জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষে ৫ গেরিলা নিহত, কুলগামে ১ পুলিশ কনস্টেবল নিহত
জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দু’টি পৃথক সংঘর্ষে ৫ গেরিলা নিহত হয়েছে।
আজ (রোববার) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘গত ১২ ঘণ্টায় জোড়া সংঘর্ষে পাকিস্তানি মদদপুষ্ট নিষিদ্ধ এলইটি এবং জেইএম-এর পাঁচ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে জঈশ-ই-মুহাম্মাদের কমান্ডার জাহিদ ওয়ানী এবং একজন পাকিস্তানি সন্ত্রাসী রয়েছে। এটা আমাদের কাছে বড় সাফল্য।’
আজ (রোববার) হিন্দি গণমাধ্যম ‘অমর উজালা ডটকম’ সূত্রে প্রকাশ, নিরাপত্তা বাহিনী কাশ্মীর উপত্যকায় পৃথক এনকাউন্টারে লস্কর-ই-তাইয়্যেবা এবং জঈশ-ই-মুহাম্মাদের ৫ গেরিলাকে হত্যা করেছে। জঈশের স্থানীয় নেতা জাহিদ ওয়ানীসহ এতে একজন পাকিস্তানিও রয়েছে।
গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায়, কাশ্মীর উপত্যকার পুলওয়ামা এবং বাডগাম জেলার দু’টি জায়গায় সংঘর্ষ হয়। কাশ্মীর পুলিশের আইজিপি বিজয় কুমার বলেন, প্রথম এনকাউন্টার হয়েছিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামার নাইরা এলাকায়। এতে চার সন্ত্রাসী নিহত হয়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামার নাইরা এলাকায় এনকাউন্টারে চার জঙ্গি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, মধ্য কাশ্মীরের বাডগাম জেলার চারার-ই-শরীফ এলাকায় একজন নিহত হয়েছে।
সংঘর্ষস্থল থেকে একটি একে-৫৬ রাইফেল সহ অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের আইজি বলেন, জঈশ কমান্ডার জাহিদ ওয়ানীসহ পাঁচ সন্ত্রাসীকে হত্যা করা নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য একটি বড় সাফল্য।
পুলিশের মহাপরিচালক দিলবাগ সিং বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জঈশ সন্ত্রাসী জাহিদ ওয়ানীর খোঁজে তল্লাশি চলছিল। খবর পেয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
অন্যদিকে, গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায়, অজ্ঞাত গেরিলারা কুলগাম জেলার হাসানপোরায় হেড কনস্টেবল আলী মুহাম্মাদ গণি গুলি করে হত্যা করে। তিনি কুলগাম থানায় কর্মরত ছিলেন।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এমআরএইচ/৩০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।