গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ ১৩ ফিলিস্তিনি শহীদ
গাজার হাসপাতালে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলাকে পরিকল্পিত গণহত্যা বলে নিন্দা জানাল হামাস
-
গাজার হাসপাতালে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা
পার্সটুডে: সংবাদসূত্র জানিয়েছে, ইহুদিবাদী ইসরায়েলি বাহিনী গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত আল-ইয়ামান আস-সাঈদ হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
গতকাল সোমবার রাতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়ায় অবস্থিত আল-ইয়ামান আস-সাঈদ হাসপাতালে চালিয়েছে। এ হামলায় অন্তত চারজন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। হতাহতরা বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি হিসেবে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
জাওয়াইদা এলাকায় সালাহউদ্দিন সড়কে ইসরায়েলি বাহিনীর আরেকটি হামলায় দুজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া আল-জাজিরা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ ১৩ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। গাজা শহরের দক্ষিণে আস-সাবরা এলাকায় একটি বাড়িতে বিমান হামলায় তিন শিশুসহ পাঁচজন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন (হামাস) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গাজার বিভিন্ন এলাকায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি, নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিক এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে যে নৃশংস হামলা চালিয়েছে, তা ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পরিচালিত গণহত্যার যুদ্ধের অংশ হিসেবে একটি পরিকল্পিত আগ্রাসন। হামাসের ভাষায়, এসব হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর এসব ভয়াবহ অপরাধ ও ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ফিলিস্তিনি জনগণের নিজ ভূমি ও ন্যায্য অধিকারের প্রতি অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করবে এবং স্বাধীনতা, মর্যাদা ও বেঁচে থাকার অধিকারের জন্য তাদের সংগ্রামকে আরও শক্তিশালী করবে।
হামাস জোর দিয়ে বলেছে, এসব অপরাধ কখনোই ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের প্রতিরোধ ও অবিচল অবস্থান থেকে বিরত রাখতে পারবে না। একই সঙ্গে, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে পরিচালিত ইহুদিকরণ, অবৈধ বসতি স্থাপন এবং সম্প্রসারণবাদী পরিকল্পনার বিরুদ্ধেও তাদের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/২১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।