‘কেবল এপেস্টেইনিয় সংস্কৃতির লোকদের পক্ষেই মিনাব-এর গণহত্যা ঘটানো সম্ভব'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোকাবেলায় ইরানিদের প্রতিরোধে বিস্মিত: রুশ দার্শনিক
-
রুশ চিন্তাবিদ ও দার্শনিক অ্যালেক্সান্ডার ডুগিন
পার্স-টুডে: বিখ্যাত রুশ দার্শনিক ও তাত্ত্বিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিগত দুই সপ্তাহ'র আগ্রাসনের মোকাবেলায় ইরানি জাতির ও ইসলামী গণ-শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিরোধ ও দৃঢ়তার বিষয়টি তুলে ধরে বলেছেন, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইরানের জনগণ ও সরকারের সক্ষমতায় অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছি।
পার্স-টুডে জানিয়েছে, রুশ চিন্তাবিদ ও দার্শনিক অ্যালেক্সান্ডার ডুগিন গতকাল (শুক্রবার) বলেছেন, আমরা মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের নিন্দা জানাই এবং ইসলামী বিপ্লবের নেতা ইমাম খামেনেয়ীকে হত্যার বিষয়ে ইরানি জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। এ ছাড়াও সমর্থন জানাচ্ছি ইরানের সাধারণ জনগণ, শিশু, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা, সামরিক ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিশিষ্ট-জনদের প্রতিও সমর্থন ঘোষণা করছি।
তিনি ইরানের ওপর চালানো (চলমান) মার্কিন আগ্রাসনকে পুরোপুরি অবৈধ ও আন্তর্জাতিক রীতি-নীতির খেলাপ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এ কারণেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন এর নিন্দা জানিয়েছেন এবং ইরানি জনগণের প্রতি সংহতি ঘোষণা করেছেন। তিনি মিনাব শহরের ইরানি স্কুল-বালিকাদের ওপর মার্কিন গণহত্যার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, ‘কেবল এপেস্টেইনিয় সংস্কৃতির লোকদের ছাড়া এ ধরনের কাজ করা আর কারো পক্ষে সম্ভব নয়।’
এই রুশ চিন্তাবিদ ও তাত্ত্বিক এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ইরানের মিনাব শহরে বালিকা বিদ্যালয়ের শিশুদের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় গণহত্যা পুরোপুরি নৃশংস-নির্দয়, অমানবিক ও যুদ্ধ-অপরাধের দৃষ্টান্ত যা কেবল ‘এপেস্টেইন’-কৃষ্টি-কালচারের পক্ষেই ঘটানো সম্ভব।
অ্যালেক্সান্ডার ডুগিন আরও বলেছেন, যারা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের মোকাবেলায় চোখ বন্ধ করে রেখেছেন তারা আসলে শয়তানের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন এবং এই শয়তানই হচ্ছে সেই ‘বড় শয়তান’। তিনি বলেছেন, আজ রাশিয়া ও ইরান একই বাঙ্কারে অবস্থান করছে। #
পার্স টুডে/এমএএইচ/১৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।