কোলকাতায় ‘আইএসএফ
বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির মুক্তির দাবিতে ১৮টি সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ‘আইএসএফ’ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিসহ অন্যদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বামফ্রন্ট, আইএসএফসহ ১৮টি সংগঠন কোলকাতায় প্রতিবাদ মিছিল করেছে।
আজ (মঙ্গলবার)বামপন্থিদের পাশাপাশি আইএসএফ নেতৃত্ব ওই প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হন। উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের সিনিয়র নেতা বিমান বসু, মুহাম্মাদ সেলিমের মতো সিপিএম নেতারা। আজকের মিছিলের মূল দাবি ছিল, ধৃতদের অবিলম্বে মুক্ত দিতে হবে। এ সময়ে তারা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেন।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূলকে নিশানা করে বলেছেন, ‘নওশাদ সিদ্দিকিকে টাকার টোপ দিয়ে এরা কিনতে চেয়েছিল। যখন পারেনি, তখনই পুলিশ হেফাজত চাচ্ছে যাতে ব্রেনওয়াশ করতে পারে।বিরোধী পক্ষের একমাত্র বিধায়ক উনি। ওরা তাকে ভয় পাচ্ছে কারণ ওরা বিরোধী কণ্ঠস্বর ভয় পায়।’
সিপিএমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আজ এক বার্তায় রাজ্য সরকারকে নিশানা করে বলা হয়েছে- ‘ভাঙড় জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে মমতার প্রশাসন। সর্বত্র মাইক নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পুলিশ। হুমকির চিঠি দিচ্ছে বাড়ি বাড়ি। রাস্তায় ব্যারিকেড। নাকা চেকিং। যেন যুদ্ধের প্রস্তুতি! এত ভয় সিপি(আই)এমকে? একমাত্র বিরোধী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে? এ দাপট টিকিবে না। অধিকারের লড়াই চলবে।’
এর আগে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু এক বিবৃতিতে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বামপন্থিদের সমর্থনে একমাত্র বিরোধী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিসহ সমস্ত রাজনৈতিক বন্দীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছে রাজ্য বামফ্রন্ট। রাজ্য বামফ্রন্ট মনে করে নওশাদ সিদ্দিকি ও তার সংগঠন ‘আইএসএফ’ নেতা-কর্মীদের স্বাধীন রাজনৈতিক কর্মসূচি রূপায়ন করার অধিকার গণতন্ত্র সম্মত।’
প্রসঙ্গত, গত ২১ জানুয়ারি, আইএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবসে কোলকাতার ধর্মতলায় যাওয়ার পথে ভাঙড়ের হাতিশালায় তৃণমূলের সঙ্গে আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানানোকে কেন্দ্র করে কোলকাতায় পুলিশের সঙ্গে আইএসএফ সমর্থকদের সংঘর্ষ হলে গ্রেফতার হন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ও তার কিছু কর্মী-সমর্থক।
পার্সটুডে/এমএএইচ/বাবুল আখতার/ ১৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।