প্রথম বার্তায় বললেন হামাসের নতুন রাজনৈতিক প্রধান: আমরা শাহাদাতকে ভয় পাই না’
https://parstoday.ir/bn/news/event-i161552-প্রথম_বার্তায়_বললেন_হামাসের_নতুন_রাজনৈতিক_প্রধান_আমরা_শাহাদাতকে_ভয়_পাই_না’
পার্সটুডে: হামাসের সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়া নেতৃত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম বার্তায় ঘোষণা করেছেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন তাদের সন্তানদের হত্যা বা নেতাদের শাহাদাতে কখনোই ভীত হবে না।
(last modified 2026-07-21T15:19:18+00:00 )
জুলাই ২১, ২০২৬ ২১:১৪ Asia/Dhaka
  •  হামাসের সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়া
    হামাসের সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়া

পার্সটুডে: হামাসের সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়া নেতৃত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম বার্তায় ঘোষণা করেছেন, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন তাদের সন্তানদের হত্যা বা নেতাদের শাহাদাতে কখনোই ভীত হবে না।

তিনি বলেছেন, “আমরা দখলদারদের বলছি, আমরা একটি ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্যের অধিকারী। আমাদের সন্তানদের হত্যা কিংবা আমাদের নেতাদের শাহাদাত আমাদের ভীত করতে পারবে না এবং আমাদের হৃদয়ে কোনো ভয় সৃষ্টি করতে পারবে না।”

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে হামাসের প্রবীণ নেতা খলিল আল-হাইয়া ইয়াহইয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হন। সিনওয়ার ২০২৪ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহত হন।

সিনওয়ারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত আল-হাইয়া যুদ্ধবিরতি বিষয়ক আলোচনায় হামাসের প্রধান আলোচক ছিলেন। সিনওয়ার ও ইসমাইল হানিয়ার নিহত হওয়ার পর তিনি আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।

১৯৬০ সালে গাজায় জন্মগ্রহণকারী আল-হাইয়া ১৯৮৭ সালে হামাস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ইসলামি শিক্ষা বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী।

তিনি সিনওয়ারের উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২৪ সালের অক্টোবরে সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর গাজায় হামাসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় সংক্রান্ত আলোচনায় তিনি হামাসের প্রধান আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

খলিল আল-হাইয়া একাধিকবার ইসরায়েলের হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে গেছেন।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দোহায় হামাস নেতাদের এক বৈঠক লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলা থেকে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। ওই হামলায় হামাসের নিম্নপর্যায়ের পাঁচ সদস্য, যার মধ্যে তার এক ছেলেও ছিলেন, নিহত হন।

এর আগে ২০০৭ সালে তার পারিবারিক বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তার আটজন স্বজন নিহত হন। পরবর্তী বিভিন্ন ইসরায়েলি হামলায় তার আরও দুই ছেলে নিহত হন এবং চলতি বছরের মে মাসে গাজায় আরেকটি হামলায় তার চতুর্থ ছেলেও নিহত হন।

তার আরেক ছেলে হামজা, যিনি হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের একজন ফিল্ড কমান্ডার ছিলেন, ২০০৮ সালে সংঘর্ষে নিহত হন।

খলিল আল-হাইয়া এমন এক সময় হামাসের নেতৃত্ব গ্রহণ করলেন, যখন গাজায় ইসরায়েলের ব্যাপক সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হামাস দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। #
 

পার্সটুডে/এমএআর/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।