স্টেমসেল পদ্ধতিতে ক্যানসার চিকিৎসায় সক্ষম বিশ্বের গুটিকয়েক দেশের তালিকায় ইরান
https://parstoday.ir/bn/news/event-i163282-স্টেমসেল_পদ্ধতিতে_ক্যানসার_চিকিৎসায়_সক্ষম_বিশ্বের_গুটিকয়েক_দেশের_তালিকায়_ইরান
পার্সটুডে: মৌলিক বা আদি-কোষ চিকিৎসা তথা  স্টেমসেল থেরাপির ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ইরান ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
(last modified 2026-09-22T11:43:21+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১০:১৫ Asia/Dhaka
  • স্টেমসেল পদ্ধতিতে ক্যানসার চিকিৎসায় সক্ষম বিশ্বের গুটিকয়েক দেশের তালিকায় ইরান
    স্টেমসেল পদ্ধতিতে ক্যানসার চিকিৎসায় সক্ষম বিশ্বের গুটিকয়েক দেশের তালিকায় ইরান

পার্সটুডে: মৌলিক বা আদি-কোষ চিকিৎসা তথা  স্টেমসেল থেরাপির ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ইরান ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

পার্সটুডে ফার্স বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এই প্রযুক্তি অর্জনের ক্ষেত্রে ইরানের সাফল্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন বুনিয়াদি বা মৌলিক কোষ চিকিৎসা জটিল প্রকৃতি এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার উচ্চ ব্যয়ের কারণে দেশগুলোর জৈবনিরাপত্তা ও জাতীয় সক্ষমতার একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। যেসব দেশের হাতে এই প্রযুক্তি রয়েছে, তারা উন্নত ওষুধের বাজারে প্রবেশাধিকার রাখার পাশাপাশি জৈবিক সংকটের সময় অন্যদের ওপর নির্ভরশীল থাকে না।

অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন থেকে পুনর্গঠনমূলক চিকিৎসা

বিশ্বে স্টেম-সেল বা মৌলিক-কোষ চিকিৎসার যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে, লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত এক রোগীর অস্থিমজ্জার সফল প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে। এ গবেষণার বিস্তার এবং স্টেম সেল তৈরির প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে  (স্টেম সেল হলো এমন অপরিণত কোষ, যা শরীরের বিভিন্ন ধরনের কোষে রূপান্তরিত হতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম) এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসা ছাড়াও অন্য অনেক রোগের চিকিৎসাও করা হচ্ছে।   বর্তমানে এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি, গুরুতর দগ্ধ হওয়া এবং জেনেটিক রোগের চিকিৎসায়ও ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই প্রযুক্তির উন্নয়ন কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জনের বিষয় নয়; একইসঙ্গে এর জন্য অবকাঠামো, বিশেষায়িত সুযোগ-সুবিধা এবং কঠোর তদারকি প্রয়োজন। বুনিয়াদি কোষের যথাযথ নিয়ন্ত্রণ না করা হলে এর অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার ঘটতে পারে এবং টিউমার তৈরির ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি, এটি গ্রহীতার শরীরে রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থায় প্রতিক্রিয়াও সৃষ্টি করতে পারে।

তবে ইরান গবেষণার বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে বুনিয়াদি কোষ চিকিৎসার জ্ঞানকে উৎপাদন ও চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রয়োগের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে ইরানের চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভবিষ্যতের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। #

 

পার্সটুডে/এমএএইচ /২২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।