ফিলিস্তিনের প্রতি অবিচল সমর্থনের কারণেই পশ্চিমারা শহীদ নেতাকে হত্যা করেছে: আনসারুল্লাহ
https://parstoday.ir/bn/news/event-i161088-ফিলিস্তিনের_প্রতি_অবিচল_সমর্থনের_কারণেই_পশ্চিমারা_শহীদ_নেতাকে_হত্যা_করেছে_আনসারুল্লাহ
পার্সটুডে: ইয়েমেনের জনপ্রিয় প্রতিরোধ আন্দোলন আনসারুল্লাহ আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি বলেছেন, ফিলিস্তিন মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব ও নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের কারণেই পশ্চিমা শক্তিগুলো ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী-কে হত্যা করেছে।
(last modified 2026-07-06T08:15:55+00:00 )
জুলাই ০৬, ২০২৬ ১৪:০২ Asia/Dhaka
  • ইয়েমেনের  জনপ্রিয় প্রতিরোধ আন্দোলন আনসারুল্লাহ আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি
    ইয়েমেনের জনপ্রিয় প্রতিরোধ আন্দোলন আনসারুল্লাহ আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি

পার্সটুডে: ইয়েমেনের জনপ্রিয় প্রতিরোধ আন্দোলন আনসারুল্লাহ আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি বলেছেন, ফিলিস্তিন মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব ও নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের কারণেই পশ্চিমা শক্তিগুলো ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী-কে হত্যা করেছে।

রোববার এক সাক্ষাৎকারে হুথি আনসারুল্লাহ প্রতিরোধ আন্দোলনের এই বিশিষ্ট নেতা আল-বুখাইতি বলেছেন, আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর প্রভাব ইরানের সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল।

তিনি শহীদ নেতাকে এমন সব জাতির জন্য প্রতিরোধ ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যারা মার্কিন ও জায়নবাদী তথা ইহুদিবাদী আধিপত্য থেকে মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সংগ্রাম করছে।

আল-বুখাইতি বলেন, “সমগ্র ইসলামী বিশ্বের প্রতি তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ফিলিস্তিন মুক্তির লক্ষ্যে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টাই ছিল পশ্চিমাদের তাঁকে হত্যার অন্যতম প্রধান কারণ।”

তিনি আরও বলেন, মর্যাদা, সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরোধের জন্য সংগ্রামরত মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে শহীদ নেতার আদর্শ ও উত্তরাধিকার। তাঁর নাম ও স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও একইভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সর্বশেষ অকারণ যৌথ আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনায় ইরান এবং তার মিত্রদের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়।

এদিকে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ইসলামিক জিহাদ-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, প্রতিরোধ অক্ষের শক্তি শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী-এর আজীবন ত্যাগ ও কুরবানিরই ফল।

শহীদ নেতার শাহাদাতে ইরানের কোটি কোটি মানুষ এবং অঞ্চলজুড়ে প্রতিরোধ অক্ষের সমর্থকেরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর স্মরণে বিভিন্ন শোকানুষ্ঠান ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিরও আয়োজন করেছেন।

শুক্রবার তেহরানে অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিক-শোক পালন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, উচ্চ-পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শহীদ নেতার বিদায় অনুষ্ঠান শনিবার ভোরে গ্র্যান্ড ইমাম খোমেইনি মোসাল্লায় শুরু হয় এবং তা রোববার পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

তেহরানে আজ সোমবার প্রধান শোকযাত্রা শুরু হয়েছে। এরপর মঙ্গলবার কোম শহরে এবং বুধবার ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় বিশেষ বিদায় ও জানাজার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার মাশহাদে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজারে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীকে দাফন করা হবে। #
 

পার্স টুডে/এমএএইচ/০৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।