জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে মার্কিন বিবৃতি প্রসঙ্গে বিভিন্ন দলের প্রতিক্রিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/india-i104758-জম্মু_কাশ্মীরে_নির্বাচন_নিয়ে_মার্কিন_বিবৃতি_প্রসঙ্গে_বিভিন্ন_দলের_প্রতিক্রিয়া
জম্মু-কাশ্মীরের আঞ্চলিক দলগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক বিবৃতিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, বিশ্ব কাশ্মীরের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন। আজ (শুক্রবার) হিন্দি গণমাধ্যম ‘লাইভ হিন্দুস্তান’-এ ওই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ০৪, ২০২২ ১৫:৩৫ Asia/Dhaka
  • জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে মার্কিন বিবৃতি প্রসঙ্গে বিভিন্ন দলের প্রতিক্রিয়া

জম্মু-কাশ্মীরের আঞ্চলিক দলগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক বিবৃতিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, বিশ্ব কাশ্মীরের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন। আজ (শুক্রবার) হিন্দি গণমাধ্যম ‘লাইভ হিন্দুস্তান’-এ ওই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশ, জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন না হওয়া এবং মানবাধিকারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সম্প্রতি প্রশ্ন তুলেছে আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যে, আঞ্চলিক দলগুলো বলেছে, এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, বিশ্ব কাশ্মীরের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন।      কাশ্মীরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বলছে, ভারত সরকারের উচিত এই ত্রুটিগুলো দূর করা এবং অবিলম্বে সংস্কারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

মার্কিন সেনেট উপ-কমিটি অন নিয়ার ইস্ট, সাউথ এশিয়া, সেন্ট্রাল এশিয়া এবং কাউন্টার টেরোরিজম ২ মার্চ একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। ওই বিবৃতিতে মার্কিন কমিটি জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন না করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।   

এ সম্পর্কে ‘ন্যাশনাল কনফারেন্স’-এর নেতা হাসনাইন মাসউদি এমপি বলেন, আমরা এ বিষয়ে ভারত সরকারকে সতর্ক করছি যে এখানকার পরিস্থিতি উপেক্ষা করা যাবে না। তিনি বলেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং তার ১৩ মিলিয়ন জনসংখ্যার একটি অংশকে আমলাদের শাসনে ছেড়ে দিতে পারে না। মাসউদি বলেন, ২০১৯  সালের ৫ আগস্ট-এ নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের অনুভূতিকে সম্মান করা। 

সরকারের উচিত মার্কিন বিবৃতিকে জেগে ওঠার আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করা : মাসউদি    

‘ন্যাশনাল কনফারেন্স’-এর নেতা হাসনাইন মাসউদি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করা দরকার। আমেরিকা থেকে যে বিবৃতি এসেছে তাকে ভারত সরকারের উচিত জাগানোর কল হিসেবে নেওয়া। জম্মু-কাশ্মীরে সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে এবং তারপরে ২০১৫ সালের শুরুতে, ‘বিজেপি’এবং ‘পিডিপি’যৌথভাবে জোট সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু ২০১৮ সালের জুনে, সরকারের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় বিজেপি এবং এরপরে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দাদের  জন্য বিশেষ সুবিধা সম্বলিত ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল এবং রাজ্য পুনর্গঠনের সময় লাদাখকে একটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছিল। 

এই এলাকাকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে : ‘পিডিপি     

মার্কিন বিবৃতিতে ‘পিডিপি’ মুখপাত্র সুহেল বুখারি বলেছেন, ‘এই এলাকাটিকে একপ্রকার জিম্মি করে রাখা হয়েছে এবং সমস্ত সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমাদের অধিকার লুঠ করা হয়েছে এবং জনগণকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য ভারত সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। গত কয়েক বছরে যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে তা ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাই তাদের ভুল সংশোধনের জন্য অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।  

অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অশোক কৌল বলেছেন, ভারত সরকার সবসময়ই বলে আসছে যে এখানে নির্বাচন হবে। ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরে, ভোটার তালিকা এবং ভোটকেন্দ্রগুলো মনোনীত করা হবে এবং তারপরে বিধানসভা নির্বাচন হবে। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/আবুসাঈদ/৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।