া হয়।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন তৃতীয় মেয়াদ জাতীয় সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। শেখ হাসিনার ২০০৯-১৩ সরকারে প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন তিনি।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৯