পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপাল-স্পিকার সংঘাতের নয়া মোড়, কঠোর মনোভাব বিমানের 
https://parstoday.ir/bn/news/india-i102982-পশ্চিমবঙ্গে_রাজ্যপাল_স্পিকার_সংঘাতের_নয়া_মোড়_কঠোর_মনোভাব_বিমানের
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সম্পর্কে কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আজ (বুধবার) গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, রাজ্যপাল যদি নিজে বিধানসভায় আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহলে আমরা তাঁর আসার কারণ জানতে চাইব। সেখানে ওনার কী ভমিকা থাকবে তাও আমাদের জানতে হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ২৬, ২০২২ ১৫:৫০ Asia/Dhaka
  • স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়
    স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সম্পর্কে কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আজ (বুধবার) গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, রাজ্যপাল যদি নিজে বিধানসভায় আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহলে আমরা তাঁর আসার কারণ জানতে চাইব। সেখানে ওনার কী ভমিকা থাকবে তাও আমাদের জানতে হবে।

এ ভাবে রাজ্যের দুই সাংবিধানিক প্রধানের মধ্যে দ্বন্দ্ব কার্যত নয়া মোড় নিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। স্পিকারের ওই অবস্থানের মাধ্যমে তিনি ঘুরিয়ে রাজ্যপাল আর নিজের ইচ্ছায় বিধানসভায় আসতে পারবেন না বলে মনে করছেন তারা।  

বুধবার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের কাছে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সংবাদ স্মম্মেলনের ভিডিয়ো ফুটেজ চেয়েছেন। স্পিকার বলেন, আমি  আপনাদের কাছে সিডি চেয়ে পাঠিয়েছি। আমি সেটা পরীক্ষা করে দেখার পরে কী করব না করব পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেব। বিধানসভা থেকে যখন বিল রাজপালের কাছে পাঠানো হয় তার ভাগ্যে কী হল তা আমাদের কাছে জানাতে হয়। কিন্তু আমি চিঠিতে যে বিলগুলোর কথা উল্লেখ করেছি সেগুলোর কী হল তা আজ পর্যন্ত জানতে পারিনি। উনি সেই বিলে সম্মতি দিয়েছেন, না কি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন, না রাষ্ট্রপতি প্রত্যাখ্যান করেছেন এরকম কোনও খবর আমাদের বিধানসভায় নেই। উনি যেসব কথা বলে গেলেন তার কোনও কথা সত্য নয়।’    

গতকাল (মঙ্গলবার) সংবিধান প্রণেতা বিআর আম্বেদকরের ভাস্কর্যে মালা দিতে এসে বিধানসভা চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় রাজ্য সরকার ও রাজ্য বিধানসভা সংক্রান্ত সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রাজ্যপাল এসেছিলেন আম্বেদকরের মূর্তিতে মালা দিতে। কিন্তু এখানে এসে তিনি মূর্তিতে মালা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভা সংক্রান্ত অনেক সমালোচনামূলক কথাবার্তা বলে গিয়েছেন। এটা ‘অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ।’ এখান থেকেই রাজ্যপাল ও বিধানসভার স্পিকারের মধ্যে তীব্র সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। তার জের আজও স্পিকারের মন্তব্যের মধ্যদিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।# 

পার্সটুডে/এমএএইচ/২৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।