পাঞ্জাবে মেসে গুলি চালালেন বিএসএফ সদস্য, অভিযুক্তসহ নিহত ৫
https://parstoday.ir/bn/news/india-i104850-পাঞ্জাবে_মেসে_গুলি_চালালেন_বিএসএফ_সদস্য_অভিযুক্তসহ_নিহত_৫
ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) একটি মেসে গুলিবর্ষণে পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এক জওয়ান গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত জওয়ানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মার্চ ০৬, ২০২২ ১৫:৩৬ Asia/Dhaka
  • পাঞ্জাবে মেসে গুলি চালালেন বিএসএফ সদস্য, অভিযুক্তসহ নিহত ৫

ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসরে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) একটি মেসে গুলিবর্ষণে পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এক জওয়ান গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত জওয়ানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আজ (রোববার)কনস্টেবল সত্তেপ্পা এস নামে এক জওয়ান অমৃতসরের খাসাতে বিএসএফের সদর দফতরের একটি মেসে গুলিবর্ষণ করলে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।  নিহত জওয়ানরা ১৪৪ তম ব্যাটেলিয়নের সদস্য ছিলেন। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত কনস্টেবল সত্তেপ্পা সহ ৫ জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন।  

বিএসএফ সূত্রে প্রকাশ, গুলি চালানোর কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আজ সকালে কোনও বিষয় নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে বচসা চলাকালীন আচমকাই সত্তেপ্পা নামে ওই কনস্টেবল তার আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলিবর্ষণ করেন। ঠিক কোন পরিস্থিতিতে ওই জওয়ান গুলি চালিয়েছেন তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।  

হিন্দি গণমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে প্রকাশ, ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে আটারি-ওয়াঘা সীমান্ত ক্রসিং থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে খাসা এলাকায় বিএসএফের মেসে ওই ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তারা বলছেন, নিহত কর্মীদের মধ্যে গুলি চালানো জওয়ানও রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন। 

‘দৈনিক ভাস্কর’সূত্রে প্রকাশ, অমৃতসরের খাসায় অবস্থিত বিএসএফ সদর দফতরের মেসে সকালের নাস্তা করছিলেন ১৪৪ ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। এ সময়ে ১৪৪ ব্যাটেলিয়নের কনস্টেবল সত্তেপ্পা এসকে ক্ষিপ্ত হয়ে এসে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করেন। তিনি তার সার্ভিস কম্বাইন দিয়ে মেস থেকে বেরিয়ে এসেও গুলি চালাতে থাকেন। বলা হচ্ছে, তিনি ডিউটি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন। ওই ঘটনায় বিএসএফের সদর দফতরে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অবশেষে ধরা পড়ার ভয়ে সত্তেপ্পা নিজেকেও গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই চার জওয়ানের মৃত্যু হয়। কনস্টেবল সত্তেপ্পা এবং অন্য একজন আহত জওয়ানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পথেই মারা যান সত্তেপ্পা। গুরু নানক দেব হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত কনস্টেবলের চিকিৎসা চলছে। 

আইজি বর্ডার আসিফ জালাল আহত জওয়ানদের অবস্থা জানতে গুরু নানক দেব হাসপাতালে যান। বিষয়টির তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।

পার্সটুডে/এমএএইচ/আবুসাঈদ/৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।