হুদায়দায় ইসরাইলি হামলার জবাবে
ইয়েমেনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হানলো ইসরাইলের এইলাত বন্দরে
-
ইসরাইলের এইলাত বন্দর যার আসল বা ফিলিস্তিনি নাম উম আর-রাশরাশ
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী বলেছে যে তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলের দক্ষিণে এইলাত বন্দর শহর এবং সেইসাথে লোহিত সাগরে একটি আমেরিকান ও একটি ইসরাইলি মালিকানাধীন জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
আরব এই দেশটির উপর ইসরাইলি শাসক-গোষ্ঠীর সর্বশেষ হামলার পর এইসব লক্ষ্যবস্তুর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর এল ।
ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি রবিবার এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেছেন যে তারা উম আর-রাশরাশ (এইলাত) এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুগুলোতে একটি নির্দিষ্ট সামরিক অভিযান চালিয়েছে “অনেকগ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে এবং অপারেশনটি সফলভাবে তার লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছে। "
সারি আরও বলেন, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট লোহিত সাগরে আমেরিকান জাহাজ "পুম্বা" লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে একটি যৌথ সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।
সারি জোর দিয়ে বলেছেন যে ইয়েমেনি বাহিনী ইসরাইলি, আমেরিকান এবং ব্রিটিশ জাহাজ বা ইসরাইলি বন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়া লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে তাদের নৌ অভিযান চালিয়ে যাবে যতক্ষণ না ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ হয় এবং গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের উপর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
তিনি আরও বলেছেন, "ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী এ হুঁশিয়ারিও নিশ্চিত করছে যে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া হবে অনিবার্য এবং তা হবে বিশাল, ব্যাপক ও দুর্দান্ত।" ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো শনিবার পশ্চিম ইয়েমেনের আল-হুদাইদাহ প্রদেশে বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে, এতে তিনজন নিহত এবং ৮০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
গত শুক্রবার ভোরে এক নজিরবিহীন ও বীরত্বপূর্ণ হামলায়, ইয়েমেনি বাহিনী তেল আবিবের মার্কিন কনস্যুলার ভবনের কাছে একটি এলাকায় ড্রোন দিয়ে আঘাত করে। এতে একজন ইসরাইলি নিহত এবং ১০ জন আহত হয়। ইসরায়েলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো মানববিহীন বিমানটিকে আটকাতে ব্যর্থ হয়েছিল। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/২১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।