বাংলাদেশে করোনায় আরও ৪৮ জনের মৃত্যু: কমিউনিটি সাপোর্ট টিম গঠন
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i81877-বাংলাদেশে_করোনায়_আরও_৪৮_জনের_মৃত্যু_কমিউনিটি_সাপোর্ট_টিম_গঠন
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনের ব্যবধানে আরও ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৩ জন। এছাড়াও আজ সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত হলেন ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুলাই ৩০, ২০২০ ১২:৪৮ Asia/Dhaka

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনের ব্যবধানে আরও ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৩ জন। এছাড়াও আজ সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত হলেন ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন।

আজ (বৃহস্পতিবার) করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশের শিশুরা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। এ যাবৎ দেশে মোট  করোনা আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশই হচ্ছে শিশু। এ কারণে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা অনেক উদ্বিগ্ন।

চিকিৎসকরা বলছেন, মূলত: অপুষ্টির কারণে শিশুরা কোভিডে দ্রুত আক্রান্ত হচ্ছে।

জাহিদ মালেক

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশঙ্কা

এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহায় মানুষের মেলামেশা এবং বন্যার কারণে এক জায়গায় বেশী মানুষ গাদাগাদি করে থাকার কারণে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বাড়তে পারে।

আজ (বৃহস্পতিবার) নিজ মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের বিস্তার রোধে বেশকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। কিন্তু আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশুর হাটে ও ঈদযাত্রায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা ব্যাহত হতে পারে। এতে করে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

কমিউনিটি উদ্যোগ

কমিউনিটি পর্যায়ে করোনা সংক্রমণের মাত্রা কমিয়ে আনতে কমিউনিটি সাপোর্ট টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় এই টিম রাজধানীর স্বল্প ও নিম্ন আয়ের মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে খাবার ও আর্থিক সহায়তা।

গত এপ্রিলে ঢাকা ও খুলনায় পাইলট প্রোজেক্ট পরিচালনার পর এবার এ কার্যক্রম চালু হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সবগুলো ওয়ার্ডে।  বিশ্ব ব্যাংক, ইউএসএইড ও ডব্লিউএফপি’র আর্থায়নে এ প্রকল্পটিতে অংশগ্রহণ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকসহ বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।