মণিপুরে ফের সহিংসতা, নারীসহ হতাহত ১৯
https://parstoday.ir/bn/news/india-i124424-মণিপুরে_ফের_সহিংসতা_নারীসহ_হতাহত_১৯
গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত গভীর রাতে রাজ্যের খামেনলোক এলাকায় গুলিবর্ষণের ফলে ৯ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। কাংপোকি সংলগ্ন খামেনলোক এলাকায় আজ ভোর ১ টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ছিল অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ১৪, ২০২৩ ১৪:৫৮ Asia/Dhaka
  • মণিপুরে ফের সহিংসতা, নারীসহ হতাহত ১৯

গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত গভীর রাতে রাজ্যের খামেনলোক এলাকায় গুলিবর্ষণের ফলে ৯ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। কাংপোকি সংলগ্ন খামেনলোক এলাকায় আজ ভোর ১ টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ছিল অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত।

মণিপুরের উইমেন গান সারভাইভারস নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা বিনালক্ষ্মী নেপ্রাম দাবি করেছেন, কাংপোকির খামেনলোকে গুলিতে ১২ জন নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, ভোর ১ টার দিকে ইম্ফল পূর্ব জেলা এবং কাংপোকি জেলার সীমান্তবর্তী খামেনলোক এলাকায় অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গিরা গ্রামবাসীদের ঘিরে ফেলে হামলা চালায়। আহতদের ইম্ফলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাটি মেইতি-অধ্যুষিত ইম্ফল পূর্ব জেলা এবং উপজাতি-অধ্যুষিত কাংপোকপি জেলার সীমানা সংলগ্ন। খামেনলোক এলাকাতেই গত (সোমবার) গভীর রাতে জঙ্গি ও গ্রামীণ স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় ৯ জন আহত হয়। পুলিশ সূত্রে প্রকাশ, মঙ্গলবার বিষ্ণুপুর জেলার ফৌগাকচাও ইখাইতে কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। কুকি জঙ্গিরা মেইতেই এলাকার কাছে বাঙ্কার তৈরি করার চেষ্টা করায় নিরাপত্তা বাহিনী তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়।

গত ৩ মে উপজাতি ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’ (এটিএসইউএম)-এর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজ্যটিতে অশান্তির সূত্রপাত হয়। মণিপুর হাই কোর্ট ‘মেইতেই’দের ‘তফসিলি উপজাতি’র মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেই উপজাতি বিভিন্ন সংগঠন যৌথভাবে তার বিরোধিতায় মাঠে নামে। আর সেই ঘটনা থেকেই সহিংসতার সূচনা হয় সেখানে। রাজ্যটিতে গত ৩ মে থেকে চলমান সহিংসতায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিনশোর বেশি আহত এবং ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ ২৭২টি ত্রাণ শিবিরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। অশান্তি বন্ধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন কঠোরতা ও বিধিনিষেধ আরোপ করলেও সেখানে শান্তি ফেরানো যাচ্ছে না। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/১৪

 বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।