বাংলাদেশে এখন ভয়াবহ দুঃসময় পার করছে: মির্জা ফখরুল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i85211-বাংলাদেশে_এখন_ভয়াবহ_দুঃসময়_পার_করছে_মির্জা_ফখরুল
বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এখন ভয়াবহ দুঃসময় পার করছে। শাসকগোষ্ঠী পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চরম কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসন কায়েম করেছে। তারা বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে। বর্তমান অবৈধ সরকার সীমাহীন রক্তপাত ও বেপরোয়া নিপীড়ন নির্যাতনের মধ্য দিয়ে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছে।’
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ডিসেম্বর ০৯, ২০২০ ১৩:৪২ Asia/Dhaka
  • বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এখন ভয়াবহ দুঃসময় পার করছে। শাসকগোষ্ঠী পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চরম কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসন কায়েম করেছে। তারা বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে। বর্তমান অবৈধ সরকার সীমাহীন রক্তপাত ও বেপরোয়া নিপীড়ন নির্যাতনের মধ্য দিয়ে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছে।’

জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বুধবার (৯ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার শূন্যের নিচে অবস্থান করছে। এদেশে শুধুমাত্র বিরোধীদলের নেতাকর্মীরাই শুধু নয়, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারো কোনো নিরাপত্তা নাই। এদের অধিকাংশই গুম, গুপ্ত হত্যা ও বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা ছাড়াও দল নিরপেক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক, টকশো আলোচকদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং এদের কেউ কেউ কারান্তরীণও করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে চলছে অমানবিক স্বৈরশাসন।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশে  গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার জন্য  যিনি  আপোষহীন লড়াই চালিয়ে গেছেন সেই আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সকল মানবাধিকার কেড়ে নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে বন্দী করে রাখা হয়েছে।

আজকের এই মানবাধিকার দিবসে বেগম জিয়ার প্রতি নির্দয় আচরণের নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল অবিলম্বে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘যুগে যুগে তরুণরাই সমাজের অসঙ্গতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। আজও মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মানবাধিকারের পক্ষে তরুণদেরকে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান সরকারের শাসনামলে মানুষের ন্যূনতম ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই। নিয়ন্ত্রিত রাজনীতির সীমিত সুযোগও কেড়ে নেয়া হচ্ছে। সভা-সমাবেশ তথা প্রতিবাদ করার ন্যূনতম সুযোগ অবশিষ্ট নেই। নাগরিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে এই হোক আমাদের দৃঢ় সংকল্প।’#

পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান// বাবুল আখতার/ ৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।