মমতার গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তেজনা
https://parstoday.ir/bn/news/event-i162048-মমতার_গাড়িতে_ইট_পাথর_নিক্ষেপের_অভিযোগ_পশ্চিমবঙ্গে_রাজনৈতিক_উত্তেজনা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। আজ (রোববার) দলীয় কর্মী বিরজু কেওতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন মমতা।
(last modified 2026-08-09T12:07:05+00:00 )
আগস্ট ০৯, ২০২৬ ১৮:০৪ Asia/Dhaka
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ফটো)
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ফটো)

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হালিশহরে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। আজ (রোববার) দলীয় কর্মী বিরজু কেওতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন মমতা।

অভিযোগ অনুযায়ী, হালিশহরে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা তার গাড়িবহর ঘিরে ধরে।  এ সময় গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর, ইট, জুতাসহ পানির বোতল ছোড়া হয় এবং কাদা নিক্ষেপ করা হয়। বিক্ষোভকারীদের ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গাড়ির জানালা খোলা থাকলে পাথরের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হতে পারতেন।  তার দাবি, পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী তার গাড়িতে পাথর ছুড়েছে।  পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মমতার সঙ্গে থাকা তৃণমূলের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেনও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।  কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশের মাধ্যমে পুরো ঘটনাটি পরিচালনা করছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।  রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, হামলার সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।  একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

দলীয় কর্মী বিরজু কেওতের মৃত্যুর পর তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় এই হামলার অভিযোগ ওঠায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পার্সটুডে/এমএআর/৯